বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) সিরাজগঞ্জ জেলা শাখার সাবেক সদস্য ও সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্টের জেলা সাধারণ সম্পাদক সন্তোষ কুমার বাবুর চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টায় সিরাজগঞ্জ জেলা বাসদ কার্যালয়ে এ স্মরণসভার আয়োজন করা হয়।এতে সভাপতিত্ব করেন বাসদ সিরাজগঞ্জ জেলা শাখার আহ্বায়ক কমরেড নব কুমার কর্মকার।
স্মরণসভায় বক্তব্য দেন বাসদ নেতা তারিকুজ্জামান টরিক,সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্টের জেলা সভাপতি পলাশ কুমার ঘোষ,সাধারণ সম্পাদক সঞ্জয় কুমার গৌর,কৃষক ফ্রন্টের নেতা এমদাদুল হক ও সদস্য সিরাজুল ইসলাম।
বক্তারা বলেন,সন্তোষ কুমার বাবু ছিলেন শ্রমজীবী মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও শোষণ-বৈষম্যহীন সমাজ গড়ার সংগ্রামে নিবেদিত একজন রাজনৈতিক কর্মী। তাঁর রাজনৈতিক জীবন,আদর্শ,ত্যাগ ও মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা সহযোদ্ধাদের অনুপ্রাণিত করবে। তিনি আজ আমাদের মাঝে নেই,কিন্তু মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে তাঁর অবদান ও স্মৃতি দীর্ঘদিন বেঁচে থাকবে। তাঁর আদর্শকে ধারণ করে শ্রমজীবী মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনের আন্দোলন এগিয়ে নেওয়াই হবে তাঁর প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধা।
উল্লেখ্য: স্মরণসভা শুরুর আগে প্রয়াত সন্তোষ কুমার বাবুর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে উপস্থিত সবাই এক মিনিট নীরবতা পালন করেন। পরে তাঁর রাজনৈতিক জীবন, সংগ্রাম ও সমাজ পরিবর্তনের আন্দোলনে অবদান নিয়ে আলোচনা করা হয়।

শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ অক্টোবর ২০২৬
বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) সিরাজগঞ্জ জেলা শাখার সাবেক সদস্য ও সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্টের জেলা সাধারণ সম্পাদক সন্তোষ কুমার বাবুর চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টায় সিরাজগঞ্জ জেলা বাসদ কার্যালয়ে এ স্মরণসভার আয়োজন করা হয়।এতে সভাপতিত্ব করেন বাসদ সিরাজগঞ্জ জেলা শাখার আহ্বায়ক কমরেড নব কুমার কর্মকার।
স্মরণসভায় বক্তব্য দেন বাসদ নেতা তারিকুজ্জামান টরিক,সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্টের জেলা সভাপতি পলাশ কুমার ঘোষ,সাধারণ সম্পাদক সঞ্জয় কুমার গৌর,কৃষক ফ্রন্টের নেতা এমদাদুল হক ও সদস্য সিরাজুল ইসলাম।
বক্তারা বলেন,সন্তোষ কুমার বাবু ছিলেন শ্রমজীবী মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও শোষণ-বৈষম্যহীন সমাজ গড়ার সংগ্রামে নিবেদিত একজন রাজনৈতিক কর্মী। তাঁর রাজনৈতিক জীবন,আদর্শ,ত্যাগ ও মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা সহযোদ্ধাদের অনুপ্রাণিত করবে। তিনি আজ আমাদের মাঝে নেই,কিন্তু মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে তাঁর অবদান ও স্মৃতি দীর্ঘদিন বেঁচে থাকবে। তাঁর আদর্শকে ধারণ করে শ্রমজীবী মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনের আন্দোলন এগিয়ে নেওয়াই হবে তাঁর প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধা।
উল্লেখ্য: স্মরণসভা শুরুর আগে প্রয়াত সন্তোষ কুমার বাবুর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে উপস্থিত সবাই এক মিনিট নীরবতা পালন করেন। পরে তাঁর রাজনৈতিক জীবন, সংগ্রাম ও সমাজ পরিবর্তনের আন্দোলনে অবদান নিয়ে আলোচনা করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন