মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেল পাঁচটার দিকে উপজেলার ঘুড়কা ইউনিয়নের ইচলা দিঘর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত দুই নারী হলেন সজল কুমার ঘোষের স্ত্রী সেতু রানী ঘোষ ও তাঁর মা লক্ষ্মী রানী ঘোষ। তাঁরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা গেছে।
লিখিত অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সজল কুমার ঘোষের দুই বছর বয়সী শিশু সন্তান সত্যজিৎ কুমার ঘোষ প্রতিবেশী নয়কড়ি চন্দ্র ঘোষের বাড়িতে যাওয়াকে কেন্দ্র করে সেতু রানী ঘোষের সঙ্গে কল্পনা রানী ঘোষসহ ওই পরিবারের সদস্যদের কথা-কাটাকাটি হয়। পরে সজল কুমার বিষয়টি মীমাংসা করে কাজের উদ্দেশ্যে বাড়ির বাইরে চলে যান।
অভিযোগ করা হয়েছে, বিকেল পাঁচটার দিকে কল্পনা রানী ঘোষ, নিপা রানী ঘোষ, নির্মা রানী ঘোষ ও নয়কড়ি চন্দ্র ঘোষ দলবদ্ধ হয়ে সজলের বাড়িতে প্রবেশ করেন। এ সময় তাঁরা সেতু রানী ঘোষকে মারধর করেন। এতে তাঁর চোখ ও মুখসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত ও কালশিরা জখম হয়।
সেতুর চিৎকার শুনে তাঁর শাশুড়ি লক্ষ্মী রানী ঘোষ এগিয়ে গেলে তাঁকেও মারধর করে মাটিতে ফেলে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। একপর্যায়ে নিপা রানী ঘোষের নির্দেশে কল্পনা রানী ঘোষ দেশীয় অস্ত্র দিয়ে লক্ষ্মী রানী ঘোষের মাথায় কোপ দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে তাঁর মাথায় গুরুতর কাটা ও রক্তাক্ত জখম হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, মাকে রক্ষা করতে সেতু রানী ঘোষ এগিয়ে গেলে নিপা রানী ঘোষ ও নির্মা রানী ঘোষ লাঠি ও লোহার রড দিয়ে তাঁকে মারধর করেন। পরে তাঁদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে দুই নারীকে উদ্ধার করেন। যাওয়ার সময় অভিযুক্তরা ভয়ভীতি দেখানো ও প্রাণনাশের হুমকি দেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
সজল কুমার ঘোষ বলেন, “শিশুকে কেন্দ্র করে প্রথমে কথা-কাটাকাটি হয়েছিল। পরে আমি বাড়ির বাইরে গেলে তারা বাড়িতে ঢুকে আমার স্ত্রী ও মাকে মারধর করে। আমার মায়ের মাথায় দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কোপ দেওয়া হয়েছে। দুজনই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।”
সলঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আছলাম আলী বলেন, “ঘটনার বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য জানতে তাঁদের বাড়িতে গেলে বাড়িঘর তালাবদ্ধ পাওয়া যায়। ফলে তাঁদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেল পাঁচটার দিকে উপজেলার ঘুড়কা ইউনিয়নের ইচলা দিঘর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত দুই নারী হলেন সজল কুমার ঘোষের স্ত্রী সেতু রানী ঘোষ ও তাঁর মা লক্ষ্মী রানী ঘোষ। তাঁরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা গেছে।
লিখিত অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সজল কুমার ঘোষের দুই বছর বয়সী শিশু সন্তান সত্যজিৎ কুমার ঘোষ প্রতিবেশী নয়কড়ি চন্দ্র ঘোষের বাড়িতে যাওয়াকে কেন্দ্র করে সেতু রানী ঘোষের সঙ্গে কল্পনা রানী ঘোষসহ ওই পরিবারের সদস্যদের কথা-কাটাকাটি হয়। পরে সজল কুমার বিষয়টি মীমাংসা করে কাজের উদ্দেশ্যে বাড়ির বাইরে চলে যান।
অভিযোগ করা হয়েছে, বিকেল পাঁচটার দিকে কল্পনা রানী ঘোষ, নিপা রানী ঘোষ, নির্মা রানী ঘোষ ও নয়কড়ি চন্দ্র ঘোষ দলবদ্ধ হয়ে সজলের বাড়িতে প্রবেশ করেন। এ সময় তাঁরা সেতু রানী ঘোষকে মারধর করেন। এতে তাঁর চোখ ও মুখসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত ও কালশিরা জখম হয়।
সেতুর চিৎকার শুনে তাঁর শাশুড়ি লক্ষ্মী রানী ঘোষ এগিয়ে গেলে তাঁকেও মারধর করে মাটিতে ফেলে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। একপর্যায়ে নিপা রানী ঘোষের নির্দেশে কল্পনা রানী ঘোষ দেশীয় অস্ত্র দিয়ে লক্ষ্মী রানী ঘোষের মাথায় কোপ দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে তাঁর মাথায় গুরুতর কাটা ও রক্তাক্ত জখম হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, মাকে রক্ষা করতে সেতু রানী ঘোষ এগিয়ে গেলে নিপা রানী ঘোষ ও নির্মা রানী ঘোষ লাঠি ও লোহার রড দিয়ে তাঁকে মারধর করেন। পরে তাঁদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে দুই নারীকে উদ্ধার করেন। যাওয়ার সময় অভিযুক্তরা ভয়ভীতি দেখানো ও প্রাণনাশের হুমকি দেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
সজল কুমার ঘোষ বলেন, “শিশুকে কেন্দ্র করে প্রথমে কথা-কাটাকাটি হয়েছিল। পরে আমি বাড়ির বাইরে গেলে তারা বাড়িতে ঢুকে আমার স্ত্রী ও মাকে মারধর করে। আমার মায়ের মাথায় দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কোপ দেওয়া হয়েছে। দুজনই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।”
সলঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আছলাম আলী বলেন, “ঘটনার বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য জানতে তাঁদের বাড়িতে গেলে বাড়িঘর তালাবদ্ধ পাওয়া যায়। ফলে তাঁদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন