স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) দেশের অন্যতম বৃহৎ প্রকৌশল সংস্থা। ৬০ এর দশকে পল্লীপূর্ত কর্মসূচি বাস্তবায়নের মধ্যদিয়ে কার্যক্রম শুরু করলেও সময়ের পরিক্রমায় এর পরিধি ব্যাপকভাবে বিস্তৃত হয়েছে। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে শুরু করে শহরের সীমানায় রয়েছে এলজিইডির বিশাল কর্মযজ্ঞ। পাশাপাশি ভালো মানের কাজ করে সর্বত্র প্রশংসা কুড়িয়েছে দপ্তরটি।
গাইবান্ধা সদর উপজেলায় কাজলঢোপ বাজার থেকে বল্লমঝাড় ১৪৪০ মিটার এবং গিদারী ইউপি অফিস থেকে দাড়িয়াপুর জিসি সড়ক ১৯৮০ মিটার পাকা রাস্তা নির্মাণ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয় গাইবান্ধা সদর এলজিইডি।
এলজিইডি সূত্রে জানা যায়, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জিওবি এর অর্থায়নে বৃহত্তর রংপুর অঞ্চলের জেলা সমুহের পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন(GRRIIP) প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৩ কোটি ৬৪ লাখ ৬৬ হাজার টাকা চুক্তি মূল্যে কাজের দায়িত্ব পায় রংপুরের গুপতাপাড়া এলাকার এসএমসি রোডের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান খায়রুল কবির রানা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বল্লমঝাড় ও গিদারী ইউনিয়নের রাস্তা দুটির কাজ শুধু কার্পেটিং এর অপেক্ষায়। স্থানীয়রা জানান, রাস্তার পরিমাণ নির্ধারণ করে বক্স কাটিং,স্টিমেট অনুযায়ী বালু ফিলিং করে সাব বেইজ করে কমপেক্টেড করা হয়। পরে মানসম্মত খোয়া দিয়ে ডব্লিউবিএম (WBM) করা হয়। সেই সাথে রাস্তায় পর্যাপ্ত রোলিং করে সারফেস কে কার্পেটিং এর জন্য উপযোগী করা হয়। সেই সাথে পাকা রাস্তা নিয়ে নতুন স্বপ্ন দেখছেন এই দুই এলাকার জনগণ।
রাস্তার কাজের মান নিয়ে গিদারী ইউনিয়নের ভব মার্কেট এলাকার গোলাম মোস্তফা জানান, দীর্ঘদিন থেকে এ রাস্তাটি বেহাল দশায় পড়েছিল। যাতায়াতে চরম দুর্ভোগে পড়তেন এই এলাকার লোকজন। এলজিইডি র ভালো কাজ হওয়ায় আমরা সকলে খুশী। এ দিকে বল্লমঝাড় ইউনিয়নের মাহমুদ জানান, শুরু থেকে কাজের মান এখানে ভালো। তবে দ্রুত কাজ হওয়ায় দুর্ভোগ অনেক শিথিল হয়েছে। রাস্তা পাকাকরণ সম্পন্ন হলে এখানকার লোকজনের জীবনযাত্রার মান একধাপ এগিয়ে যাবে।
সচেতনমহল বলছেন, বর্ষাকালের কাঁদা মিশ্রিত রাস্তা এখন পাকা করণের পথে। এলজিইডি'র চৌকস প্রকৌশলীর প্রচেষ্টায় ও ঠিকাদারের আন্তরিকতায় রাস্তা নির্মাণের ভালো কাজ হয়েছে। দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান ঘটানোয় সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

শনিবার, ২২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ নভেম্বর ২০২৫
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) দেশের অন্যতম বৃহৎ প্রকৌশল সংস্থা। ৬০ এর দশকে পল্লীপূর্ত কর্মসূচি বাস্তবায়নের মধ্যদিয়ে কার্যক্রম শুরু করলেও সময়ের পরিক্রমায় এর পরিধি ব্যাপকভাবে বিস্তৃত হয়েছে। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে শুরু করে শহরের সীমানায় রয়েছে এলজিইডির বিশাল কর্মযজ্ঞ। পাশাপাশি ভালো মানের কাজ করে সর্বত্র প্রশংসা কুড়িয়েছে দপ্তরটি।
গাইবান্ধা সদর উপজেলায় কাজলঢোপ বাজার থেকে বল্লমঝাড় ১৪৪০ মিটার এবং গিদারী ইউপি অফিস থেকে দাড়িয়াপুর জিসি সড়ক ১৯৮০ মিটার পাকা রাস্তা নির্মাণ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয় গাইবান্ধা সদর এলজিইডি।
এলজিইডি সূত্রে জানা যায়, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জিওবি এর অর্থায়নে বৃহত্তর রংপুর অঞ্চলের জেলা সমুহের পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন(GRRIIP) প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৩ কোটি ৬৪ লাখ ৬৬ হাজার টাকা চুক্তি মূল্যে কাজের দায়িত্ব পায় রংপুরের গুপতাপাড়া এলাকার এসএমসি রোডের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান খায়রুল কবির রানা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বল্লমঝাড় ও গিদারী ইউনিয়নের রাস্তা দুটির কাজ শুধু কার্পেটিং এর অপেক্ষায়। স্থানীয়রা জানান, রাস্তার পরিমাণ নির্ধারণ করে বক্স কাটিং,স্টিমেট অনুযায়ী বালু ফিলিং করে সাব বেইজ করে কমপেক্টেড করা হয়। পরে মানসম্মত খোয়া দিয়ে ডব্লিউবিএম (WBM) করা হয়। সেই সাথে রাস্তায় পর্যাপ্ত রোলিং করে সারফেস কে কার্পেটিং এর জন্য উপযোগী করা হয়। সেই সাথে পাকা রাস্তা নিয়ে নতুন স্বপ্ন দেখছেন এই দুই এলাকার জনগণ।
রাস্তার কাজের মান নিয়ে গিদারী ইউনিয়নের ভব মার্কেট এলাকার গোলাম মোস্তফা জানান, দীর্ঘদিন থেকে এ রাস্তাটি বেহাল দশায় পড়েছিল। যাতায়াতে চরম দুর্ভোগে পড়তেন এই এলাকার লোকজন। এলজিইডি র ভালো কাজ হওয়ায় আমরা সকলে খুশী। এ দিকে বল্লমঝাড় ইউনিয়নের মাহমুদ জানান, শুরু থেকে কাজের মান এখানে ভালো। তবে দ্রুত কাজ হওয়ায় দুর্ভোগ অনেক শিথিল হয়েছে। রাস্তা পাকাকরণ সম্পন্ন হলে এখানকার লোকজনের জীবনযাত্রার মান একধাপ এগিয়ে যাবে।
সচেতনমহল বলছেন, বর্ষাকালের কাঁদা মিশ্রিত রাস্তা এখন পাকা করণের পথে। এলজিইডি'র চৌকস প্রকৌশলীর প্রচেষ্টায় ও ঠিকাদারের আন্তরিকতায় রাস্তা নির্মাণের ভালো কাজ হয়েছে। দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান ঘটানোয় সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

আপনার মতামত লিখুন