চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার বেতাগি ইউনিয়নে ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধকে ১৭ বছর বয়সী এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার করেছে রাঙ্গুনিয়া থানা পুলিশ।
ঘটনাটি সামনে আসার পর থেকেই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে অভিযুক্ত বৃদ্ধের পরিবার ও স্বজনরা দাবি করছেন, এটি একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র এবং তাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।
পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, স্থানীয় এক ইউপি সদস্য (মেম্বার) তাদের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। ওই টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে বৃদ্ধকে ধর্ষণ মামলায় জড়িয়ে গ্রেফতার করানো হয়। তারা আরও জানান, অভিযুক্ত বৃদ্ধ এবং অভিযোগকারী কিশোরীর পরিবার পরস্পরের আত্মীয়, যা ঘটনাটিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
এদিকে, বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় সচেতন মহলে শুরু হয়েছে তীব্র আলোচনা-সমালোচনা।
রাঙ্গুনিয়া প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আকাশ আহমেদ এক মন্তব্যে বলেন—
“এটি চরমভাবে অবিশ্বাস্য বিষয়। প্রশাসনের উচিত অভিযোগকারীদের বিষয়েও কঠোর তদন্ত করা। প্রকৃত রহস্য তাদের ভেতরেই লুকিয়ে থাকতে পারে।”
তিনি আরও বলেন, আদালতে দোষী প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত অভিযুক্ত ব্যক্তির ছবি বা পরিচয় প্রচার না করাই মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে যুক্তিযুক্ত।
অন্যদিকে, বেতাগি ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান শফিউল আলম বলেন—
“অভিযুক্ত আর অপরাধী এক নয়। সঠিক তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন হওয়া জরুরি। কাউকে আগে থেকেই অপরাধী হিসেবে উপস্থাপন করা উচিত নয়।”
এই বিষয়ে রাঙ্গুনিয়া থানা-এর ওসি জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
অভিযোগকারী কিশোরীর পিতা আব্দুস শুক্কুরের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
ঘটনাটি ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও নানা প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। স্থানীয়দের একাংশ এটি ষড়যন্ত্র বলে দাবি করলেও, অন্যরা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।
বর্তমানে পুরো বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ধোঁয়াশা বিরাজ করছে। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের দিকেই তাকিয়ে রয়েছে স্থানীয়রা।

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬
চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার বেতাগি ইউনিয়নে ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধকে ১৭ বছর বয়সী এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার করেছে রাঙ্গুনিয়া থানা পুলিশ।
ঘটনাটি সামনে আসার পর থেকেই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে অভিযুক্ত বৃদ্ধের পরিবার ও স্বজনরা দাবি করছেন, এটি একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র এবং তাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।
পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, স্থানীয় এক ইউপি সদস্য (মেম্বার) তাদের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। ওই টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে বৃদ্ধকে ধর্ষণ মামলায় জড়িয়ে গ্রেফতার করানো হয়। তারা আরও জানান, অভিযুক্ত বৃদ্ধ এবং অভিযোগকারী কিশোরীর পরিবার পরস্পরের আত্মীয়, যা ঘটনাটিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
এদিকে, বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় সচেতন মহলে শুরু হয়েছে তীব্র আলোচনা-সমালোচনা।
রাঙ্গুনিয়া প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আকাশ আহমেদ এক মন্তব্যে বলেন—
“এটি চরমভাবে অবিশ্বাস্য বিষয়। প্রশাসনের উচিত অভিযোগকারীদের বিষয়েও কঠোর তদন্ত করা। প্রকৃত রহস্য তাদের ভেতরেই লুকিয়ে থাকতে পারে।”
তিনি আরও বলেন, আদালতে দোষী প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত অভিযুক্ত ব্যক্তির ছবি বা পরিচয় প্রচার না করাই মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে যুক্তিযুক্ত।
অন্যদিকে, বেতাগি ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান শফিউল আলম বলেন—
“অভিযুক্ত আর অপরাধী এক নয়। সঠিক তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন হওয়া জরুরি। কাউকে আগে থেকেই অপরাধী হিসেবে উপস্থাপন করা উচিত নয়।”
এই বিষয়ে রাঙ্গুনিয়া থানা-এর ওসি জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
অভিযোগকারী কিশোরীর পিতা আব্দুস শুক্কুরের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
ঘটনাটি ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও নানা প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। স্থানীয়দের একাংশ এটি ষড়যন্ত্র বলে দাবি করলেও, অন্যরা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।
বর্তমানে পুরো বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ধোঁয়াশা বিরাজ করছে। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের দিকেই তাকিয়ে রয়েছে স্থানীয়রা।

আপনার মতামত লিখুন