সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে মসজিদের ভেতরে চেয়ার ও সোফা বসিয়ে সংসদ সদস্যের সভা আয়োজনের বিষয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছে রায়গঞ্জ উপজেলা বিএনপি।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রতিবাদপত্রে প্রকাশিত সংবাদকে বিভ্রান্তিকর দাবি করে প্রতিবাদ ও নিন্দা জানানো হয়।
প্রতিবাদপত্রে বলা হয়েছে, ‘সিরাজগঞ্জে মসজিদে চেয়ার ও সোফা বসিয়ে সংসদ সদস্যের সভা’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদে ঘটনাটিকে রাজনৈতিক সভা হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। তবে রায়গঞ্জ উপজেলা বিএনপির দাবি, উপজেলার চান্দাইকোনা ইউনিয়নের কোদলা কওমিয়া মাদ্রাসা ও জামে মসজিদ কর্তৃপক্ষের আমন্ত্রণে মাদ্রাসা ও মসজিদের উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা এবং দোয়া অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সংসদ সদস্য মো. আয়নুল হকসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ সেখানে উপস্থিত হন।
প্রতিবাদপত্রে আরও বলা হয়, অতিথিদের বসার জন্য চেয়ার ও সোফার ব্যবস্থা মসজিদ-মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ নিজেদের ব্যবস্থাপনায় করে। সেখানে কোনো দলীয় সভা, রাজনৈতিক কর্মসূচি, মিছিল, স্লোগান কিংবা সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ঘটনা ঘটেনি।
বিএনপির নেতৃবৃন্দের দাবি, সংসদ সদস্য ও স্থানীয় নেতারা প্রথমে মসজিদের মেঝেতে বসেছিলেন। পরে মসজিদ কর্তৃপক্ষ তাঁদের চেয়ারে বসান। এ সময় মসজিদ ও মাদ্রাসার উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হয়। পরে মসজিদ, মাদ্রাসা ও কবরস্থানে সমাহিত মৃত ব্যক্তিদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।
প্রতিবাদপত্রে বলা হয়, সংবাদে সংসদ সদস্যকে সোফায় বসা অবস্থার ছবি প্রকাশ করা হলেও দোয়া ও মোনাজাতের অংশটি প্রকাশ করা হয়নি। পাশাপাশি উন্নয়নমূলক আলোচনা ও দোয়া অনুষ্ঠানের বিষয়টিও যথাযথভাবে তুলে ধরা হয়নি বলে দাবি করেছে উপজেলা বিএনপি।
রায়গঞ্জ উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ বলেন, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষের আমন্ত্রণে অনুষ্ঠিত উন্নয়ন ও ধর্মীয় বিষয়ক আলোচনা এবং দোয়া অনুষ্ঠানকে রাজনৈতিক কর্মসূচি হিসেবে উপস্থাপন করা হলে পাঠকদের কাছে ঘটনার প্রকৃত চিত্র নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হতে পারে।
প্রতিবাদপত্রে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কোনো ঘটনা প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য গ্রহণ এবং তথ্য যাচাই করে সংবাদ প্রকাশের আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে প্রকাশিত সংবাদের বিভ্রান্তিকর অংশ সংশোধন ও স্পষ্টীকরণের অনুরোধ জানানো হয়েছে।
প্রতিবাদপত্রে স্বাক্ষর করেছেন রায়গঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. শামসুল ইসলাম, সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আলহাজ দুলাল হোসেন খান এবং সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আবুল কালাম আজাদ।

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে মসজিদের ভেতরে চেয়ার ও সোফা বসিয়ে সংসদ সদস্যের সভা আয়োজনের বিষয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছে রায়গঞ্জ উপজেলা বিএনপি।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রতিবাদপত্রে প্রকাশিত সংবাদকে বিভ্রান্তিকর দাবি করে প্রতিবাদ ও নিন্দা জানানো হয়।
প্রতিবাদপত্রে বলা হয়েছে, ‘সিরাজগঞ্জে মসজিদে চেয়ার ও সোফা বসিয়ে সংসদ সদস্যের সভা’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদে ঘটনাটিকে রাজনৈতিক সভা হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। তবে রায়গঞ্জ উপজেলা বিএনপির দাবি, উপজেলার চান্দাইকোনা ইউনিয়নের কোদলা কওমিয়া মাদ্রাসা ও জামে মসজিদ কর্তৃপক্ষের আমন্ত্রণে মাদ্রাসা ও মসজিদের উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা এবং দোয়া অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সংসদ সদস্য মো. আয়নুল হকসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ সেখানে উপস্থিত হন।
প্রতিবাদপত্রে আরও বলা হয়, অতিথিদের বসার জন্য চেয়ার ও সোফার ব্যবস্থা মসজিদ-মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ নিজেদের ব্যবস্থাপনায় করে। সেখানে কোনো দলীয় সভা, রাজনৈতিক কর্মসূচি, মিছিল, স্লোগান কিংবা সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ঘটনা ঘটেনি।
বিএনপির নেতৃবৃন্দের দাবি, সংসদ সদস্য ও স্থানীয় নেতারা প্রথমে মসজিদের মেঝেতে বসেছিলেন। পরে মসজিদ কর্তৃপক্ষ তাঁদের চেয়ারে বসান। এ সময় মসজিদ ও মাদ্রাসার উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হয়। পরে মসজিদ, মাদ্রাসা ও কবরস্থানে সমাহিত মৃত ব্যক্তিদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।
প্রতিবাদপত্রে বলা হয়, সংবাদে সংসদ সদস্যকে সোফায় বসা অবস্থার ছবি প্রকাশ করা হলেও দোয়া ও মোনাজাতের অংশটি প্রকাশ করা হয়নি। পাশাপাশি উন্নয়নমূলক আলোচনা ও দোয়া অনুষ্ঠানের বিষয়টিও যথাযথভাবে তুলে ধরা হয়নি বলে দাবি করেছে উপজেলা বিএনপি।
রায়গঞ্জ উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ বলেন, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষের আমন্ত্রণে অনুষ্ঠিত উন্নয়ন ও ধর্মীয় বিষয়ক আলোচনা এবং দোয়া অনুষ্ঠানকে রাজনৈতিক কর্মসূচি হিসেবে উপস্থাপন করা হলে পাঠকদের কাছে ঘটনার প্রকৃত চিত্র নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হতে পারে।
প্রতিবাদপত্রে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কোনো ঘটনা প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য গ্রহণ এবং তথ্য যাচাই করে সংবাদ প্রকাশের আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে প্রকাশিত সংবাদের বিভ্রান্তিকর অংশ সংশোধন ও স্পষ্টীকরণের অনুরোধ জানানো হয়েছে।
প্রতিবাদপত্রে স্বাক্ষর করেছেন রায়গঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. শামসুল ইসলাম, সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আলহাজ দুলাল হোসেন খান এবং সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আবুল কালাম আজাদ।

আপনার মতামত লিখুন