হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব শ্যামা পূজা বা কালীপূজাকে ঘিরে সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে জমে উঠেছে ভেড়ার মাংস ও আতশবাজির বাজার। পূজাকে কেন্দ্র করে উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে বেড়েছে ক্রেতাদের আনাগোনা। কোথাও ভেড়ার মাংস কিনতে ভিড়, আবার কোথাও পটকা ও আতশবাজি কেনায় ব্যস্ত বিভিন্ন বয়সী মানুষ।
হিন্দু পঞ্জিকা অনুযায়ী, কার্তিক মাসের অমাবস্যা তিথিতে শ্যামা পূজা বা কালীপূজা অনুষ্ঠিত হয়। এ উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন স্থানে মন্দির ও বাড়িতে পূজার আয়োজন করা হয়।
আজ শ্যামা পূজা উপলক্ষে উপজেলার চান্দাইকোনা, ধানগড়া, ভূঁইয়াগাঁতী, সলঙ্গা, নিমগাছী ও পাঙ্গাসীসহ নয়টি ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে ভেড়ার মাংস ও আতশবাজি বিক্রি হচ্ছে। বাজারে প্রতি কেজি ভেড়ার মাংস বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ১০০ টাকায়। অন্যদিকে, আতশবাজি ও পটকার দাম শুরু হয়েছে ১০ টাকা থেকে। বিভিন্ন ধরনের আতশবাজি বিক্রি হচ্ছে বিভিন্ন দামে।
স্থানীয় বিক্রেতা মো. কাশেম আলী জানান, শ্যামা পূজাকে কেন্দ্র করে প্রতিবছরই ভেড়ার মাংস ও আতশবাজির চাহিদা বাড়ে। এবারও সকাল থেকেই ক্রেতাদের আনাগোনা শুরু হয়েছে। উৎসবকে সামনে রেখে বিভিন্ন ধরনের পণ্য নিয়ে দোকান সাজিয়েছেন তাঁরা।
ভুইয়াগাতি বাজারের ভেড়ার মাংস বিক্রেতা বলেন, ‘পূজা উপলক্ষে ভেড়ার মাংসের চাহিদা বেড়েছে। প্রতি কেজি ১ হাজার ১০০ টাকা দরে বিক্রি করছি। ক্রেতারা নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী মাংস কিনছেন।’
আতশবাজি বিক্রেতা তন্ময় সূত্রধর বলেন, ‘পূজা উপলক্ষে বিভিন্ন ধরনের পটকা ও আতশবাজি বিক্রি হচ্ছে। ১০ টাকা থেকে শুরু করে বিভিন্ন দামের পণ্য রয়েছে। সন্ধ্যার দিকে বিক্রি আরও বাড়বে বলে আশা করছি।’
পূজারি কাজল দাস বলেন, ‘শ্যামা পূজা আমাদের কাছে বিশেষ আনন্দের দিন। পরিবারের সবাই মিলে পূজার প্রস্তুতি নিচ্ছি। এ উপলক্ষে বাজারে কেনাকাটার ব্যস্ততাও বেড়েছে। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের পাশাপাশি স্বজনদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে চাই।’
স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের সুরঞ্জিত সরকার, সুশান্ত তালুকদারসহ কয়েকজন জানান, শ্যামা পূজা উপলক্ষে বাড়িতে বাড়িতে পূজার আয়োজন চলছে। আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ এবং নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে উৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি করছেন তাঁরা।
এদিকে, পূজাকে ঘিরে আতশবাজি ও পটকা ব্যবহারে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন সচেতন ব্যক্তিরা। বিশেষ করে শিশুদের হাতে আতশবাজি ব্যবহারের ক্ষেত্রে অভিভাবকদের নজরদারি এবং অগ্নিকাণ্ড ও শব্দদূষণ এড়াতে দায়িত্বশীল আচরণের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তাঁরা।
সব মিলিয়ে শ্যামা পূজাকে কেন্দ্র করে রায়গঞ্জের বিভিন্ন বাজারে তৈরি হয়েছে উৎসবের আমেজ। কেনাকাটার ব্যস্ততা ও নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে উৎসবের প্রস্তুতিতে মুখর হয়ে উঠেছে উপজেলার জনপদ।

রোববার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ নভেম্বর ২০২৬
হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব শ্যামা পূজা বা কালীপূজাকে ঘিরে সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে জমে উঠেছে ভেড়ার মাংস ও আতশবাজির বাজার। পূজাকে কেন্দ্র করে উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে বেড়েছে ক্রেতাদের আনাগোনা। কোথাও ভেড়ার মাংস কিনতে ভিড়, আবার কোথাও পটকা ও আতশবাজি কেনায় ব্যস্ত বিভিন্ন বয়সী মানুষ।
হিন্দু পঞ্জিকা অনুযায়ী, কার্তিক মাসের অমাবস্যা তিথিতে শ্যামা পূজা বা কালীপূজা অনুষ্ঠিত হয়। এ উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন স্থানে মন্দির ও বাড়িতে পূজার আয়োজন করা হয়।
আজ শ্যামা পূজা উপলক্ষে উপজেলার চান্দাইকোনা, ধানগড়া, ভূঁইয়াগাঁতী, সলঙ্গা, নিমগাছী ও পাঙ্গাসীসহ নয়টি ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে ভেড়ার মাংস ও আতশবাজি বিক্রি হচ্ছে। বাজারে প্রতি কেজি ভেড়ার মাংস বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ১০০ টাকায়। অন্যদিকে, আতশবাজি ও পটকার দাম শুরু হয়েছে ১০ টাকা থেকে। বিভিন্ন ধরনের আতশবাজি বিক্রি হচ্ছে বিভিন্ন দামে।
স্থানীয় বিক্রেতা মো. কাশেম আলী জানান, শ্যামা পূজাকে কেন্দ্র করে প্রতিবছরই ভেড়ার মাংস ও আতশবাজির চাহিদা বাড়ে। এবারও সকাল থেকেই ক্রেতাদের আনাগোনা শুরু হয়েছে। উৎসবকে সামনে রেখে বিভিন্ন ধরনের পণ্য নিয়ে দোকান সাজিয়েছেন তাঁরা।
ভুইয়াগাতি বাজারের ভেড়ার মাংস বিক্রেতা বলেন, ‘পূজা উপলক্ষে ভেড়ার মাংসের চাহিদা বেড়েছে। প্রতি কেজি ১ হাজার ১০০ টাকা দরে বিক্রি করছি। ক্রেতারা নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী মাংস কিনছেন।’
আতশবাজি বিক্রেতা তন্ময় সূত্রধর বলেন, ‘পূজা উপলক্ষে বিভিন্ন ধরনের পটকা ও আতশবাজি বিক্রি হচ্ছে। ১০ টাকা থেকে শুরু করে বিভিন্ন দামের পণ্য রয়েছে। সন্ধ্যার দিকে বিক্রি আরও বাড়বে বলে আশা করছি।’
পূজারি কাজল দাস বলেন, ‘শ্যামা পূজা আমাদের কাছে বিশেষ আনন্দের দিন। পরিবারের সবাই মিলে পূজার প্রস্তুতি নিচ্ছি। এ উপলক্ষে বাজারে কেনাকাটার ব্যস্ততাও বেড়েছে। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের পাশাপাশি স্বজনদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে চাই।’
স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের সুরঞ্জিত সরকার, সুশান্ত তালুকদারসহ কয়েকজন জানান, শ্যামা পূজা উপলক্ষে বাড়িতে বাড়িতে পূজার আয়োজন চলছে। আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ এবং নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে উৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি করছেন তাঁরা।
এদিকে, পূজাকে ঘিরে আতশবাজি ও পটকা ব্যবহারে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন সচেতন ব্যক্তিরা। বিশেষ করে শিশুদের হাতে আতশবাজি ব্যবহারের ক্ষেত্রে অভিভাবকদের নজরদারি এবং অগ্নিকাণ্ড ও শব্দদূষণ এড়াতে দায়িত্বশীল আচরণের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তাঁরা।
সব মিলিয়ে শ্যামা পূজাকে কেন্দ্র করে রায়গঞ্জের বিভিন্ন বাজারে তৈরি হয়েছে উৎসবের আমেজ। কেনাকাটার ব্যস্ততা ও নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে উৎসবের প্রস্তুতিতে মুখর হয়ে উঠেছে উপজেলার জনপদ।

আপনার মতামত লিখুন