সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে বিনির্দেশ বহির্ভূতভাবে সার গুদামজাত করার অপরাধে উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির-২ মো. মনিরুল ইসলামকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একইসঙ্গে তাঁর গুদামে মজুদ করা ১৮ বস্তা ইউরিয়া সার সরকারের অনুকূলে জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার ভদ্রঘাট ইউনিয়নের ছোট ধোপাকান্দি গ্রামে মনিরুল ইসলামের সার গুদামে অভিযান চালিয়ে এ জরিমানা ও জব্দের ঘটনা ঘটে।
মনিরুল ইসলাম (৪৫) ওই গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে। তিনি কামারখন্দ উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির-২ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাতে একটি অটোরিকশায় করে প্রায় ২০ থেকে ২৫ বস্তা সার ওই গুদামে নেওয়া হচ্ছিল। বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে এলে তাঁরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানান। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লা আল মামুন ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযান পরিচালনা করেন।
অভিযানে তাঁর সঙ্গে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ফরিদ হোসাইন, কামারখন্দ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাশমত আলীসহ পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
অভিযান শেষে সার ব্যবস্থাপনা আইন, ২০০৬-এর ১২ ধারায় বিনির্দেশ বহির্ভূতভাবে সার গুদামজাত করার অপরাধে মনিরুল ইসলামকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একইসঙ্গে গুদামে মজুদ থাকা ১৮ বস্তা ইউরিয়া সার সরকারের অনুকূলে জব্দ করা হয়।
কামারখন্দ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুল্লা আল মামুন বলেন, নিয়মবহির্ভূতভাবে সার গুদামজাত করার অপরাধে অভিযুক্তকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একইসঙ্গে গুদামে থাকা ১৮ বস্তা ইউরিয়া সার জব্দ করা হয়েছে।

শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ অক্টোবর ২০২৬
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে বিনির্দেশ বহির্ভূতভাবে সার গুদামজাত করার অপরাধে উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির-২ মো. মনিরুল ইসলামকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একইসঙ্গে তাঁর গুদামে মজুদ করা ১৮ বস্তা ইউরিয়া সার সরকারের অনুকূলে জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার ভদ্রঘাট ইউনিয়নের ছোট ধোপাকান্দি গ্রামে মনিরুল ইসলামের সার গুদামে অভিযান চালিয়ে এ জরিমানা ও জব্দের ঘটনা ঘটে।
মনিরুল ইসলাম (৪৫) ওই গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে। তিনি কামারখন্দ উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির-২ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাতে একটি অটোরিকশায় করে প্রায় ২০ থেকে ২৫ বস্তা সার ওই গুদামে নেওয়া হচ্ছিল। বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে এলে তাঁরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানান। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লা আল মামুন ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযান পরিচালনা করেন।
অভিযানে তাঁর সঙ্গে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ফরিদ হোসাইন, কামারখন্দ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাশমত আলীসহ পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
অভিযান শেষে সার ব্যবস্থাপনা আইন, ২০০৬-এর ১২ ধারায় বিনির্দেশ বহির্ভূতভাবে সার গুদামজাত করার অপরাধে মনিরুল ইসলামকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একইসঙ্গে গুদামে মজুদ থাকা ১৮ বস্তা ইউরিয়া সার সরকারের অনুকূলে জব্দ করা হয়।
কামারখন্দ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুল্লা আল মামুন বলেন, নিয়মবহির্ভূতভাবে সার গুদামজাত করার অপরাধে অভিযুক্তকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একইসঙ্গে গুদামে থাকা ১৮ বস্তা ইউরিয়া সার জব্দ করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন