প্রসূতি রোকেয়া ধুনট উপজেলার বিলচাপড়ি গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর বাবার নাম মৃত নওশের আলী। এটি তাঁর দ্বিতীয় সন্তান।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ২৬ অক্টোবর রাত ১২টা ১৫ মিনিটে প্রসবব্যথা নিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হন রোকেয়া। কর্তব্যরত মেডিকেল অফিসার ডা. মেহেদী হাসান সজল তাঁকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে দায়িত্বপ্রাপ্ত মিডওয়াইফদের তত্ত্বাবধানে রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে তিনি একটি পুত্রসন্তানের জন্ম দেন।
ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ইকবাল মাহমুদ বলেন, “সরকারি হাসপাতালের সেবা নিয়ে সবাই প্রশ্ন তোলেন। কিন্তু হাজারো ভালো দিক থাকলেও সেগুলো তুলে ধরতে কেউ তেমন আগ্রহী হন না। ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভালো সেবা দিয়ে মানুষের আস্থা অর্জন করতে চাই। মানুষ যেন সেবা পেয়ে হাসপাতাল ও চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ না করে, বরং ভালোবাসা ও দোয়া নিয়ে বাড়ি ফিরতে পারেন, সেই লক্ষ্যেই আপ্রাণ চেষ্টা করে যাব।”
তিনি আরও বলেন, সরকারি স্বাস্থ্যসেবার ইতিবাচক দিকগুলো মানুষের সামনে তুলে ধরা প্রয়োজন। চিকিৎসক, মিডওয়াইফ ও স্বাস্থ্যকর্মীরা দিন-রাত মানুষের সেবায় কাজ করে যাচ্ছেন। তাঁদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় অনেক রোগী প্রয়োজনীয় সেবা পাচ্ছেন।
স্থানীয় পর্যায়ে সরকারি স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন ও মানুষের আস্থা অর্জনে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রসূতি রোকেয়া ধুনট উপজেলার বিলচাপড়ি গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর বাবার নাম মৃত নওশের আলী। এটি তাঁর দ্বিতীয় সন্তান।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ২৬ অক্টোবর রাত ১২টা ১৫ মিনিটে প্রসবব্যথা নিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হন রোকেয়া। কর্তব্যরত মেডিকেল অফিসার ডা. মেহেদী হাসান সজল তাঁকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে দায়িত্বপ্রাপ্ত মিডওয়াইফদের তত্ত্বাবধানে রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে তিনি একটি পুত্রসন্তানের জন্ম দেন।
ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ইকবাল মাহমুদ বলেন, “সরকারি হাসপাতালের সেবা নিয়ে সবাই প্রশ্ন তোলেন। কিন্তু হাজারো ভালো দিক থাকলেও সেগুলো তুলে ধরতে কেউ তেমন আগ্রহী হন না। ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভালো সেবা দিয়ে মানুষের আস্থা অর্জন করতে চাই। মানুষ যেন সেবা পেয়ে হাসপাতাল ও চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ না করে, বরং ভালোবাসা ও দোয়া নিয়ে বাড়ি ফিরতে পারেন, সেই লক্ষ্যেই আপ্রাণ চেষ্টা করে যাব।”
তিনি আরও বলেন, সরকারি স্বাস্থ্যসেবার ইতিবাচক দিকগুলো মানুষের সামনে তুলে ধরা প্রয়োজন। চিকিৎসক, মিডওয়াইফ ও স্বাস্থ্যকর্মীরা দিন-রাত মানুষের সেবায় কাজ করে যাচ্ছেন। তাঁদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় অনেক রোগী প্রয়োজনীয় সেবা পাচ্ছেন।
স্থানীয় পর্যায়ে সরকারি স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন ও মানুষের আস্থা অর্জনে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন