ঢাকা    বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
খোলা বার্তা

কালের প্রবর্তনে হারিয়ে যেতে চলেছে ফকির-বাউল গান



কালের প্রবর্তনে হারিয়ে যেতে চলেছে ফকির-বাউল গান

লোকজ সংস্কৃতির অন্যতম অনুষঙ্গ ফকির ও বাউল গান কালের প্রবর্তনে ধীরে ধীরে হারিয়ে যেতে বসেছে। আধুনিকতার ছোঁয়ায় গ্রামীণ সমাজে এখন আর তেমনভাবে আয়োজন দেখা যায় না এই ঐতিহ্যবাহী সংগীতের। তবুও কিছু নিবেদিতপ্রাণ মানুষ এখনও এই সংস্কৃতিকে বাঁচিয়ে রাখতে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।

‎তেমনই এক দৃশ্য দেখা যায় গত সোমবার (১১ নভেম্বর) রাত ১০টায় সিরাজগঞ্জের তাড়াশ পৌর শহরের ভাদাশ গ্রামের শফিকুল ইসলামের বাড়িতে অনুষ্ঠিত এক সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায়।

‎সেখানে ফকির শামসুল হক ও আলতাফ হোসেন সরকার, শগুনা গ্রামের রুহুল আমিন ও নুর হোসেন, বাদ্য বাদক নজরুল এবং বাঁশিতে রফিকুল ইসলাম (রফি) একসাথে বাউল গান পরিবেশন করেন।

‎তাদের কণ্ঠে লালন, হাছন রাজা ও গোপাল দাসের দর্শনভিত্তিক গান শুনে উপস্থিত শ্রোতারা এক মুহূর্তের জন্য ভুলে যান আধুনিকতার কোলাহল। মাঠজুড়ে সৃষ্টি হয় এক অনন্য আধ্যাত্মিক আবহ।

‎স্থানীয় সংস্কৃতি অনুরাগীরা জানান, এ ধরনের আয়োজন তরুণ প্রজন্মের মধ্যে লোকসংগীতের প্রতি আগ্রহ বাড়াবে এবং হারিয়ে যেতে বসা ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখতে সহায়তা করবে।

‎তাড়াশের সংস্কৃতি কর্মীরা বলেন, “ফকির-বাউল গান শুধু সংগীত নয়, এটি আমাদের জীবনের দার্শনিক শিক্ষা। এই ঐতিহ্য রক্ষা করা মানে নিজের শিকড়কে ধরে রাখা।

আপনার মতামত লিখুন

খোলা বার্তা

বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬


কালের প্রবর্তনে হারিয়ে যেতে চলেছে ফকির-বাউল গান

প্রকাশের তারিখ : ১১ নভেম্বর ২০২৫

featured Image

লোকজ সংস্কৃতির অন্যতম অনুষঙ্গ ফকির ও বাউল গান কালের প্রবর্তনে ধীরে ধীরে হারিয়ে যেতে বসেছে। আধুনিকতার ছোঁয়ায় গ্রামীণ সমাজে এখন আর তেমনভাবে আয়োজন দেখা যায় না এই ঐতিহ্যবাহী সংগীতের। তবুও কিছু নিবেদিতপ্রাণ মানুষ এখনও এই সংস্কৃতিকে বাঁচিয়ে রাখতে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।

‎তেমনই এক দৃশ্য দেখা যায় গত সোমবার (১১ নভেম্বর) রাত ১০টায় সিরাজগঞ্জের তাড়াশ পৌর শহরের ভাদাশ গ্রামের শফিকুল ইসলামের বাড়িতে অনুষ্ঠিত এক সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায়।

‎সেখানে ফকির শামসুল হক ও আলতাফ হোসেন সরকার, শগুনা গ্রামের রুহুল আমিন ও নুর হোসেন, বাদ্য বাদক নজরুল এবং বাঁশিতে রফিকুল ইসলাম (রফি) একসাথে বাউল গান পরিবেশন করেন।

‎তাদের কণ্ঠে লালন, হাছন রাজা ও গোপাল দাসের দর্শনভিত্তিক গান শুনে উপস্থিত শ্রোতারা এক মুহূর্তের জন্য ভুলে যান আধুনিকতার কোলাহল। মাঠজুড়ে সৃষ্টি হয় এক অনন্য আধ্যাত্মিক আবহ।

‎স্থানীয় সংস্কৃতি অনুরাগীরা জানান, এ ধরনের আয়োজন তরুণ প্রজন্মের মধ্যে লোকসংগীতের প্রতি আগ্রহ বাড়াবে এবং হারিয়ে যেতে বসা ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখতে সহায়তা করবে।

‎তাড়াশের সংস্কৃতি কর্মীরা বলেন, “ফকির-বাউল গান শুধু সংগীত নয়, এটি আমাদের জীবনের দার্শনিক শিক্ষা। এই ঐতিহ্য রক্ষা করা মানে নিজের শিকড়কে ধরে রাখা।


খোলা বার্তা

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. একরামুল হক
✆ ০১৯২৮-৩১৩১২০
প্রধান নির্বাহী : সাইদুল ইসলাম আবির।
✆ ০১৭৫০-৭০৭৬৩৬
ই মেইল: kholabartaonline@gmail.com
কপিরাইট © ২০২৬ খোলা বার্তা । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত