সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে চুরি মামলায় গ্রেপ্তার স্বামী মো. রমজান আলীকে নির্দোষ দাবি করে তাঁর মুক্তি ও মামলার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন গৃহবধূ রাবেয়া খাতুন।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার চান্দাইকোনা বাজার এলাকার বিশ্বাস মার্কেটের একটি কক্ষে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
লিখিত বক্তব্যে রাবেয়া খাতুন দাবি করেন, ব্যক্তিগত বিরোধের জেরে স্থানীয় কয়েকজনের ইন্ধনে তাঁর স্বামীকে চুরি মামলায় জড়ানো হয়েছে। গত ২৪ আগস্ট রাতে মো. হুমায়ুন কবির রানা বাদী হয়ে রায়গঞ্জ থানায় মামলাটি করেন। মামলায় বাড়িতে ঢুকে ৭০ হাজার টাকা ও প্রায় ১৪ আনা স্বর্ণালংকার চুরি এবং বাদীর স্ত্রীকে মারধর ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ আনা হয়েছে।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে রাবেয়া খাতুন বলেন, ঘটনার পরদিন বাদীর স্ত্রী স্থানীয় কয়েকজনকে জানিয়েছেন, ৭০ হাজার টাকা ও প্রায় ১৪ আনা স্বর্ণালংকার চুরি হয়নি। তাঁর দাবি অনুযায়ী, ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা নেওয়া হয়েছিল। এ-সংক্রান্ত তথ্য-প্রমাণ তাঁদের কাছে রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
রাবেয়া খাতুন আরও দাবি করেন, মামলার এজাহারে ‘মো. রমজান আলী’ নাম উল্লেখ করা হলেও বাবার নাম ‘অজ্ঞাত’ লেখা হয়েছে। পরে শুধু নামের মিলের ভিত্তিতে তাঁর স্বামীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘আমরা কোনো অপরাধীকে আড়াল করতে চাই না। নিরপরাধ কেউ যেন হয়রানির শিকার না হন, সেটিই আমাদের দাবি।’
মামলাটির সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়ে রাবেয়া খাতুন বলেন, বাদীর স্ত্রীর বক্তব্য, স্থানীয় বাসিন্দাদের সাক্ষ্য, সিসিটিভি ফুটেজসহ সংশ্লিষ্ট তথ্য-প্রমাণ যাচাই করা হলে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন সম্ভব। অভিযোগের সত্যতা না মিললে তাঁর স্বামীকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ারও দাবি জানান তিনি।

সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে চুরি মামলায় গ্রেপ্তার স্বামী মো. রমজান আলীকে নির্দোষ দাবি করে তাঁর মুক্তি ও মামলার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন গৃহবধূ রাবেয়া খাতুন।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার চান্দাইকোনা বাজার এলাকার বিশ্বাস মার্কেটের একটি কক্ষে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
লিখিত বক্তব্যে রাবেয়া খাতুন দাবি করেন, ব্যক্তিগত বিরোধের জেরে স্থানীয় কয়েকজনের ইন্ধনে তাঁর স্বামীকে চুরি মামলায় জড়ানো হয়েছে। গত ২৪ আগস্ট রাতে মো. হুমায়ুন কবির রানা বাদী হয়ে রায়গঞ্জ থানায় মামলাটি করেন। মামলায় বাড়িতে ঢুকে ৭০ হাজার টাকা ও প্রায় ১৪ আনা স্বর্ণালংকার চুরি এবং বাদীর স্ত্রীকে মারধর ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ আনা হয়েছে।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে রাবেয়া খাতুন বলেন, ঘটনার পরদিন বাদীর স্ত্রী স্থানীয় কয়েকজনকে জানিয়েছেন, ৭০ হাজার টাকা ও প্রায় ১৪ আনা স্বর্ণালংকার চুরি হয়নি। তাঁর দাবি অনুযায়ী, ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা নেওয়া হয়েছিল। এ-সংক্রান্ত তথ্য-প্রমাণ তাঁদের কাছে রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
রাবেয়া খাতুন আরও দাবি করেন, মামলার এজাহারে ‘মো. রমজান আলী’ নাম উল্লেখ করা হলেও বাবার নাম ‘অজ্ঞাত’ লেখা হয়েছে। পরে শুধু নামের মিলের ভিত্তিতে তাঁর স্বামীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘আমরা কোনো অপরাধীকে আড়াল করতে চাই না। নিরপরাধ কেউ যেন হয়রানির শিকার না হন, সেটিই আমাদের দাবি।’
মামলাটির সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়ে রাবেয়া খাতুন বলেন, বাদীর স্ত্রীর বক্তব্য, স্থানীয় বাসিন্দাদের সাক্ষ্য, সিসিটিভি ফুটেজসহ সংশ্লিষ্ট তথ্য-প্রমাণ যাচাই করা হলে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন সম্ভব। অভিযোগের সত্যতা না মিললে তাঁর স্বামীকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ারও দাবি জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন