ধুনট উপজেলায় আদুরি খাতুন (২৫) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার চিকাশী ইউনিয়নের মোহনপুর পূর্বপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। তাঁর মৃত্যু নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে ভিন্ন দাবি উঠেছে। নিহতের পিতৃকুলের স্বজনদের দাবি, এটি হত্যাকাণ্ড হতে পারে। অন্যদিকে, স্বামীপক্ষের দাবি, তিনি আত্মহত্যা করেছেন।
নিহত আদুরি খাতুন ওই গ্রামের বাবু প্রামাণিক ওরফে দয়ালের স্ত্রী। তাঁর শ্বশুরের নাম মৃত শফিকুল ইসলাম এবং শাশুড়ির নাম আরজিনা বেগম।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আদুরি খাতুন দীর্ঘদিন ধরে চর্মরোগে ভুগছিলেন। শারীরিক অসুস্থতা ও রোগজনিত কষ্টের কারণে তিনি আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন বলে স্থানীয়দের কেউ কেউ ধারণা করছেন। তবে তাঁর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
নিহতের পিতৃকুলের স্বজনদের দাবি, তাঁর মৃত্যু স্বাভাবিক নয়; এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড হতে পারে। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে এ ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা করেছে। বুধবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
ধুনট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. হারুনুর রশিদ সর্দার বলেন, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর গৃহবধূর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের মাধ্যমে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনের আশা করছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ অক্টোবর ২০২৬
ধুনট উপজেলায় আদুরি খাতুন (২৫) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার চিকাশী ইউনিয়নের মোহনপুর পূর্বপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। তাঁর মৃত্যু নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে ভিন্ন দাবি উঠেছে। নিহতের পিতৃকুলের স্বজনদের দাবি, এটি হত্যাকাণ্ড হতে পারে। অন্যদিকে, স্বামীপক্ষের দাবি, তিনি আত্মহত্যা করেছেন।
নিহত আদুরি খাতুন ওই গ্রামের বাবু প্রামাণিক ওরফে দয়ালের স্ত্রী। তাঁর শ্বশুরের নাম মৃত শফিকুল ইসলাম এবং শাশুড়ির নাম আরজিনা বেগম।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আদুরি খাতুন দীর্ঘদিন ধরে চর্মরোগে ভুগছিলেন। শারীরিক অসুস্থতা ও রোগজনিত কষ্টের কারণে তিনি আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন বলে স্থানীয়দের কেউ কেউ ধারণা করছেন। তবে তাঁর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
নিহতের পিতৃকুলের স্বজনদের দাবি, তাঁর মৃত্যু স্বাভাবিক নয়; এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড হতে পারে। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে এ ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা করেছে। বুধবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
ধুনট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. হারুনুর রশিদ সর্দার বলেন, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর গৃহবধূর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের মাধ্যমে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনের আশা করছে পুলিশ।

আপনার মতামত লিখুন