নেত্রকোনার মদন উপজেলায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে গোয়াল ঘর পুড়ে দুটি গাভী মারা গেছে। এ ঘটনায় আরও একটি গাভী গুরুতর দগ্ধ হয়েছে। আগুনে গোয়াল ঘর ও গবাদিপশুসহ প্রায় তিন লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের নিজ ফতেপুর গ্রামের কৃষক মোহাম্মদ নজর মিয়ার গোয়াল ঘরে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার সূত্রে জানা যায়, রাতে গোয়াল ঘরে রাখা মশার কয়েল অথবা গোবর-তুষের আগুন (ধোঁয়া) থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। আগুন দ্রুত পুরো গোয়াল ঘরে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা ছুটে এসে অনেক চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে ততক্ষণে গোয়াল ঘরে থাকা দুটি মূল্যবান গাভী পুড়ে মারা যায়। এছাড়া আরও একটি গাভী গুরুতর দগ্ধ হয়ে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক মোহাম্মদ নজর মিয়া বলেন, “আগুনে আমার গোয়াল ঘরসহ দুটি গাভী পুড়ে গেছে। আরও একটি গাভী মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে। এতে আমার প্রায় তিন লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। সহায়-সম্বল হারিয়ে আমি এখন চরম বিপদে আছি।”
অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে বুধবার (৮ জুলাই) সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন মদন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাদির হোসেন শামীম। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের খোঁজখবর নেন এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সরকারি সহায়তা দেওয়ার আশ্বাস দেন।
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের পাশে দাঁড়াতে সমাজের বিত্তবান ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুলাই ২০২৬
নেত্রকোনার মদন উপজেলায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে গোয়াল ঘর পুড়ে দুটি গাভী মারা গেছে। এ ঘটনায় আরও একটি গাভী গুরুতর দগ্ধ হয়েছে। আগুনে গোয়াল ঘর ও গবাদিপশুসহ প্রায় তিন লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের নিজ ফতেপুর গ্রামের কৃষক মোহাম্মদ নজর মিয়ার গোয়াল ঘরে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার সূত্রে জানা যায়, রাতে গোয়াল ঘরে রাখা মশার কয়েল অথবা গোবর-তুষের আগুন (ধোঁয়া) থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। আগুন দ্রুত পুরো গোয়াল ঘরে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা ছুটে এসে অনেক চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে ততক্ষণে গোয়াল ঘরে থাকা দুটি মূল্যবান গাভী পুড়ে মারা যায়। এছাড়া আরও একটি গাভী গুরুতর দগ্ধ হয়ে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক মোহাম্মদ নজর মিয়া বলেন, “আগুনে আমার গোয়াল ঘরসহ দুটি গাভী পুড়ে গেছে। আরও একটি গাভী মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে। এতে আমার প্রায় তিন লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। সহায়-সম্বল হারিয়ে আমি এখন চরম বিপদে আছি।”
অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে বুধবার (৮ জুলাই) সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন মদন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাদির হোসেন শামীম। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের খোঁজখবর নেন এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সরকারি সহায়তা দেওয়ার আশ্বাস দেন।
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের পাশে দাঁড়াতে সমাজের বিত্তবান ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন