ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে তাজা মুরগির সঙ্গে মরা মুরগি বিক্রির চেষ্টার অভিযোগে এক পোল্ট্রি ব্যবসায়ীকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর দেড়টার দিকে বোয়ালমারী মুরগি বাজারের আলামিন পোল্ট্রি হাউজে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, আলামিন পোল্ট্রি হাউজের ব্যবসায়ী বাপ্পী মোল্লা (পিতা—রবিউল মোল্লা) তাজা মুরগির সঙ্গে মরা মুরগি বিক্রির চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি জানতে পেরে সেখানে অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম রকিবুল হাসান।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বুধবার দুপুরে এক নারী ক্রেতা ওই দোকান থেকে দুটি সোনালি মুরগি কেনেন। দোকানদার ক্রেতার সামনেই মুরগি দুটি জবাই করে একটি ড্রামে রাখেন। ওই ড্রামে আগে থেকেই মরা মুরগি রাখা ছিল। পরে মুরগি পরিষ্কারের সময় একটি তাজা মুরগির সঙ্গে মরা মুরগি দেওয়ার চেষ্টা করলে বিষয়টি ক্রেতার নজরে আসে।
এ সময় বিষয়টি নিয়ে আপত্তি উঠলে বাপ্পী মোল্লা ভ্রাম্যমাণ আদালতের কাছে নিজের অপরাধ স্বীকার করেন। পরে পশু জবাই ও মাংসের মান নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১১-এর ২৪(১) ধারা অনুযায়ী তাকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযান চলাকালে রাস্তার ওপর মুরগির খাঁচা রেখে ব্যবসা করা দোকানিদেরও খাঁচা সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম রকিবুল হাসান বলেন, “একজন ক্রেতাকে জীবিত মুরগি জবাই করে তার পরিবর্তে মৃত মুরগি দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। দুইজন সাক্ষীর উপস্থিতিতে বিক্রেতা নিজের দোষ স্বীকার করায় তাকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ভবিষ্যতে একই অপরাধ করলে আরও কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
স্থানীয়দের দাবি, বাজারে মুরগি বিক্রির ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি ও ভোক্তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিতভাবে এমন অভিযান পরিচালনা করা প্রয়োজন।

বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে তাজা মুরগির সঙ্গে মরা মুরগি বিক্রির চেষ্টার অভিযোগে এক পোল্ট্রি ব্যবসায়ীকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর দেড়টার দিকে বোয়ালমারী মুরগি বাজারের আলামিন পোল্ট্রি হাউজে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, আলামিন পোল্ট্রি হাউজের ব্যবসায়ী বাপ্পী মোল্লা (পিতা—রবিউল মোল্লা) তাজা মুরগির সঙ্গে মরা মুরগি বিক্রির চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি জানতে পেরে সেখানে অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম রকিবুল হাসান।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বুধবার দুপুরে এক নারী ক্রেতা ওই দোকান থেকে দুটি সোনালি মুরগি কেনেন। দোকানদার ক্রেতার সামনেই মুরগি দুটি জবাই করে একটি ড্রামে রাখেন। ওই ড্রামে আগে থেকেই মরা মুরগি রাখা ছিল। পরে মুরগি পরিষ্কারের সময় একটি তাজা মুরগির সঙ্গে মরা মুরগি দেওয়ার চেষ্টা করলে বিষয়টি ক্রেতার নজরে আসে।
এ সময় বিষয়টি নিয়ে আপত্তি উঠলে বাপ্পী মোল্লা ভ্রাম্যমাণ আদালতের কাছে নিজের অপরাধ স্বীকার করেন। পরে পশু জবাই ও মাংসের মান নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১১-এর ২৪(১) ধারা অনুযায়ী তাকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযান চলাকালে রাস্তার ওপর মুরগির খাঁচা রেখে ব্যবসা করা দোকানিদেরও খাঁচা সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম রকিবুল হাসান বলেন, “একজন ক্রেতাকে জীবিত মুরগি জবাই করে তার পরিবর্তে মৃত মুরগি দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। দুইজন সাক্ষীর উপস্থিতিতে বিক্রেতা নিজের দোষ স্বীকার করায় তাকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ভবিষ্যতে একই অপরাধ করলে আরও কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
স্থানীয়দের দাবি, বাজারে মুরগি বিক্রির ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি ও ভোক্তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিতভাবে এমন অভিযান পরিচালনা করা প্রয়োজন।

আপনার মতামত লিখুন