ময়মনসিংহের ভালুকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় অনলাইন জুয়ার বিস্তার এবং সংঘবদ্ধ চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, ২ থেকে ১০ গুণ লাভের প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন ওয়েবসাইটে বিনিয়োগে উৎসাহিত করা হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। লেনদেনে ব্যবহার করা হচ্ছে বিকাশ, নগদ, রকেটসহ বিভিন্ন মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস)।গোয়েন্দা সূত্র জানায়, শুরুতে কিছু লাভ দেখিয়ে পরে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এসব অর্থের একটি অংশ ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে বিদেশে পাচারের অভিযোগও রয়েছে।তদন্তকারীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ভালুকাভিত্তিক একটি চক্রের কয়েকজন সদস্যকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। চক্রটির কয়েকজন কথিত মূল সমন্বয়কারী দেশের বাইরে অবস্থান করছেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে। তবে তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ এখনো আদালতে প্রমাণিত হয়নি।সাইবার পেট্রোলিংয়ের মাধ্যমে শতাধিক এমএফএস এজেন্ট নম্বর শনাক্ত করা হয়েছে, যেগুলোর মাধ্যমে সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। তদন্তসংশ্লিষ্টরা বলছেন, কৃষক, দিনমজুর, ভ্যানচালকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অনলাইন বেটিংয়ের ফাঁদে পড়ে আর্থিক ক্ষতির শিকার হচ্ছেন।ডিবির সাইবার সিকিউরিটি অ্যান্ড সাপোর্ট সেন্টারের যুগ্ম পুলিশ কমিশনার সৈয়দ হারুন অর রশিদ বলেন, অভিযোগ পেলেই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টারের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. সাইফউদ্দীন শাহীন জানান, অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে ২৪ ঘণ্টা মনিটরিং চলছে। নতুন সাইট শনাক্ত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।