দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর অবশেষে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে অনুমোদিত রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় যেতে ইচ্ছুক প্রার্থীদের আবেদন করার আহ্বান জানিয়েছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ইচ্ছুক কর্মীরা সরকার অনুমোদিত রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে অভিবাসন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন। কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা ও সিন্ডিকেট বা একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ রোধে স্বাস্থ্য পরীক্ষার ক্ষেত্রেও পরিবর্তন আনা হয়েছে।
এখন থেকে অনুমোদিত যেকোনো নিবন্ধিত মেডিকেল সেন্টার থেকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো যাবে—কোনো নির্দিষ্ট মেডিকেল সেন্টারকে একক আধিপত্য দেওয়া হবে না।
ঘোষিত নতুন নীতিমালা অনুযায়ী চার ধাপে কর্মী নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন হবে:
১. চাহিদা পত্র সংগ্রহ: মালয়েশিয়া সরকার কর্তৃক অনুমোদিত যেকোনো বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সি নিজেদের উদ্যোগে মালয়েশিয়া থেকে চাহিদাপত্র সংগ্রহ করতে পারবে।
২. কর্মী নির্বাচন: চাহিদা পত্র সংগ্রহকারী এজেন্সি দেশের প্রচলিত আইন মেনে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় কর্মী বাছাই ও নির্বাচন করবে।
৩. প্রশাসনিক প্রসেসিং: কলিং ভিসা ও ই-ভিসাসহ মালয়েশিয়ার প্রশাসনিক কার্যক্রমের জন্য সরকারি সংস্থা বোয়েসেল এবং নিবন্ধিত ২৫টি 'প্রসেসিং সার্ভিস এজেন্সি' প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবে।
৪. বিএমইটি ক্লিয়ারেন্স: মালয়েশিয়ার প্রশাসনিক ধাপ শেষ হলে সংশ্লিষ্ট রিক্রুটিং এজেন্সি তাদের নিজস্ব লাইসেন্সের অধীনেই কর্মীদের বিএমইটি (BMET) ছাড়পত্র সম্পন্ন করতে পারবে।
প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই কাঠামোর মাধ্যমে প্রতিটি এজেন্সির নিজস্ব ব্যবসায়িক স্বাধীনতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে এবং কর্মীরাও সহজ ও স্বচ্ছ উপায়ে মালয়েশিয়া যাওয়ার সুযোগ পাবেন।

শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ অক্টোবর ২০২৬
দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর অবশেষে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে অনুমোদিত রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় যেতে ইচ্ছুক প্রার্থীদের আবেদন করার আহ্বান জানিয়েছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ইচ্ছুক কর্মীরা সরকার অনুমোদিত রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে অভিবাসন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন। কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা ও সিন্ডিকেট বা একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ রোধে স্বাস্থ্য পরীক্ষার ক্ষেত্রেও পরিবর্তন আনা হয়েছে।
এখন থেকে অনুমোদিত যেকোনো নিবন্ধিত মেডিকেল সেন্টার থেকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো যাবে—কোনো নির্দিষ্ট মেডিকেল সেন্টারকে একক আধিপত্য দেওয়া হবে না।
ঘোষিত নতুন নীতিমালা অনুযায়ী চার ধাপে কর্মী নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন হবে:
১. চাহিদা পত্র সংগ্রহ: মালয়েশিয়া সরকার কর্তৃক অনুমোদিত যেকোনো বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সি নিজেদের উদ্যোগে মালয়েশিয়া থেকে চাহিদাপত্র সংগ্রহ করতে পারবে।
২. কর্মী নির্বাচন: চাহিদা পত্র সংগ্রহকারী এজেন্সি দেশের প্রচলিত আইন মেনে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় কর্মী বাছাই ও নির্বাচন করবে।
৩. প্রশাসনিক প্রসেসিং: কলিং ভিসা ও ই-ভিসাসহ মালয়েশিয়ার প্রশাসনিক কার্যক্রমের জন্য সরকারি সংস্থা বোয়েসেল এবং নিবন্ধিত ২৫টি 'প্রসেসিং সার্ভিস এজেন্সি' প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবে।
৪. বিএমইটি ক্লিয়ারেন্স: মালয়েশিয়ার প্রশাসনিক ধাপ শেষ হলে সংশ্লিষ্ট রিক্রুটিং এজেন্সি তাদের নিজস্ব লাইসেন্সের অধীনেই কর্মীদের বিএমইটি (BMET) ছাড়পত্র সম্পন্ন করতে পারবে।
প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই কাঠামোর মাধ্যমে প্রতিটি এজেন্সির নিজস্ব ব্যবসায়িক স্বাধীনতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে এবং কর্মীরাও সহজ ও স্বচ্ছ উপায়ে মালয়েশিয়া যাওয়ার সুযোগ পাবেন।

আপনার মতামত লিখুন