সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার ধানগড়াকে ‘তামা বানিয়ে দেবো’—এমন বক্তব্য দেওয়ার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন রায়গঞ্জ উপজেলা ওলামা দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. আব্দুল্লাহ শেখ। অনিচ্ছাকৃতভাবে ও আবেগের বশবর্তী হয়ে ওই কথা মুখ থেকে বের হয়ে গেছে বলে দাবি করেছেন তিনি।
গত ২১ আগস্ট নিজের ফেসবুক আইডিতে ২ মিনিট ৫৭ সেকেন্ডের একটি ভিডিও বার্তায় দুঃখ প্রকাশ করে এসব কথা বলেন আব্দুল্লাহ শেখ।
ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, কয়েকদিন আগে একটি কর্মসূচিতে মোনাজাতের আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি বলেছিলেন, ‘রায়গঞ্জ উপজেলার ধানগড়াকে তামা বানিয়ে দেবো।’
আব্দুল্লাহ শেখ বলেন, ‘আসলে এ ধরনের কথা বলার মোটেও ইচ্ছা ছিল না। অনিচ্ছায় ও আবেগের বশবর্তী হয়ে এ ধরনের একটি কথা আমার মুখ থেকে বের হয়ে গেছে। কাউকে টার্গেট করে কথা বলা মোটেও আমার স্বভাবসুলভ আচরণের মধ্যে পড়ে না।’
ওই বক্তব্যের কারণে দলের নেতৃবৃন্দ বিব্রত হয়েছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বিশেষ করে এমপি মহোদয় আমার পাশেই ছিলেন। তিনিও চাননি যে আমি এ ধরনের একটা কথা বলি। তারপরেও হয়ে গেছে।’
রায়গঞ্জ, তাড়াশ ও সলঙ্গার সর্বস্তরের মানুষের কাছে দুঃখ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘দল-মত নির্বিশেষে সবার কাছে এবং বিশেষ করে ধানগড়ার নাম উল্লেখ করার কারণে আপামর জনসাধারণসহ সবার কাছে আমি আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি। এটা আমার মোটেও ইচ্ছা ছিল না। আবেগের কারণে এ বাক্য মুখ থেকে বের হয়েছে।’
নিজের বক্তব্যে যারা কষ্ট পেয়েছেন ও আঘাত পেয়েছেন, তাদের কাছেও দুঃখ প্রকাশ করেন তিনি। বিশেষ করে ধানগড়াবাসীর উদ্দেশে আব্দুল্লাহ শেখ বলেন, ‘আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত। আমি লজ্জিত।’
ভিডিও বার্তার শেষ দিকে রায়গঞ্জ, তাড়াশ ও সলঙ্গা, বিশেষ করে ধানগড়াবাসীর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও মঙ্গল কামনা করেন রায়গঞ্জ উপজেলা ওলামা দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. আব্দুল্লাহ শেখ।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ আগস্ট ২০২৬
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার ধানগড়াকে ‘তামা বানিয়ে দেবো’—এমন বক্তব্য দেওয়ার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন রায়গঞ্জ উপজেলা ওলামা দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. আব্দুল্লাহ শেখ। অনিচ্ছাকৃতভাবে ও আবেগের বশবর্তী হয়ে ওই কথা মুখ থেকে বের হয়ে গেছে বলে দাবি করেছেন তিনি।
গত ২১ আগস্ট নিজের ফেসবুক আইডিতে ২ মিনিট ৫৭ সেকেন্ডের একটি ভিডিও বার্তায় দুঃখ প্রকাশ করে এসব কথা বলেন আব্দুল্লাহ শেখ।
ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, কয়েকদিন আগে একটি কর্মসূচিতে মোনাজাতের আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি বলেছিলেন, ‘রায়গঞ্জ উপজেলার ধানগড়াকে তামা বানিয়ে দেবো।’
আব্দুল্লাহ শেখ বলেন, ‘আসলে এ ধরনের কথা বলার মোটেও ইচ্ছা ছিল না। অনিচ্ছায় ও আবেগের বশবর্তী হয়ে এ ধরনের একটি কথা আমার মুখ থেকে বের হয়ে গেছে। কাউকে টার্গেট করে কথা বলা মোটেও আমার স্বভাবসুলভ আচরণের মধ্যে পড়ে না।’
ওই বক্তব্যের কারণে দলের নেতৃবৃন্দ বিব্রত হয়েছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বিশেষ করে এমপি মহোদয় আমার পাশেই ছিলেন। তিনিও চাননি যে আমি এ ধরনের একটা কথা বলি। তারপরেও হয়ে গেছে।’
রায়গঞ্জ, তাড়াশ ও সলঙ্গার সর্বস্তরের মানুষের কাছে দুঃখ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘দল-মত নির্বিশেষে সবার কাছে এবং বিশেষ করে ধানগড়ার নাম উল্লেখ করার কারণে আপামর জনসাধারণসহ সবার কাছে আমি আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি। এটা আমার মোটেও ইচ্ছা ছিল না। আবেগের কারণে এ বাক্য মুখ থেকে বের হয়েছে।’
নিজের বক্তব্যে যারা কষ্ট পেয়েছেন ও আঘাত পেয়েছেন, তাদের কাছেও দুঃখ প্রকাশ করেন তিনি। বিশেষ করে ধানগড়াবাসীর উদ্দেশে আব্দুল্লাহ শেখ বলেন, ‘আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত। আমি লজ্জিত।’
ভিডিও বার্তার শেষ দিকে রায়গঞ্জ, তাড়াশ ও সলঙ্গা, বিশেষ করে ধানগড়াবাসীর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও মঙ্গল কামনা করেন রায়গঞ্জ উপজেলা ওলামা দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. আব্দুল্লাহ শেখ।

আপনার মতামত লিখুন