ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার নিমগাছিতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও মশারি বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল খালেক পাটোয়ারীর নেতৃত্বে নিমগাছি বাজার ও আশপাশের এলাকায় এ পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানকালে বাজার ও আশপাশের বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা এবং মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল চিহ্নিত করা হয়। একই সঙ্গে বাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের আশপাশ পরিষ্কার রাখা, কোথাও পানি জমতে না দেওয়া এবং এডিস মশার বংশবিস্তার রোধে স্থানীয় বাসিন্দাদের সচেতন করা হয়।
এ সময় ইউএনও আব্দুল খালেক পাটোয়ারী বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করা। বাড়ির আশপাশে যাতে পানি জমে না থাকে, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। জ্বরসহ ডেঙ্গুর কোনো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ারও আহ্বান জানান তিনি।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে নিমগাছি এলাকার হতদরিদ্র ও অসচ্ছল মানুষের মধ্যে মশারি বিতরণ করা হয়। এর মাধ্যমে মশাবাহিত রোগ থেকে সুরক্ষায় দরিদ্র পরিবারগুলোর হাতে প্রয়োজনীয় সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হয়।
পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও মশারি বিতরণ কর্মসূচিতে সোনাখাড়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান, ইউপি সদস্য, ইউনিয়ন বিএনপির নেতৃবৃন্দ, নিমগাছি বাজার কমিটির সদস্য ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয়রা বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হলে মশার বংশবিস্তার নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি মানুষের মধ্যে সচেতনতাও বাড়বে।

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার নিমগাছিতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও মশারি বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল খালেক পাটোয়ারীর নেতৃত্বে নিমগাছি বাজার ও আশপাশের এলাকায় এ পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানকালে বাজার ও আশপাশের বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা এবং মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল চিহ্নিত করা হয়। একই সঙ্গে বাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের আশপাশ পরিষ্কার রাখা, কোথাও পানি জমতে না দেওয়া এবং এডিস মশার বংশবিস্তার রোধে স্থানীয় বাসিন্দাদের সচেতন করা হয়।
এ সময় ইউএনও আব্দুল খালেক পাটোয়ারী বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করা। বাড়ির আশপাশে যাতে পানি জমে না থাকে, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। জ্বরসহ ডেঙ্গুর কোনো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ারও আহ্বান জানান তিনি।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে নিমগাছি এলাকার হতদরিদ্র ও অসচ্ছল মানুষের মধ্যে মশারি বিতরণ করা হয়। এর মাধ্যমে মশাবাহিত রোগ থেকে সুরক্ষায় দরিদ্র পরিবারগুলোর হাতে প্রয়োজনীয় সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হয়।
পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও মশারি বিতরণ কর্মসূচিতে সোনাখাড়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান, ইউপি সদস্য, ইউনিয়ন বিএনপির নেতৃবৃন্দ, নিমগাছি বাজার কমিটির সদস্য ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয়রা বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হলে মশার বংশবিস্তার নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি মানুষের মধ্যে সচেতনতাও বাড়বে।

আপনার মতামত লিখুন