সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে ৩২ দলের ফুটবল টুর্নামেন্টের একটি ম্যাচে খেলা বন্ধ থাকা অবস্থায় গোল দেওয়াকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। এ সময় রায়গঞ্জ ফুটবল একাদশের খেলোয়াড়দের মারধর ও খুন-জখমের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দলের খেলোয়াড় মো. আলামিন সেখ (৩০) রায়গঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার চাঁদপুর এডিপি ভাটায় চাঁদপুর জনকল্যাণ সোসাইটির উদ্যোগে আয়োজিত টুর্নামেন্টে রায়গঞ্জ ফুটবল একাদশ ও বগুড়ার ধুনট উপজেলার কুড়িগাতী ফুটবল একাদশের মধ্যে ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়।
আলামিন সেখের ভাষ্য, খেলা শুরুর পর থেকেই কুড়িগাতী দলকে সুবিধা করে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছিল। একপর্যায়ে বিকেল ৫টা ৩৫ মিনিটের দিকে রায়গঞ্জ দলের খেলোয়াড়দের পা থেকে বল মাঠের বাইরে চলে যায়। তখন রেফারি মো. হাফিজ সেখ রায়গঞ্জ দলের খেলোয়াড়দের নিয়ে মাঠের পূর্ব-উত্তর কোণে কথা বলছিলেন। এ সময় খেলা বন্ধ থাকা অবস্থায় রায়গঞ্জ দলের গোলরক্ষক প্রস্তুত না থাকার সুযোগে কুড়িগাতী দলের খেলোয়াড়রা গোল করেন বলে তিনি জানান।
আলামিন সেখ বলেন, “খেলা বন্ধ থাকা অবস্থায় গোল হওয়ায় আমরা প্রতিবাদ করি। বিষয়টি আয়োজকদের জানালেও তারা আমাদের কথা না শুনে কুড়িগাতী দলের পক্ষ নেন। পরে এ নিয়ে কথা-কাটাকাটি হলে আমাদের মাঠ থেকে বের হয়ে যেতে বলা হয় এবং মারধর ও খুন-জখমের হুমকি দেওয়া হয়।”
তিনি আরও বলেন, “রায়গঞ্জের কেউ ওই মাঠে খেলা দেখতে গেলেও তাকে মারধর ও খুন-জখমের হুমকি দেওয়া হয়েছে। এতে খেলোয়াড় ও দর্শকদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।”
মাঠে থাকা খেলোয়াড় ও প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, খেলা বন্ধ থাকা অবস্থায় গোল দেওয়াকে কেন্দ্র করে মাঠে আপত্তি ও উত্তেজনা তৈরি হয়। বিষয়টি নিয়ে আয়োজকদের সঙ্গে রায়গঞ্জ দলের খেলোয়াড়দের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং রায়গঞ্জ দলের খেলোয়াড়দের মাঠ ছাড়তে বলা হয়।
তাদের ভাষ্য, খেলার মতো একটি আয়োজনকে কেন্দ্র করে এমন পরিস্থিতি অনাকাঙ্ক্ষিত। বিষয়টি সুষ্ঠুভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
এ ঘটনায় খেলার সভাপতি ডাক্তার মো. হবিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মো. ওয়াজেদ আলী, চাঁদপুর জনকল্যাণ সোসাইটির সভাপতি মো. শাহিন সেখ, সদস্য মো. জহির সেখ, মো. আব্দুল মোতালেব, মো. আনন্দ সেখ ও মো. সফিক সেখের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
রায়গঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আহসানুজ্জামান বলেন, “এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ জমা পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে ৩২ দলের ফুটবল টুর্নামেন্টের একটি ম্যাচে খেলা বন্ধ থাকা অবস্থায় গোল দেওয়াকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। এ সময় রায়গঞ্জ ফুটবল একাদশের খেলোয়াড়দের মারধর ও খুন-জখমের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দলের খেলোয়াড় মো. আলামিন সেখ (৩০) রায়গঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার চাঁদপুর এডিপি ভাটায় চাঁদপুর জনকল্যাণ সোসাইটির উদ্যোগে আয়োজিত টুর্নামেন্টে রায়গঞ্জ ফুটবল একাদশ ও বগুড়ার ধুনট উপজেলার কুড়িগাতী ফুটবল একাদশের মধ্যে ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়।
আলামিন সেখের ভাষ্য, খেলা শুরুর পর থেকেই কুড়িগাতী দলকে সুবিধা করে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছিল। একপর্যায়ে বিকেল ৫টা ৩৫ মিনিটের দিকে রায়গঞ্জ দলের খেলোয়াড়দের পা থেকে বল মাঠের বাইরে চলে যায়। তখন রেফারি মো. হাফিজ সেখ রায়গঞ্জ দলের খেলোয়াড়দের নিয়ে মাঠের পূর্ব-উত্তর কোণে কথা বলছিলেন। এ সময় খেলা বন্ধ থাকা অবস্থায় রায়গঞ্জ দলের গোলরক্ষক প্রস্তুত না থাকার সুযোগে কুড়িগাতী দলের খেলোয়াড়রা গোল করেন বলে তিনি জানান।
আলামিন সেখ বলেন, “খেলা বন্ধ থাকা অবস্থায় গোল হওয়ায় আমরা প্রতিবাদ করি। বিষয়টি আয়োজকদের জানালেও তারা আমাদের কথা না শুনে কুড়িগাতী দলের পক্ষ নেন। পরে এ নিয়ে কথা-কাটাকাটি হলে আমাদের মাঠ থেকে বের হয়ে যেতে বলা হয় এবং মারধর ও খুন-জখমের হুমকি দেওয়া হয়।”
তিনি আরও বলেন, “রায়গঞ্জের কেউ ওই মাঠে খেলা দেখতে গেলেও তাকে মারধর ও খুন-জখমের হুমকি দেওয়া হয়েছে। এতে খেলোয়াড় ও দর্শকদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।”
মাঠে থাকা খেলোয়াড় ও প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, খেলা বন্ধ থাকা অবস্থায় গোল দেওয়াকে কেন্দ্র করে মাঠে আপত্তি ও উত্তেজনা তৈরি হয়। বিষয়টি নিয়ে আয়োজকদের সঙ্গে রায়গঞ্জ দলের খেলোয়াড়দের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং রায়গঞ্জ দলের খেলোয়াড়দের মাঠ ছাড়তে বলা হয়।
তাদের ভাষ্য, খেলার মতো একটি আয়োজনকে কেন্দ্র করে এমন পরিস্থিতি অনাকাঙ্ক্ষিত। বিষয়টি সুষ্ঠুভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
এ ঘটনায় খেলার সভাপতি ডাক্তার মো. হবিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মো. ওয়াজেদ আলী, চাঁদপুর জনকল্যাণ সোসাইটির সভাপতি মো. শাহিন সেখ, সদস্য মো. জহির সেখ, মো. আব্দুল মোতালেব, মো. আনন্দ সেখ ও মো. সফিক সেখের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
রায়গঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আহসানুজ্জামান বলেন, “এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ জমা পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

আপনার মতামত লিখুন