সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে এক নারীর ঘর থেকে মসজিদের এক ইমামকে আপত্তিকর অবস্থায় আটক করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার (২৭ জুন) রাত ১২টার দিকে উপজেলার চান্দাইকোনা ইউনিয়নের দেড়াগাঁতী মধ্যপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দেড়াগাঁতী মধ্যপাড়া জামে মসজিদ (টাঙ্গাইল পাড়া)-এর ইমাম মো. সেলিম ওই এলাকার মৃত আল আমিনের স্ত্রী মোছা. শানু বেগমের ঘরে অবস্থান করছিলেন। বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয় লোকজন সেখানে গিয়ে তাঁকে আটক করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এলাকাবাসী ও মসজিদের কয়েকজন মুসল্লি জানান, মো. সেলিম দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে ওই মসজিদে ইমামতি করে আসছেন। এমন ঘটনায় তাঁরা বিব্রত ও হতাশ।
স্থানীয়দের দাবি, শানু বেগমের স্বামী মারা যাওয়ার পর থেকেই ইমাম সেলিমের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ নিয়ে এলাকায় নানা আলোচনা চলছিল।
এ বিষয়ে ইমাম মো. সেলিম বলেন, “গত দেড় মাস ধরে মুঠোফোনে তাদের যোগাযোগ ছিল। একপর্যায়ে গত রাতে তিনি ওই বাসায় যান। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁকে আটক করেন।”
অন্যদিকে শানু বেগম বলেন, “আমাদের মধ্যে সম্পর্ক রয়েছে। আমি তাঁকে বিয়ে করতে চাই।”
রায়গঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আহসানুজ্জামান বলেন, “ঘটনার বিষয়ে আমরা অবগত নই। এখন পর্যন্ত কেউ থানায় লিখিত অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুন ২০২৬
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে এক নারীর ঘর থেকে মসজিদের এক ইমামকে আপত্তিকর অবস্থায় আটক করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার (২৭ জুন) রাত ১২টার দিকে উপজেলার চান্দাইকোনা ইউনিয়নের দেড়াগাঁতী মধ্যপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দেড়াগাঁতী মধ্যপাড়া জামে মসজিদ (টাঙ্গাইল পাড়া)-এর ইমাম মো. সেলিম ওই এলাকার মৃত আল আমিনের স্ত্রী মোছা. শানু বেগমের ঘরে অবস্থান করছিলেন। বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয় লোকজন সেখানে গিয়ে তাঁকে আটক করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এলাকাবাসী ও মসজিদের কয়েকজন মুসল্লি জানান, মো. সেলিম দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে ওই মসজিদে ইমামতি করে আসছেন। এমন ঘটনায় তাঁরা বিব্রত ও হতাশ।
স্থানীয়দের দাবি, শানু বেগমের স্বামী মারা যাওয়ার পর থেকেই ইমাম সেলিমের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ নিয়ে এলাকায় নানা আলোচনা চলছিল।
এ বিষয়ে ইমাম মো. সেলিম বলেন, “গত দেড় মাস ধরে মুঠোফোনে তাদের যোগাযোগ ছিল। একপর্যায়ে গত রাতে তিনি ওই বাসায় যান। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁকে আটক করেন।”
অন্যদিকে শানু বেগম বলেন, “আমাদের মধ্যে সম্পর্ক রয়েছে। আমি তাঁকে বিয়ে করতে চাই।”
রায়গঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আহসানুজ্জামান বলেন, “ঘটনার বিষয়ে আমরা অবগত নই। এখন পর্যন্ত কেউ থানায় লিখিত অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

আপনার মতামত লিখুন