বগুড়ার ধুনট উপজেলার মথুরাপুর ইউনিয়নের পীরহাটি গ্রামের পশ্চিমপাড়ায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দুটি বসতঘর পুড়ে ছাই হয়েছে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে নগদ ৩ লাখ টাকা, স্বর্ণালংকার, আসবাবপত্রসহ প্রায় ৭ থেকে ৮ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্য সুজন কুমার (পিতা: মৃত দুলাল চন্দ্র) জানান, সকালে হঠাৎ ঘরে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন ছড়িয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যরা ঘর থেকে বের হয়ে নিরাপদে আশ্রয় নেন। আগুনে ফ্রিজ, টেলিভিশন, স্টিলের আলমারি, আসবাবপত্র, কাপড়চোপড় ও প্রয়োজনীয় বিভিন্ন সামগ্রী পুড়ে যায়।
সুজন কুমার বলেন, ব্যাংক থেকে উত্তোলন করে ঘরে রাখা প্রায় ৩ লাখ টাকা নগদও আগুনে পুড়ে গেছে। স্বর্ণালংকার ও অন্যান্য মালামালসহ সব মিলিয়ে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৭ থেকে ৮ লাখ টাকা।
অগ্নিকাণ্ডের সময় বাড়িতে সুজন কুমারের মা, বৃদ্ধা দাদি ও দুই সন্তান ছিলেন। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় তারা কোনোভাবে ঘর থেকে বের হতে পারলেও প্রয়োজনীয় মালামাল বের করে আনার সুযোগ পাননি। স্থানীয়রা আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। তবে আগুনে ঘরের প্রায় সব মালামাল পুড়ে যায়।
অগ্নিকাণ্ডে থাকার ঘর, আসবাবপত্র ও রান্নার সামগ্রীসহ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র হারিয়ে পরিবারটি চরম দুর্ভোগে পড়েছে। নতুন করে ঘর নির্মাণ ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী কেনার সামর্থ্য না থাকায় সরকারি সহায়তার পাশাপাশি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সামাজিক সংগঠন ও বিত্তবানদের সহযোগিতা কামনা করেছে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার।

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বগুড়ার ধুনট উপজেলার মথুরাপুর ইউনিয়নের পীরহাটি গ্রামের পশ্চিমপাড়ায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দুটি বসতঘর পুড়ে ছাই হয়েছে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে নগদ ৩ লাখ টাকা, স্বর্ণালংকার, আসবাবপত্রসহ প্রায় ৭ থেকে ৮ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্য সুজন কুমার (পিতা: মৃত দুলাল চন্দ্র) জানান, সকালে হঠাৎ ঘরে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন ছড়িয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যরা ঘর থেকে বের হয়ে নিরাপদে আশ্রয় নেন। আগুনে ফ্রিজ, টেলিভিশন, স্টিলের আলমারি, আসবাবপত্র, কাপড়চোপড় ও প্রয়োজনীয় বিভিন্ন সামগ্রী পুড়ে যায়।
সুজন কুমার বলেন, ব্যাংক থেকে উত্তোলন করে ঘরে রাখা প্রায় ৩ লাখ টাকা নগদও আগুনে পুড়ে গেছে। স্বর্ণালংকার ও অন্যান্য মালামালসহ সব মিলিয়ে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৭ থেকে ৮ লাখ টাকা।
অগ্নিকাণ্ডের সময় বাড়িতে সুজন কুমারের মা, বৃদ্ধা দাদি ও দুই সন্তান ছিলেন। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় তারা কোনোভাবে ঘর থেকে বের হতে পারলেও প্রয়োজনীয় মালামাল বের করে আনার সুযোগ পাননি। স্থানীয়রা আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। তবে আগুনে ঘরের প্রায় সব মালামাল পুড়ে যায়।
অগ্নিকাণ্ডে থাকার ঘর, আসবাবপত্র ও রান্নার সামগ্রীসহ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র হারিয়ে পরিবারটি চরম দুর্ভোগে পড়েছে। নতুন করে ঘর নির্মাণ ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী কেনার সামর্থ্য না থাকায় সরকারি সহায়তার পাশাপাশি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সামাজিক সংগঠন ও বিত্তবানদের সহযোগিতা কামনা করেছে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার।

আপনার মতামত লিখুন