সিরাজগঞ্জে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১৮ জন ডেঙ্গু রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ নিয়ে জেলায় চলতি সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৮১ জনে। বর্তমানে জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৭৯ জন।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সিরাজগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. নুরুল আমিন এ তথ্য জানান।
সিভিল সার্জন কার্যালয়ের পরিসংখ্যান কর্মকর্তা মির্জা মো. হুমায়ুন কবীর জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় সিরাজগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ১৮ জন নতুন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে কাজিপুরে ১০ জন, রায়গঞ্জে ১ জন, তাড়াশে ১ জন, শাহজাদপুরে ১ জন, বেলকুচিতে ২ জন এবং সিরাজগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩ জন ভর্তি হয়েছেন।
তিনি আরও জানান, নতুন রোগী ভর্তি হওয়ায় জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর চাপ বাড়ছে। আক্রান্তদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
সিভিল সার্জন ডা. নুরুল আমিন বলেন, প্রতিদিনই নতুন করে ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়াতে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের পক্ষ থেকে প্রচার-প্রচারণা চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সচেতনতামূলক ব্যানার টানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা, জমে থাকা পানি অপসারণ এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সিরাজগঞ্জে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১৮ জন ডেঙ্গু রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ নিয়ে জেলায় চলতি সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৮১ জনে। বর্তমানে জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৭৯ জন।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সিরাজগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. নুরুল আমিন এ তথ্য জানান।
সিভিল সার্জন কার্যালয়ের পরিসংখ্যান কর্মকর্তা মির্জা মো. হুমায়ুন কবীর জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় সিরাজগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ১৮ জন নতুন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে কাজিপুরে ১০ জন, রায়গঞ্জে ১ জন, তাড়াশে ১ জন, শাহজাদপুরে ১ জন, বেলকুচিতে ২ জন এবং সিরাজগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩ জন ভর্তি হয়েছেন।
তিনি আরও জানান, নতুন রোগী ভর্তি হওয়ায় জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর চাপ বাড়ছে। আক্রান্তদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
সিভিল সার্জন ডা. নুরুল আমিন বলেন, প্রতিদিনই নতুন করে ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়াতে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের পক্ষ থেকে প্রচার-প্রচারণা চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সচেতনতামূলক ব্যানার টানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা, জমে থাকা পানি অপসারণ এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন