সিরাজগঞ্জের তাড়াশ ও রায়গঞ্জ উপজেলায় টানা তিন রাতে পাঁচটি গোয়ালঘর থেকে ২০টি গরু চুরির ঘটনা ঘটেছে। গোয়ালঘরের তালা ভেঙে ও খুলে এসব গরু নিয়ে যায় চোরের দল। এতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ও খামারিদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর), সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ও মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাতে তাড়াশ উপজেলার খুটিগাছা, পেঙ্গুয়ারি ও কুসুম্বী এবং রায়গঞ্জ উপজেলার ধামাইনগর ইউনিয়নের বাগিচা গোয়ালপাড়া ও আদিত্যবাড়িয়া এলাকায় এসব চুরির ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার রাত আড়াইটার দিকে তাড়াশ পৌর এলাকার খুটিগাছা গ্রামের হায়দার আলীর গোয়ালঘরের তালা ভেঙে আটটি গরু চুরি করে নিয়ে যায় চোরের দল। একসঙ্গে আটটি গরু হারিয়ে বিপাকে পড়েছেন তিনি।
পরদিন সোমবার রাতে রায়গঞ্জ উপজেলার জামতৈল বাগিচা গোয়ালপাড়া এলাকায় নাকাটি বাজারের পাশে শরিফুল ইসলামের গোয়ালঘর থেকে একটি গাভী ও দুটি বকনা গরু চুরি হয়। একই রাতে আদিত্যবাড়িয়া এলাকার দিনমজুর তরিফুল ইসলামের গোয়ালঘর থেকে একটি ষাঁড়, একটি বকনা ও একটি গাভী নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।
রায়গঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আহসানুজ্জামান বলেন, গরু চুরির খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। চোর শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান চলছে।
মঙ্গলবার রাতে তাড়াশ উপজেলার বারুহাস ইউনিয়নের পেঙ্গুয়ারি গ্রামের মন্টু প্রামাণিকের গোয়ালঘরের তালা ভেঙে চারটি গরু চুরি হয়। একই রাতে একই ইউনিয়নের কুসুম্বী গ্রামের কৃষক সাজেদুল ইসলামের গোয়ালঘর থেকে দুটি গরু নিয়ে যায় চোরেরা।
তিন রাতে দুই উপজেলায় পাঁচটি গোয়ালঘর থেকে ২০টি গরু চুরির ঘটনায় স্থানীয় কৃষক ও খামারিদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। রাতে গরু পাহারা দিতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কয়েকজন কৃষক।
তাড়াশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমাম জাফর বলেন, গরু চুরির ঘটনাগুলো গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। চুরি যাওয়া গরু উদ্ধার এবং জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সিরাজগঞ্জের তাড়াশ ও রায়গঞ্জ উপজেলায় টানা তিন রাতে পাঁচটি গোয়ালঘর থেকে ২০টি গরু চুরির ঘটনা ঘটেছে। গোয়ালঘরের তালা ভেঙে ও খুলে এসব গরু নিয়ে যায় চোরের দল। এতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ও খামারিদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর), সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ও মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাতে তাড়াশ উপজেলার খুটিগাছা, পেঙ্গুয়ারি ও কুসুম্বী এবং রায়গঞ্জ উপজেলার ধামাইনগর ইউনিয়নের বাগিচা গোয়ালপাড়া ও আদিত্যবাড়িয়া এলাকায় এসব চুরির ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার রাত আড়াইটার দিকে তাড়াশ পৌর এলাকার খুটিগাছা গ্রামের হায়দার আলীর গোয়ালঘরের তালা ভেঙে আটটি গরু চুরি করে নিয়ে যায় চোরের দল। একসঙ্গে আটটি গরু হারিয়ে বিপাকে পড়েছেন তিনি।
পরদিন সোমবার রাতে রায়গঞ্জ উপজেলার জামতৈল বাগিচা গোয়ালপাড়া এলাকায় নাকাটি বাজারের পাশে শরিফুল ইসলামের গোয়ালঘর থেকে একটি গাভী ও দুটি বকনা গরু চুরি হয়। একই রাতে আদিত্যবাড়িয়া এলাকার দিনমজুর তরিফুল ইসলামের গোয়ালঘর থেকে একটি ষাঁড়, একটি বকনা ও একটি গাভী নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।
রায়গঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আহসানুজ্জামান বলেন, গরু চুরির খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। চোর শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান চলছে।
মঙ্গলবার রাতে তাড়াশ উপজেলার বারুহাস ইউনিয়নের পেঙ্গুয়ারি গ্রামের মন্টু প্রামাণিকের গোয়ালঘরের তালা ভেঙে চারটি গরু চুরি হয়। একই রাতে একই ইউনিয়নের কুসুম্বী গ্রামের কৃষক সাজেদুল ইসলামের গোয়ালঘর থেকে দুটি গরু নিয়ে যায় চোরেরা।
তিন রাতে দুই উপজেলায় পাঁচটি গোয়ালঘর থেকে ২০টি গরু চুরির ঘটনায় স্থানীয় কৃষক ও খামারিদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। রাতে গরু পাহারা দিতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কয়েকজন কৃষক।
তাড়াশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমাম জাফর বলেন, গরু চুরির ঘটনাগুলো গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। চুরি যাওয়া গরু উদ্ধার এবং জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন