সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে আদালতে মামলা চলমান থাকা অবস্থায় বিরোধপূর্ণ জমিতে টিনশেড ঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বাধা দিতে গেলে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ করেছেন মো. ফরিদুল মন্ডল (৪৫) নামে এক ব্যক্তি। এ নিয়ে তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন বলে দাবি করেছেন।
ভুক্তভোগী মো. ফরিদুল মন্ডল রায়গঞ্জ উপজেলার ধানগড়া ইউনিয়নের ঝাপড়া অভিরাম ঝাপড়া গ্রামের বাসিন্দা। তার অভিযোগ, জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে তার ছেলে বাদী হয়ে সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ সিভিল জজ আদালতে ৮৯/২০২৬ নম্বর মামলা দায়ের করেছেন। মামলাটি বর্তমানে আদালতে চলমান রয়েছে।
ফরিদুল মন্ডলের অভিযোগ, গত শনিবার (২৯ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে শহিদুল ইসলাম, শফিকুল ইসলাম, আদুরী খাতুন, রেজিয়া পারভীন ও ফোয়ারা বেগমসহ কয়েকজন বিরোধপূর্ণ জমিতে প্রবেশ করে টিনশেড ঘর নির্মাণ শুরু করেন। বিষয়টি জানতে পেরে তিনি সেখানে গিয়ে ঘর নির্মাণের কারণ জানতে চাইলে তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয়। একপর্যায়ে তাকে মারধরের চেষ্টা করা হলে তিনি জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করেন।
পরে রায়গঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘর নির্মাণ বন্ধ রাখতে এবং উভয় পক্ষকে শান্ত থাকার পরামর্শ দেয় বলে জানান ফরিদুল মন্ডল। পুলিশের নির্দেশনা অনুযায়ী তিনি সেখান থেকে চলে যান।
তবে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে চলে যাওয়ার পর আবারও ঘর নির্মাণের কাজ শুরু করা হয় বলে অভিযোগ তার। তিনি জমির কাছে গেলে তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের মারধর এবং খুন-জখমের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
ফরিদুল মন্ডলের দাবি, বিরোধপূর্ণ জমিটি রায়গঞ্জ থানার ঝাপড়া মৌজার আরএস খতিয়ান নং-৪৮৩ ও আরএস দাগ নং-৩০৯৪-এর অন্তর্ভুক্ত। জমিটির পরিমাণ ৮ শতক এবং শ্রেণি ফসলি।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে প্রতিপক্ষের পক্ষে শহিদুল ইসলামের মা বলেন, ‘আমার জায়গায় আমি ঘর তৈরি করছি। আমি থাকব কোথায়?’ আদালতে জমি নিয়ে মামলা চলমান থাকার বিষয়টি জানানো হলে তিনি বলেন, ‘আমাকে তো আর ঘর তুলতে নিষেধাজ্ঞা দেয়নি।’
এ বিষয়ে রায়গঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আহসানুজ্জামান বলেন, ‘এ বিষয়ে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এ ঘটনায় উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ আগস্ট ২০২৬
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে আদালতে মামলা চলমান থাকা অবস্থায় বিরোধপূর্ণ জমিতে টিনশেড ঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বাধা দিতে গেলে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ করেছেন মো. ফরিদুল মন্ডল (৪৫) নামে এক ব্যক্তি। এ নিয়ে তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন বলে দাবি করেছেন।
ভুক্তভোগী মো. ফরিদুল মন্ডল রায়গঞ্জ উপজেলার ধানগড়া ইউনিয়নের ঝাপড়া অভিরাম ঝাপড়া গ্রামের বাসিন্দা। তার অভিযোগ, জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে তার ছেলে বাদী হয়ে সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ সিভিল জজ আদালতে ৮৯/২০২৬ নম্বর মামলা দায়ের করেছেন। মামলাটি বর্তমানে আদালতে চলমান রয়েছে।
ফরিদুল মন্ডলের অভিযোগ, গত শনিবার (২৯ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে শহিদুল ইসলাম, শফিকুল ইসলাম, আদুরী খাতুন, রেজিয়া পারভীন ও ফোয়ারা বেগমসহ কয়েকজন বিরোধপূর্ণ জমিতে প্রবেশ করে টিনশেড ঘর নির্মাণ শুরু করেন। বিষয়টি জানতে পেরে তিনি সেখানে গিয়ে ঘর নির্মাণের কারণ জানতে চাইলে তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয়। একপর্যায়ে তাকে মারধরের চেষ্টা করা হলে তিনি জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করেন।
পরে রায়গঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘর নির্মাণ বন্ধ রাখতে এবং উভয় পক্ষকে শান্ত থাকার পরামর্শ দেয় বলে জানান ফরিদুল মন্ডল। পুলিশের নির্দেশনা অনুযায়ী তিনি সেখান থেকে চলে যান।
তবে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে চলে যাওয়ার পর আবারও ঘর নির্মাণের কাজ শুরু করা হয় বলে অভিযোগ তার। তিনি জমির কাছে গেলে তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের মারধর এবং খুন-জখমের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
ফরিদুল মন্ডলের দাবি, বিরোধপূর্ণ জমিটি রায়গঞ্জ থানার ঝাপড়া মৌজার আরএস খতিয়ান নং-৪৮৩ ও আরএস দাগ নং-৩০৯৪-এর অন্তর্ভুক্ত। জমিটির পরিমাণ ৮ শতক এবং শ্রেণি ফসলি।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে প্রতিপক্ষের পক্ষে শহিদুল ইসলামের মা বলেন, ‘আমার জায়গায় আমি ঘর তৈরি করছি। আমি থাকব কোথায়?’ আদালতে জমি নিয়ে মামলা চলমান থাকার বিষয়টি জানানো হলে তিনি বলেন, ‘আমাকে তো আর ঘর তুলতে নিষেধাজ্ঞা দেয়নি।’
এ বিষয়ে রায়গঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আহসানুজ্জামান বলেন, ‘এ বিষয়ে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এ ঘটনায় উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

আপনার মতামত লিখুন