সিরাজগঞ্জ শহরে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সাইদুর রহমান বাচ্চুর বাসভবনে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানা গেছে।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টা থেকে বিকেল পর্যন্ত শহরের ইলিয়ট ব্রিজ, এসএস রোড, মুজিব সড়ক, খলিফাপট্টি ও আশপাশের এলাকায় এসব সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে।
সংঘর্ষের মধ্যে শহরের পুরাতন পোস্ট অফিস রোড এলাকায় সাইদুর রহমান বাচ্চুর বাসভবনে হামলা ও ভাঙচুর করা হয় বলে তিনি অভিযোগ করেছেন।
পরে এক ভিডিও বার্তায় বাচ্চু বলেন, শুক্রবার সকালে বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি কর্মসূচিতে অংশ নিতে তিনি সিরাজগঞ্জ চেম্বার অব কমার্সের নেতাদের সঙ্গে বগুড়ায় ছিলেন। এ সময় তিনি তাঁর বাসভবনে হামলার খবর পান। তাঁর দাবি, হামলার ঘটনায় তাঁর স্ত্রী ও সন্তান আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।
বাচ্চু অভিযোগ করেন, ১০ নম্বর ওয়ার্ডের আব্দুস সাত্তার বিভিন্ন এলাকা থেকে লোকজন এনে শহরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছেন এবং তাঁর লোকজনই বাসভবনে হামলা চালিয়েছে। এ ঘটনায় তিনি দলের শীর্ষ নেতৃত্ব ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
অন্যদিকে, শহর যুবদলের সহসভাপতি সোহান আহমেদ শামীম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে পাল্টা অভিযোগ করেন, ছাত্রলীগ-যুবলীগের বিরুদ্ধে মিছিল চলাকালে বাচ্চু ও ছাত্রদল সভাপতি সবুজের লোকজন তাঁদের ওপর হামলা করেন। পরে যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা এর জবাব দেন বলে তিনি দাবি করেন।
তবে আব্দুস সাত্তার সংঘর্ষের ঘটনায় তাঁর সম্পৃক্ততার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
সিরাজগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাকিবুল হাসান বলেন, কী কারণে এবং কী নিয়ে সংঘর্ষ হয়েছে, সে বিষয়ে তিনি বলতে পারছেন না। তবে সংঘর্ষের পর অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে উভয় পক্ষকে ছত্রভঙ্গ করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন আছে।
সংঘর্ষের ঘটনায় শহরের বিভিন্ন এলাকায় কিছু সময়ের জন্য উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লেও পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সিরাজগঞ্জ শহরে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সাইদুর রহমান বাচ্চুর বাসভবনে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানা গেছে।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টা থেকে বিকেল পর্যন্ত শহরের ইলিয়ট ব্রিজ, এসএস রোড, মুজিব সড়ক, খলিফাপট্টি ও আশপাশের এলাকায় এসব সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে।
সংঘর্ষের মধ্যে শহরের পুরাতন পোস্ট অফিস রোড এলাকায় সাইদুর রহমান বাচ্চুর বাসভবনে হামলা ও ভাঙচুর করা হয় বলে তিনি অভিযোগ করেছেন।
পরে এক ভিডিও বার্তায় বাচ্চু বলেন, শুক্রবার সকালে বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি কর্মসূচিতে অংশ নিতে তিনি সিরাজগঞ্জ চেম্বার অব কমার্সের নেতাদের সঙ্গে বগুড়ায় ছিলেন। এ সময় তিনি তাঁর বাসভবনে হামলার খবর পান। তাঁর দাবি, হামলার ঘটনায় তাঁর স্ত্রী ও সন্তান আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।
বাচ্চু অভিযোগ করেন, ১০ নম্বর ওয়ার্ডের আব্দুস সাত্তার বিভিন্ন এলাকা থেকে লোকজন এনে শহরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছেন এবং তাঁর লোকজনই বাসভবনে হামলা চালিয়েছে। এ ঘটনায় তিনি দলের শীর্ষ নেতৃত্ব ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
অন্যদিকে, শহর যুবদলের সহসভাপতি সোহান আহমেদ শামীম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে পাল্টা অভিযোগ করেন, ছাত্রলীগ-যুবলীগের বিরুদ্ধে মিছিল চলাকালে বাচ্চু ও ছাত্রদল সভাপতি সবুজের লোকজন তাঁদের ওপর হামলা করেন। পরে যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা এর জবাব দেন বলে তিনি দাবি করেন।
তবে আব্দুস সাত্তার সংঘর্ষের ঘটনায় তাঁর সম্পৃক্ততার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
সিরাজগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাকিবুল হাসান বলেন, কী কারণে এবং কী নিয়ে সংঘর্ষ হয়েছে, সে বিষয়ে তিনি বলতে পারছেন না। তবে সংঘর্ষের পর অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে উভয় পক্ষকে ছত্রভঙ্গ করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন আছে।
সংঘর্ষের ঘটনায় শহরের বিভিন্ন এলাকায় কিছু সময়ের জন্য উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লেও পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

আপনার মতামত লিখুন