বগুড়ার ধুনট উপজেলার মথুরাপুর ইউনিয়নের ছাতিয়ানী দক্ষিণপাড়ায় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে স্মৃতিচারণমূলক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধের নানা অভিজ্ঞতা, যুদ্ধকালীন প্রতিকূলতা এবং স্বাধীনতা অর্জনে মুক্তিযোদ্ধাদের ত্যাগের কথা তুলে ধরা হয়।
‘অত্র অঞ্চলের মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতিচারণমূলক অনুষ্ঠান–২০২৬’ শীর্ষক এ আয়োজনে ২৬ জন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। তবে বিভিন্ন কারণে সবাই উপস্থিত হতে পারেননি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন যুদ্ধকালীন সেকশন কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আলী আজহার শেখ।
অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। পরে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত ও গীতা পাঠের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।
স্মৃতিচারণ পর্বে উপস্থিত বীর মুক্তিযোদ্ধারা ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন ঘটনা, যুদ্ধকালীন অভিজ্ঞতা, প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং দেশ স্বাধীন করতে মুক্তিযোদ্ধাদের সাহসিকতা ও আত্মত্যাগের কথা তুলে ধরেন।
মুক্তিযুদ্ধের প্রত্যক্ষ সাক্ষীদের অভিজ্ঞতা সংরক্ষণ এবং নতুন প্রজন্মের কাছে স্বাধীনতার সঠিক ইতিহাস পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত বীর মুক্তিযোদ্ধারা হলেন মো. আলী আজহার শেখ, বি. এম. আজিজুর রহমান, আলহাজ মোজাম্মেল হক, মো. আজহারুল ইসলাম, আলহাজ আজহার আলী ভূঁইয়া, আলহাজ মো. জহুরুল ইসলাম, অধীর চন্দ্র সাহা, রণজিৎ কুমার সাহা, মো. আব্দুর রহিম মিয়া, এস. এফ. ফেরদৌস আলম, মো. রুহুল আমিন শেখ, মো. আসমত আলী শেখ, মো. আব্বাস আলী শেখ, মো. আব্দুর রাজ্জাক সরকার, এস. এম. আব্দুল আজিজ, নজরুল ইসলাম, মো. নুরুল আমিন, মো. আজহার আলী সরকার ও কে. এম. রায়হান আলী মুন্সি।
উপস্থিত মুক্তিযোদ্ধাদের বাড়ি ধুনট উপজেলার ছাতিয়ানী, উজালশিং, রান্ডিলা, বিলচাপড়ি, পীরহাটি, প্রতাপ খাদুলী, বানিয়াগাঁতী ও গোবিন্দপুরসহ বিভিন্ন এলাকায়। এ ছাড়া শেরপুরের জয়নগর এবং সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জের কয়ড়া ও শলির চর এলাকার মুক্তিযোদ্ধারাও অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান স্মরণ, তাঁদের যুদ্ধদিনের অভিজ্ঞতা সংরক্ষণ এবং স্বাধীনতার ইতিহাস ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার মধ্য দিয়ে এ আয়োজনের সমাপ্তি ঘটে।

শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ অক্টোবর ২০২৬
বগুড়ার ধুনট উপজেলার মথুরাপুর ইউনিয়নের ছাতিয়ানী দক্ষিণপাড়ায় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে স্মৃতিচারণমূলক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধের নানা অভিজ্ঞতা, যুদ্ধকালীন প্রতিকূলতা এবং স্বাধীনতা অর্জনে মুক্তিযোদ্ধাদের ত্যাগের কথা তুলে ধরা হয়।
‘অত্র অঞ্চলের মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতিচারণমূলক অনুষ্ঠান–২০২৬’ শীর্ষক এ আয়োজনে ২৬ জন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। তবে বিভিন্ন কারণে সবাই উপস্থিত হতে পারেননি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন যুদ্ধকালীন সেকশন কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আলী আজহার শেখ।
অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। পরে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত ও গীতা পাঠের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।
স্মৃতিচারণ পর্বে উপস্থিত বীর মুক্তিযোদ্ধারা ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন ঘটনা, যুদ্ধকালীন অভিজ্ঞতা, প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং দেশ স্বাধীন করতে মুক্তিযোদ্ধাদের সাহসিকতা ও আত্মত্যাগের কথা তুলে ধরেন।
মুক্তিযুদ্ধের প্রত্যক্ষ সাক্ষীদের অভিজ্ঞতা সংরক্ষণ এবং নতুন প্রজন্মের কাছে স্বাধীনতার সঠিক ইতিহাস পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত বীর মুক্তিযোদ্ধারা হলেন মো. আলী আজহার শেখ, বি. এম. আজিজুর রহমান, আলহাজ মোজাম্মেল হক, মো. আজহারুল ইসলাম, আলহাজ আজহার আলী ভূঁইয়া, আলহাজ মো. জহুরুল ইসলাম, অধীর চন্দ্র সাহা, রণজিৎ কুমার সাহা, মো. আব্দুর রহিম মিয়া, এস. এফ. ফেরদৌস আলম, মো. রুহুল আমিন শেখ, মো. আসমত আলী শেখ, মো. আব্বাস আলী শেখ, মো. আব্দুর রাজ্জাক সরকার, এস. এম. আব্দুল আজিজ, নজরুল ইসলাম, মো. নুরুল আমিন, মো. আজহার আলী সরকার ও কে. এম. রায়হান আলী মুন্সি।
উপস্থিত মুক্তিযোদ্ধাদের বাড়ি ধুনট উপজেলার ছাতিয়ানী, উজালশিং, রান্ডিলা, বিলচাপড়ি, পীরহাটি, প্রতাপ খাদুলী, বানিয়াগাঁতী ও গোবিন্দপুরসহ বিভিন্ন এলাকায়। এ ছাড়া শেরপুরের জয়নগর এবং সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জের কয়ড়া ও শলির চর এলাকার মুক্তিযোদ্ধারাও অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান স্মরণ, তাঁদের যুদ্ধদিনের অভিজ্ঞতা সংরক্ষণ এবং স্বাধীনতার ইতিহাস ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার মধ্য দিয়ে এ আয়োজনের সমাপ্তি ঘটে।

আপনার মতামত লিখুন