একই জমিতে ‘নয়ন কাজল’ জাতের বেগুন চাষের পাশাপাশি সাথি ফসল হিসেবে লাউ উৎপাদন করে সাফল্য পেয়েছেন সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার ধুকুড়িয়া গ্রামের কৃষক লিটন মণ্ডল। জৈব সারনির্ভর চাষাবাদে ভালো ফলন ও বাজারে সন্তোষজনক দাম পাওয়ায় আশাবাদী তিনি। মৌসুম শেষে সব খরচ বাদ দিয়ে ৪ থেকে ৫ লাখ টাকা লাভের প্রত্যাশা করছেন এই কৃষক। তাঁর সাফল্য দেখে এলাকার অন্য কৃষকেরাও একই পদ্ধতিতে চাষাবাদে আগ্রহী হয়ে উঠছেন।
সোমবার (১২ অক্টোবর) ধুকুড়িয়া গ্রামে লিটন মণ্ডলের খেতে গিয়ে দেখা যায়, ৪০ শতক জমিতে সারি সারি বেগুনগাছ। গাছের ডালে ডালে ঝুলছে উজ্জ্বল রঙের ‘নয়ন কাজল’ জাতের বেগুন। রাসায়নিক কীটনাশক ও অতিরিক্ত রাসায়নিক সারের পরিবর্তে তিনি ব্যবহার করেছেন ভার্মি কম্পোস্টসহ বিভিন্ন জৈব সার। বীজ বপন, মাচা তৈরি ও পরিচর্যাসহ এ পর্যন্ত তাঁর খরচ হয়েছে প্রায় দেড় লাখ টাকা।
কৃষক লিটন মণ্ডল জানান, ‘নয়ন কাজল’ বেগুনের বাজারে ভালো চাহিদা রয়েছে। প্রতি সপ্তাহে খেত থেকে ৮ থেকে ১০ মণ বেগুন তুলে স্থানীয় বাজারে বিক্রি করে প্রায় ১৫ হাজার টাকা আয় করছেন তিনি। উৎপাদন ও বিক্রি স্বাভাবিক থাকলে মৌসুম শেষে ভালো লাভের আশা করছেন।
বেগুনের পাশাপাশি জমির আইল ও সীমানায় ‘হাজারি লাউ’ চাষ করেছেন লিটন। এতে আলাদা করে উল্লেখযোগ্য খরচ ছাড়াই বেড়ে উঠছে লাউগাছ। ফলে মূল ফসলের পাশাপাশি সাথি ফসল থেকেও বাড়তি আয়ের সুযোগ তৈরি হয়েছে। একই জমিতে দুই ধরনের ফসল উৎপাদন করে জমির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করার চেষ্টা করছেন তিনি।
স্থানীয় কয়েকজন কৃষক জানান, লিটনের খেতে বেগুনের ভালো ফলন দেখে তাঁরাও আগামী মৌসুমে ‘নয়ন কাজল’ বেগুনের সঙ্গে সাথি ফসল হিসেবে লাউ চাষের পরিকল্পনা করছেন। তাঁদের মতে, কৃষি বিভাগের নিয়মিত পরামর্শ ও প্রশিক্ষণ পেলে এ ধরনের চাষাবাদ আরও ছড়িয়ে পড়বে এবং কৃষকের আয় বাড়াতে ভূমিকা রাখবে।
সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এস এম নাসিম হোসেন বলেন, জৈব পদ্ধতিতে ‘নয়ন কাজল’ বেগুন চাষের পাশাপাশি সাথি ফসল হিসেবে লাউ উৎপাদন একটি ভালো উদ্যোগ। নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন ও কৃষিকে বাণিজ্যিকভাবে এগিয়ে নিতে লিটনকে প্রয়োজনীয় কারিগরি পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ অক্টোবর ২০২৬
একই জমিতে ‘নয়ন কাজল’ জাতের বেগুন চাষের পাশাপাশি সাথি ফসল হিসেবে লাউ উৎপাদন করে সাফল্য পেয়েছেন সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার ধুকুড়িয়া গ্রামের কৃষক লিটন মণ্ডল। জৈব সারনির্ভর চাষাবাদে ভালো ফলন ও বাজারে সন্তোষজনক দাম পাওয়ায় আশাবাদী তিনি। মৌসুম শেষে সব খরচ বাদ দিয়ে ৪ থেকে ৫ লাখ টাকা লাভের প্রত্যাশা করছেন এই কৃষক। তাঁর সাফল্য দেখে এলাকার অন্য কৃষকেরাও একই পদ্ধতিতে চাষাবাদে আগ্রহী হয়ে উঠছেন।
সোমবার (১২ অক্টোবর) ধুকুড়িয়া গ্রামে লিটন মণ্ডলের খেতে গিয়ে দেখা যায়, ৪০ শতক জমিতে সারি সারি বেগুনগাছ। গাছের ডালে ডালে ঝুলছে উজ্জ্বল রঙের ‘নয়ন কাজল’ জাতের বেগুন। রাসায়নিক কীটনাশক ও অতিরিক্ত রাসায়নিক সারের পরিবর্তে তিনি ব্যবহার করেছেন ভার্মি কম্পোস্টসহ বিভিন্ন জৈব সার। বীজ বপন, মাচা তৈরি ও পরিচর্যাসহ এ পর্যন্ত তাঁর খরচ হয়েছে প্রায় দেড় লাখ টাকা।
কৃষক লিটন মণ্ডল জানান, ‘নয়ন কাজল’ বেগুনের বাজারে ভালো চাহিদা রয়েছে। প্রতি সপ্তাহে খেত থেকে ৮ থেকে ১০ মণ বেগুন তুলে স্থানীয় বাজারে বিক্রি করে প্রায় ১৫ হাজার টাকা আয় করছেন তিনি। উৎপাদন ও বিক্রি স্বাভাবিক থাকলে মৌসুম শেষে ভালো লাভের আশা করছেন।
বেগুনের পাশাপাশি জমির আইল ও সীমানায় ‘হাজারি লাউ’ চাষ করেছেন লিটন। এতে আলাদা করে উল্লেখযোগ্য খরচ ছাড়াই বেড়ে উঠছে লাউগাছ। ফলে মূল ফসলের পাশাপাশি সাথি ফসল থেকেও বাড়তি আয়ের সুযোগ তৈরি হয়েছে। একই জমিতে দুই ধরনের ফসল উৎপাদন করে জমির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করার চেষ্টা করছেন তিনি।
স্থানীয় কয়েকজন কৃষক জানান, লিটনের খেতে বেগুনের ভালো ফলন দেখে তাঁরাও আগামী মৌসুমে ‘নয়ন কাজল’ বেগুনের সঙ্গে সাথি ফসল হিসেবে লাউ চাষের পরিকল্পনা করছেন। তাঁদের মতে, কৃষি বিভাগের নিয়মিত পরামর্শ ও প্রশিক্ষণ পেলে এ ধরনের চাষাবাদ আরও ছড়িয়ে পড়বে এবং কৃষকের আয় বাড়াতে ভূমিকা রাখবে।
সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এস এম নাসিম হোসেন বলেন, জৈব পদ্ধতিতে ‘নয়ন কাজল’ বেগুন চাষের পাশাপাশি সাথি ফসল হিসেবে লাউ উৎপাদন একটি ভালো উদ্যোগ। নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন ও কৃষিকে বাণিজ্যিকভাবে এগিয়ে নিতে লিটনকে প্রয়োজনীয় কারিগরি পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন