নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে সিরাজগঞ্জের শতবর্ষের ঐতিহ্যবাহী প্রায় ২০০ বছরের পুরোনো কালীবাড়ী গোবিন্দ বাড়ী ও ধর্মসভা মন্দিরে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উদযাপন করা হয়েছে।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টায় মন্দির প্রাঙ্গণে জন্মাষ্টমী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। মন্দির কমিটির সভাপতি জীবন কুমার বিশ্বাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন সাংস্কৃতিক সম্পাদক ডা. কার্তিক চন্দ্র বর্মন। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট রণজিৎ মন্ডল স্বপন।
এ সময় মন্দির কমিটির সহসভাপতি বীরেন বিশ্বাস, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুকুমার চন্দ্র সরকার, অরুণ কুমার দাস ও গোপাল দাস, সাংগঠনিক সম্পাদক নীরদ রঞ্জন সরকার, কোষাধ্যক্ষ চন্দন সাহা, সহসাংগঠনিক সম্পাদক অমৃত বিশ্বাস, দপ্তর সম্পাদক ডা. বিপ্লব চন্দ্র বর্মনসহ কমিটির অন্যান্য সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
মন্দির কমিটির সভাপতি জীবন কুমার বিশ্বাস বলেন, ‘শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী শুধু একটি ধর্মীয় উৎসব নয়; এটি সত্য, ন্যায়, প্রেম ও মানবতার চেতনায় মানুষকে উজ্জীবিত করার একটি মহৎ আয়োজন। প্রায় ২০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী এই মন্দিরে প্রতিবছর ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে জন্মাষ্টমী উদযাপন করা হয়। সকল ধর্মের মানুষের পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য আরও সুদৃঢ় হোক—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।’
সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট রণজিৎ মন্ডল স্বপন বলেন, ‘শ্রীকৃষ্ণের শিক্ষা হলো অন্যায় ও অসত্যের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে সত্য ও ন্যায়ের পথে চলা। এই শিক্ষা সমাজ ও রাষ্ট্রে শান্তি, সম্প্রীতি ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় অনুপ্রেরণা জোগায়। ঐতিহ্যবাহী কালীবাড়ী গোবিন্দ বাড়ীর ধর্মীয় অনুষ্ঠানগুলো ভবিষ্যতে আরও সুন্দর ও বৃহৎ পরিসরে আয়োজনের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের মাঝে সনাতন ধর্মীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য তুলে ধরা হবে।’
জন্মাষ্টমী উপলক্ষে মন্দির প্রাঙ্গণে ভক্তদের ব্যাপক সমাগম ঘটে। দিনব্যাপী পূজা-অর্চনা, গীতাপাঠ, নামসংকীর্তন, প্রার্থনা ও প্রসাদ বিতরণসহ বিভিন্ন ধর্মীয় কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ প্রার্থনা করা হয়।
দূর-দূরান্ত থেকে আসা ভক্তদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে মন্দির প্রাঙ্গণ। শিশু-কিশোর, নারী-পুরুষসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণে পুরো আয়োজনটি পরিণত হয় ধর্মীয় সম্প্রীতি ও মিলনমেলায়।

সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে সিরাজগঞ্জের শতবর্ষের ঐতিহ্যবাহী প্রায় ২০০ বছরের পুরোনো কালীবাড়ী গোবিন্দ বাড়ী ও ধর্মসভা মন্দিরে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উদযাপন করা হয়েছে।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টায় মন্দির প্রাঙ্গণে জন্মাষ্টমী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। মন্দির কমিটির সভাপতি জীবন কুমার বিশ্বাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন সাংস্কৃতিক সম্পাদক ডা. কার্তিক চন্দ্র বর্মন। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট রণজিৎ মন্ডল স্বপন।
এ সময় মন্দির কমিটির সহসভাপতি বীরেন বিশ্বাস, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুকুমার চন্দ্র সরকার, অরুণ কুমার দাস ও গোপাল দাস, সাংগঠনিক সম্পাদক নীরদ রঞ্জন সরকার, কোষাধ্যক্ষ চন্দন সাহা, সহসাংগঠনিক সম্পাদক অমৃত বিশ্বাস, দপ্তর সম্পাদক ডা. বিপ্লব চন্দ্র বর্মনসহ কমিটির অন্যান্য সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
মন্দির কমিটির সভাপতি জীবন কুমার বিশ্বাস বলেন, ‘শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী শুধু একটি ধর্মীয় উৎসব নয়; এটি সত্য, ন্যায়, প্রেম ও মানবতার চেতনায় মানুষকে উজ্জীবিত করার একটি মহৎ আয়োজন। প্রায় ২০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী এই মন্দিরে প্রতিবছর ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে জন্মাষ্টমী উদযাপন করা হয়। সকল ধর্মের মানুষের পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য আরও সুদৃঢ় হোক—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।’
সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট রণজিৎ মন্ডল স্বপন বলেন, ‘শ্রীকৃষ্ণের শিক্ষা হলো অন্যায় ও অসত্যের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে সত্য ও ন্যায়ের পথে চলা। এই শিক্ষা সমাজ ও রাষ্ট্রে শান্তি, সম্প্রীতি ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় অনুপ্রেরণা জোগায়। ঐতিহ্যবাহী কালীবাড়ী গোবিন্দ বাড়ীর ধর্মীয় অনুষ্ঠানগুলো ভবিষ্যতে আরও সুন্দর ও বৃহৎ পরিসরে আয়োজনের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের মাঝে সনাতন ধর্মীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য তুলে ধরা হবে।’
জন্মাষ্টমী উপলক্ষে মন্দির প্রাঙ্গণে ভক্তদের ব্যাপক সমাগম ঘটে। দিনব্যাপী পূজা-অর্চনা, গীতাপাঠ, নামসংকীর্তন, প্রার্থনা ও প্রসাদ বিতরণসহ বিভিন্ন ধর্মীয় কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ প্রার্থনা করা হয়।
দূর-দূরান্ত থেকে আসা ভক্তদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে মন্দির প্রাঙ্গণ। শিশু-কিশোর, নারী-পুরুষসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণে পুরো আয়োজনটি পরিণত হয় ধর্মীয় সম্প্রীতি ও মিলনমেলায়।

আপনার মতামত লিখুন