সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে অগ্নিকাণ্ডে বসতঘর ও সহায়-সম্বল হারানো বিধবা রেখা বেগমের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে উপজেলা প্রশাসন, রায়গঞ্জ উপজেলা বিএনপি ও একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। এর আগে অসহায় পরিবারটির দুর্দশা নিয়ে খোলা বার্তা অনলাইন ও মাল্টিমিডিয়ায় রোববার একটি মানবিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদন প্রকাশের পরই সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেন তাঁরা।
রোববার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবদুল খালেক পাটোয়ারী ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের বাড়িতে গিয়ে তাদের খোঁজখবর নেন। এ সময় তিনি পরিবারের জন্য নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য ও বস্ত্রসামগ্রী দেন। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে ঢেউটিন ও নগদ অর্থ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।
রায়গঞ্জ উপজেলা বিএনপির পক্ষ থেকেও পরিবারটির জন্য নগদ অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়। উপজেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো. দুলাল হোসেন খান পরিবারের কাছে এ অর্থ পৌঁছে দেন। এ সময় ধানগড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. রেজাউল করিম খান ও ধানগড়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. আমিনুল ইসলামসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া মানবতার কল্যাণে রক্তদান সংগঠন পরিবারটির জন্য প্রায় ৪ হাজার টাকার খাদ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ২৫ কেজি চাল, ৫ কেজি আলু, ১ কেজি পেঁয়াজ, আধা কেজি রসুন, ১ লিটার তেল, গরম মসলা, ২ কেজি মাছ, এক ক্রেট ডিম, ২ কেজি আটা, সাবান, সাবানের গুঁড়া, একটি লাউ, একটি প্যারাসুট তেলসহ বিভিন্ন সামগ্রী। সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরিবারটির প্রায় এক মাসের বাজারের ব্যবস্থা করতেই এসব সামগ্রী দেওয়া হয়েছে।
গত শুক্রবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে উপজেলার ধানগড়া ইউনিয়নের বাশুড়িয়া দক্ষিণ পাড়া গ্রামে রেখা বেগমের বাড়িতে আগুন লাগে। এতে দুটি ঘর, আসবাবপত্র ও নিত্যপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন সামগ্রী পুড়ে যায়। পরিবারের দাবি, ছেলের বিয়ের জন্য রাখা নগদ দেড় লাখ টাকা ও দুই ভরি স্বর্ণালংকারও আগুনে পুড়ে গেছে।
অগ্নিকাণ্ডে স্বামীহারা রেখা বেগম দুই সন্তান নিয়ে বিপাকে পড়েন। ঘরবাড়ি ও সঞ্চয় হারিয়ে পরিবারটি যখন চরম সংকটে, তখন খোলা বার্তা অনলাইন ও মাল্টিমিডিয়ায় প্রতিবেদন প্রকাশের পর উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা বিএনপি ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনটির পক্ষ থেকে সহায়তা দেওয়া হয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটির ঘর পুনর্নির্মাণ ও পুনর্বাসনে আরও সহায়তা প্রয়োজন। সমাজের সামর্থ্যবান ব্যক্তি ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে পরিবারটির পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।

সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে অগ্নিকাণ্ডে বসতঘর ও সহায়-সম্বল হারানো বিধবা রেখা বেগমের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে উপজেলা প্রশাসন, রায়গঞ্জ উপজেলা বিএনপি ও একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। এর আগে অসহায় পরিবারটির দুর্দশা নিয়ে খোলা বার্তা অনলাইন ও মাল্টিমিডিয়ায় রোববার একটি মানবিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদন প্রকাশের পরই সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেন তাঁরা।
রোববার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবদুল খালেক পাটোয়ারী ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের বাড়িতে গিয়ে তাদের খোঁজখবর নেন। এ সময় তিনি পরিবারের জন্য নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য ও বস্ত্রসামগ্রী দেন। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে ঢেউটিন ও নগদ অর্থ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।
রায়গঞ্জ উপজেলা বিএনপির পক্ষ থেকেও পরিবারটির জন্য নগদ অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়। উপজেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো. দুলাল হোসেন খান পরিবারের কাছে এ অর্থ পৌঁছে দেন। এ সময় ধানগড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. রেজাউল করিম খান ও ধানগড়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. আমিনুল ইসলামসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া মানবতার কল্যাণে রক্তদান সংগঠন পরিবারটির জন্য প্রায় ৪ হাজার টাকার খাদ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ২৫ কেজি চাল, ৫ কেজি আলু, ১ কেজি পেঁয়াজ, আধা কেজি রসুন, ১ লিটার তেল, গরম মসলা, ২ কেজি মাছ, এক ক্রেট ডিম, ২ কেজি আটা, সাবান, সাবানের গুঁড়া, একটি লাউ, একটি প্যারাসুট তেলসহ বিভিন্ন সামগ্রী। সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরিবারটির প্রায় এক মাসের বাজারের ব্যবস্থা করতেই এসব সামগ্রী দেওয়া হয়েছে।
গত শুক্রবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে উপজেলার ধানগড়া ইউনিয়নের বাশুড়িয়া দক্ষিণ পাড়া গ্রামে রেখা বেগমের বাড়িতে আগুন লাগে। এতে দুটি ঘর, আসবাবপত্র ও নিত্যপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন সামগ্রী পুড়ে যায়। পরিবারের দাবি, ছেলের বিয়ের জন্য রাখা নগদ দেড় লাখ টাকা ও দুই ভরি স্বর্ণালংকারও আগুনে পুড়ে গেছে।
অগ্নিকাণ্ডে স্বামীহারা রেখা বেগম দুই সন্তান নিয়ে বিপাকে পড়েন। ঘরবাড়ি ও সঞ্চয় হারিয়ে পরিবারটি যখন চরম সংকটে, তখন খোলা বার্তা অনলাইন ও মাল্টিমিডিয়ায় প্রতিবেদন প্রকাশের পর উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা বিএনপি ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনটির পক্ষ থেকে সহায়তা দেওয়া হয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটির ঘর পুনর্নির্মাণ ও পুনর্বাসনে আরও সহায়তা প্রয়োজন। সমাজের সামর্থ্যবান ব্যক্তি ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে পরিবারটির পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।

আপনার মতামত লিখুন