বিদ্যুৎ চলে গেলেই থেমে যাচ্ছে ব্যাংকিং সেবা। ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় টাকা উত্তোলনসহ প্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে গ্রাহকদের। এমন অভিযোগ উঠেছে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের ধুনট উপজেলার মথুরাপুর শাখায়।
গত ৮ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে টাকা উত্তোলনের জন্য ব্যাংকে যান গ্রাহক নাজমুল হাসান। বিদ্যুৎ না থাকায় প্রায় দুই ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয় তাকে। শাখায় জেনারেটর থাকা সত্ত্বেও সেটি চালু না করায় বিষয়টি নিয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে জানতে চান তিনি।
নাজমুল হাসানের অভিযোগ, জেনারেটর চালু না করার কারণ জানতে চাইলে কর্তৃপক্ষ জানায়, জেনারেটরের তেল কেনার জন্য পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ নেই।
ব্যাংক কর্মকর্তা মামুনুর বলেন, প্রতিদিন প্রায় ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না। দীর্ঘ সময় লোডশেডিংয়ের কারণে ব্যাংকের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাশাপাশি গ্রাহকদেরও ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।
রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক মথুরাপুর শাখার ব্যবস্থাপক ইফতেখার মিয়া বলেন, জেনারেটরের তেল বাবদ প্রতি মাসে ২ হাজার ৯৯০ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। এ টাকা প্রায় সাত দিনেই শেষ হয়ে যায়। এরপর মাসের বাকি দিনগুলোতে কখনো নিজের পকেটের টাকা দিয়ে, আবার কখনো অন্য খাত থেকে ভর্তুকি দিয়ে তেলের ব্যবস্থা করতে হয়।
প্রতিদিন ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকার দাবি করা হলেও মাসে মাত্র ২ হাজার ৯৯০ টাকা জ্বালানি বরাদ্দ দিয়ে কীভাবে একটি ব্যাংক শাখার বিকল্প বিদ্যুৎ ব্যবস্থা সচল রাখা সম্ভব—এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ভুক্তভোগী গ্রাহকেরা।
তাদের দাবি, ব্যাংকের মতো গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক প্রতিষ্ঠানে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে সেবা বন্ধ হয়ে যাওয়া কোনোভাবেই কাম্য নয়। গ্রাহক ভোগান্তি নিরসনে দ্রুত পর্যাপ্ত জ্বালানি বরাদ্দ এবং কার্যকর বিকল্প বিদ্যুৎ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বিদ্যুৎ চলে গেলেই থেমে যাচ্ছে ব্যাংকিং সেবা। ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় টাকা উত্তোলনসহ প্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে গ্রাহকদের। এমন অভিযোগ উঠেছে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের ধুনট উপজেলার মথুরাপুর শাখায়।
গত ৮ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে টাকা উত্তোলনের জন্য ব্যাংকে যান গ্রাহক নাজমুল হাসান। বিদ্যুৎ না থাকায় প্রায় দুই ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয় তাকে। শাখায় জেনারেটর থাকা সত্ত্বেও সেটি চালু না করায় বিষয়টি নিয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে জানতে চান তিনি।
নাজমুল হাসানের অভিযোগ, জেনারেটর চালু না করার কারণ জানতে চাইলে কর্তৃপক্ষ জানায়, জেনারেটরের তেল কেনার জন্য পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ নেই।
ব্যাংক কর্মকর্তা মামুনুর বলেন, প্রতিদিন প্রায় ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না। দীর্ঘ সময় লোডশেডিংয়ের কারণে ব্যাংকের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাশাপাশি গ্রাহকদেরও ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।
রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক মথুরাপুর শাখার ব্যবস্থাপক ইফতেখার মিয়া বলেন, জেনারেটরের তেল বাবদ প্রতি মাসে ২ হাজার ৯৯০ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। এ টাকা প্রায় সাত দিনেই শেষ হয়ে যায়। এরপর মাসের বাকি দিনগুলোতে কখনো নিজের পকেটের টাকা দিয়ে, আবার কখনো অন্য খাত থেকে ভর্তুকি দিয়ে তেলের ব্যবস্থা করতে হয়।
প্রতিদিন ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকার দাবি করা হলেও মাসে মাত্র ২ হাজার ৯৯০ টাকা জ্বালানি বরাদ্দ দিয়ে কীভাবে একটি ব্যাংক শাখার বিকল্প বিদ্যুৎ ব্যবস্থা সচল রাখা সম্ভব—এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ভুক্তভোগী গ্রাহকেরা।
তাদের দাবি, ব্যাংকের মতো গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক প্রতিষ্ঠানে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে সেবা বন্ধ হয়ে যাওয়া কোনোভাবেই কাম্য নয়। গ্রাহক ভোগান্তি নিরসনে দ্রুত পর্যাপ্ত জ্বালানি বরাদ্দ এবং কার্যকর বিকল্প বিদ্যুৎ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

আপনার মতামত লিখুন