জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষে মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলায় চতুর্থবারের মতো শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিত হয়েছেন দাসের বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দীপক রঞ্জন দাস।
একই আয়োজনে ইংরেজি রচনা প্রতিযোগিতায় উপজেলা পর্যায়ে প্রথম স্থান অর্জন করেছে তাঁর বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী তাওসিফ আলম।
শিক্ষাক্ষেত্রে অসামান্য অবদান, বিদ্যালয়ের শিক্ষার মানোন্নয়ন, প্রশাসনিক দক্ষতা, শিক্ষার্থীদের নৈতিক ও সৃজনশীল বিকাশে ভূমিকা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ইতিবাচক শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দীপক রঞ্জন দাসকে উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিত করা হয়।
দীর্ঘদিন ধরে দাসের বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসা দীপক রঞ্জন দাস বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের ফলাফল, সহশিক্ষা কার্যক্রম এবং শৃঙ্খলা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন। তাঁর নেতৃত্বে বিদ্যালয়ের শিক্ষা ও সহশিক্ষা কার্যক্রমে ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
এর আগে তিনি একবার জেলা পর্যায়ে এবং একবার সিলেট বিভাগীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক নির্বাচিত হওয়ার গৌরব অর্জন করেন। এছাড়া দেশের জনপ্রিয় দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকার উদ্যোগেও তিনি শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন।
জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষে পুরস্কার ও সনদপত্র গ্রহণের কিছু ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করে দীপক রঞ্জন দাস সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
তিনি সম্মানিত বিচারকমণ্ডলী, উপজেলা প্রশাসন, জুড়ী-বড়লেখা সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং দাসের বাজার ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।
চতুর্থবারের মতো উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিত হওয়ায় দাসের বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে।
একই সঙ্গে ইংরেজি রচনা প্রতিযোগিতায় তাওসিফ আলমের প্রথম স্থান অর্জন বিদ্যালয়ের সাফল্যে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, দীপক রঞ্জন দাসের এই অর্জন শুধু তাঁর ব্যক্তিগত সাফল্য নয়; এটি দাসের বাজার উচ্চ বিদ্যালয় এবং বড়লেখার শিক্ষা অঙ্গনের জন্যও গর্বের বিষয়।

মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষে মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলায় চতুর্থবারের মতো শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিত হয়েছেন দাসের বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দীপক রঞ্জন দাস।
একই আয়োজনে ইংরেজি রচনা প্রতিযোগিতায় উপজেলা পর্যায়ে প্রথম স্থান অর্জন করেছে তাঁর বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী তাওসিফ আলম।
শিক্ষাক্ষেত্রে অসামান্য অবদান, বিদ্যালয়ের শিক্ষার মানোন্নয়ন, প্রশাসনিক দক্ষতা, শিক্ষার্থীদের নৈতিক ও সৃজনশীল বিকাশে ভূমিকা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ইতিবাচক শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দীপক রঞ্জন দাসকে উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিত করা হয়।
দীর্ঘদিন ধরে দাসের বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসা দীপক রঞ্জন দাস বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের ফলাফল, সহশিক্ষা কার্যক্রম এবং শৃঙ্খলা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন। তাঁর নেতৃত্বে বিদ্যালয়ের শিক্ষা ও সহশিক্ষা কার্যক্রমে ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
এর আগে তিনি একবার জেলা পর্যায়ে এবং একবার সিলেট বিভাগীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক নির্বাচিত হওয়ার গৌরব অর্জন করেন। এছাড়া দেশের জনপ্রিয় দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকার উদ্যোগেও তিনি শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন।
জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষে পুরস্কার ও সনদপত্র গ্রহণের কিছু ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করে দীপক রঞ্জন দাস সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
তিনি সম্মানিত বিচারকমণ্ডলী, উপজেলা প্রশাসন, জুড়ী-বড়লেখা সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং দাসের বাজার ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।
চতুর্থবারের মতো উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিত হওয়ায় দাসের বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে।
একই সঙ্গে ইংরেজি রচনা প্রতিযোগিতায় তাওসিফ আলমের প্রথম স্থান অর্জন বিদ্যালয়ের সাফল্যে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, দীপক রঞ্জন দাসের এই অর্জন শুধু তাঁর ব্যক্তিগত সাফল্য নয়; এটি দাসের বাজার উচ্চ বিদ্যালয় এবং বড়লেখার শিক্ষা অঙ্গনের জন্যও গর্বের বিষয়।

আপনার মতামত লিখুন