ঢাকা    বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
খোলা বার্তা

মণিপুরে সন্দেহভাজন জঙ্গি হামলায় তিনজন নিহত



মণিপুরে সন্দেহভাজন জঙ্গি হামলায় তিনজন নিহত

ভারতের মণিপুর রাজ্যের কাংপোকপি জেলায় এক সন্দেহভাজন জঙ্গি হামলা অন্তত ৩ জন নিহত হয়েছেন। এসময় পুড়িয়ে দেওয়া হয় ৭টি বসতঘর। 

জেলার লোইবল খুলেন গ্রামে শুক্রবার ভোরে এই নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটে বলে কুকি ইনপি মণিপুরে (কেআইএম) এক বিবৃতিতেি এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।কুকি ইনপি হলো কুকি জনগোষ্ঠীর সমাজ পরিচালনা, বিচার ব্যবস্থা এবং তাদের রাজনৈতিক অধিকার রক্ষা করার জন্য গঠিত একটি ঐতিহ্যবাহী ও সর্বোচ্চ অভিভাবক সংগঠন।হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদন অনুসারে, কুকি ইনপি মণিপুর তাদের বিবৃতিতে অভিযোগ করেছে, ভোর আনুমানিক ৪টার দিকে এনএসসিএন-আইএম এবং তাদের ছায়া সংগঠন জেডইউএফ (কে)-এর অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত একদল ক্যাডার হঠাৎ গ্রামটিতে অতর্কিত হামলা চালায়। এতে ৩ জন সাধারণ নাগরিক ঘটনাস্থলেই নিহত হন এবং ৭টি বাড়িসহ ওখানকার মানুষদের সম্পত্তির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করে। 

কুকি স্টুডেন্টস অর্গানাইজেশন (কেএসও) জানিয়েছে, নিহতরা হলেন লোইবল খুলেন গ্রামের বাসিন্দা লেতখঙ্গাম হাওকিপ (৩৪), তার ৩০ বছর বয়সী স্ত্রী তিনমেরি হাওকিপ এবং ৩৪ বছর বয়সী জাংমিনলাল হাওকিপ। 

এ হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে কুকি সংগঠনগুলো একে সম্পূর্ণ নিরস্ত্র সাধারণ মানুষের ওপর মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন বলে আখ্যায়িত করেছে।

কুকি ইনপি মণিপুর ভারত সরকার এবং কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর কাছে এই হামলার পেছনে জড়িতদের খুঁজে বের করে অবিলম্বে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে। একই সঙ্গে তারা ঝুঁকিপূর্ণ ও উপান্ত এলাকাগুলোতে বসবাসকারী উপজাতিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ২০২৩ সালের মে মাসে মেতেই সম্প্রদায়ের তপশিলি উপজাতি (এসটি) মর্যাদার দাবির বিরোধিতাকে কেন্দ্র করে মণিপুর মেতেই ও কুকি-জো সম্প্রদায়ের মধ্যে এই ভয়াবহ জাতিগত দাঙ্গার সূত্রপাত হয়েছিল।

সরকারি ও বিভিন্ন গণমাধ্যমের হিসাব অনুযায়ী, দীর্ঘ এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত ২৫০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন এবং প্রায় ৬০ হাজার মানুষ নিজেদের ঘরবাড়ি ছেড়ে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। 

আপনার মতামত লিখুন

খোলা বার্তা

বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬


মণিপুরে সন্দেহভাজন জঙ্গি হামলায় তিনজন নিহত

প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুন ২০২৬

featured Image

ভারতের মণিপুর রাজ্যের কাংপোকপি জেলায় এক সন্দেহভাজন জঙ্গি হামলা অন্তত ৩ জন নিহত হয়েছেন। এসময় পুড়িয়ে দেওয়া হয় ৭টি বসতঘর। 

জেলার লোইবল খুলেন গ্রামে শুক্রবার ভোরে এই নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটে বলে কুকি ইনপি মণিপুরে (কেআইএম) এক বিবৃতিতেি এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।কুকি ইনপি হলো কুকি জনগোষ্ঠীর সমাজ পরিচালনা, বিচার ব্যবস্থা এবং তাদের রাজনৈতিক অধিকার রক্ষা করার জন্য গঠিত একটি ঐতিহ্যবাহী ও সর্বোচ্চ অভিভাবক সংগঠন।হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদন অনুসারে, কুকি ইনপি মণিপুর তাদের বিবৃতিতে অভিযোগ করেছে, ভোর আনুমানিক ৪টার দিকে এনএসসিএন-আইএম এবং তাদের ছায়া সংগঠন জেডইউএফ (কে)-এর অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত একদল ক্যাডার হঠাৎ গ্রামটিতে অতর্কিত হামলা চালায়। এতে ৩ জন সাধারণ নাগরিক ঘটনাস্থলেই নিহত হন এবং ৭টি বাড়িসহ ওখানকার মানুষদের সম্পত্তির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করে। 

কুকি স্টুডেন্টস অর্গানাইজেশন (কেএসও) জানিয়েছে, নিহতরা হলেন লোইবল খুলেন গ্রামের বাসিন্দা লেতখঙ্গাম হাওকিপ (৩৪), তার ৩০ বছর বয়সী স্ত্রী তিনমেরি হাওকিপ এবং ৩৪ বছর বয়সী জাংমিনলাল হাওকিপ। 

এ হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে কুকি সংগঠনগুলো একে সম্পূর্ণ নিরস্ত্র সাধারণ মানুষের ওপর মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন বলে আখ্যায়িত করেছে।

কুকি ইনপি মণিপুর ভারত সরকার এবং কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর কাছে এই হামলার পেছনে জড়িতদের খুঁজে বের করে অবিলম্বে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে। একই সঙ্গে তারা ঝুঁকিপূর্ণ ও উপান্ত এলাকাগুলোতে বসবাসকারী উপজাতিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ২০২৩ সালের মে মাসে মেতেই সম্প্রদায়ের তপশিলি উপজাতি (এসটি) মর্যাদার দাবির বিরোধিতাকে কেন্দ্র করে মণিপুর মেতেই ও কুকি-জো সম্প্রদায়ের মধ্যে এই ভয়াবহ জাতিগত দাঙ্গার সূত্রপাত হয়েছিল।

সরকারি ও বিভিন্ন গণমাধ্যমের হিসাব অনুযায়ী, দীর্ঘ এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত ২৫০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন এবং প্রায় ৬০ হাজার মানুষ নিজেদের ঘরবাড়ি ছেড়ে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। 


খোলা বার্তা

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. একরামুল হক
✆ ০১৯২৮-৩১৩১২০
প্রধান নির্বাহী : সাইদুল ইসলাম আবির।
✆ ০১৭৫০-৭০৭৬৩৬
ই মেইল: kholabartaonline@gmail.com
কপিরাইট © ২০২৬ খোলা বার্তা । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত