ঢাকা    বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
খোলা বার্তা

দুদকের মামলায় আক্কেলপুরে ৩ বিঘার বেশি জমি রাষ্ট্রীয় অধিকারে



দুদকের মামলায় আক্কেলপুরে ৩ বিঘার বেশি জমি রাষ্ট্রীয় অধিকারে

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) দায়ের করা মামলার পরিপ্রেক্ষিতে জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার কানুপুর গ্রামে ৩ বিঘা ২৫ শতক আবাদি জমি রাষ্ট্রীয় অধিকারে নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। 

বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) সকালে আদালতের নির্দেশে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবিদা খানম বৈশাখী রিসিভার হিসেবে জমির দখল বুঝে নেন।

দুদকের সমন্বিত নওগাঁ কার্যালয়ের তদন্তে যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তরের খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের কর্মকর্তা ফজলুর রহমানের জ্ঞাত আয়-বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের প্রমাণ পাওয়া যায়। ২০২৩ সালে দুদকের তৎকালীন সহকারী পরিচালক নওশাদ আলী এ অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা করেন।


মামলার তথ্যমতে, ফজলুর রহমান জ্ঞাত আয়বহির্ভূতভাবে ১৯ লাখ ৭১ হাজার ৯৯৬ টাকার স্থাবর এবং ৮০ লাখ ১৫ হাজার ২৬ টাকার অস্থাবর সম্পদ অর্জন করেন। এ ঘটনায় আদালত জয়পুরহাট শহরের সরদারপাড়ার ৬ শতাংশ বাড়ি ও আক্কেলপুরের কানুপুর এলাকার আবাদি জমি ক্রোকের নির্দেশ দেন। এসব সম্পদের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব দেওয়া হয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে।

আদালতের নির্দেশ বাস্তবায়নে জমি দখল বুঝে নিতে দুদকের উপপরিচালক মেহেবুবা খাতুন现场 উপস্থিত ছিলেন। তিনি জানান, নির্দেশ অনুযায়ী জমিগুলো উপজেলা প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং মামলার চার্জশিট অনুমোদনের জন্য দুদকের প্রধান কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে।


সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবিদা খানম বৈশাখী বলেন, “ফজলুর রহমানের জ্ঞাত আয়-বহির্ভূত স্থাবর সম্পত্তি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আমাকে রিসিভার নিয়োগ করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশে জমির দখলে লাল নিশান পুঁতে দেওয়া হয়েছে।”

অভিযুক্ত ফজলুর রহমান অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, তার সব সম্পদ বৈধ আয়ের মাধ্যমে অর্জিত। আয়কর রিটার্নে ভুলক্রমে কিছু জমি উল্লেখ না হওয়ায় জটিলতা তৈরি হয়েছে। বড় ভাই শফিউল আলমের সঙ্গে জমি নিয়ে বিরোধের সুযোগে তার বিরুদ্ধে “ষড়যন্ত্র” করা হয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।

অন্যদিকে বড় ভাই শফিউল আলম এ অভিযোগ নাকচ করে বলেন, জমি নিয়ে দ্বন্দ্ব থাকলেও দুদকে তারা কেউ অভিযোগ করেননি। তদন্তে ছোট ভাইয়ের জ্ঞাত আয়-বহির্ভূত সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে—এ তথ্য পরে জেনেছেন।

আপনার মতামত লিখুন

খোলা বার্তা

বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬


দুদকের মামলায় আক্কেলপুরে ৩ বিঘার বেশি জমি রাষ্ট্রীয় অধিকারে

প্রকাশের তারিখ : ২০ নভেম্বর ২০২৫

featured Image

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) দায়ের করা মামলার পরিপ্রেক্ষিতে জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার কানুপুর গ্রামে ৩ বিঘা ২৫ শতক আবাদি জমি রাষ্ট্রীয় অধিকারে নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। 

বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) সকালে আদালতের নির্দেশে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবিদা খানম বৈশাখী রিসিভার হিসেবে জমির দখল বুঝে নেন।

দুদকের সমন্বিত নওগাঁ কার্যালয়ের তদন্তে যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তরের খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের কর্মকর্তা ফজলুর রহমানের জ্ঞাত আয়-বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের প্রমাণ পাওয়া যায়। ২০২৩ সালে দুদকের তৎকালীন সহকারী পরিচালক নওশাদ আলী এ অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা করেন।


মামলার তথ্যমতে, ফজলুর রহমান জ্ঞাত আয়বহির্ভূতভাবে ১৯ লাখ ৭১ হাজার ৯৯৬ টাকার স্থাবর এবং ৮০ লাখ ১৫ হাজার ২৬ টাকার অস্থাবর সম্পদ অর্জন করেন। এ ঘটনায় আদালত জয়পুরহাট শহরের সরদারপাড়ার ৬ শতাংশ বাড়ি ও আক্কেলপুরের কানুপুর এলাকার আবাদি জমি ক্রোকের নির্দেশ দেন। এসব সম্পদের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব দেওয়া হয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে।

আদালতের নির্দেশ বাস্তবায়নে জমি দখল বুঝে নিতে দুদকের উপপরিচালক মেহেবুবা খাতুন现场 উপস্থিত ছিলেন। তিনি জানান, নির্দেশ অনুযায়ী জমিগুলো উপজেলা প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং মামলার চার্জশিট অনুমোদনের জন্য দুদকের প্রধান কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে।


সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবিদা খানম বৈশাখী বলেন, “ফজলুর রহমানের জ্ঞাত আয়-বহির্ভূত স্থাবর সম্পত্তি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আমাকে রিসিভার নিয়োগ করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশে জমির দখলে লাল নিশান পুঁতে দেওয়া হয়েছে।”

অভিযুক্ত ফজলুর রহমান অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, তার সব সম্পদ বৈধ আয়ের মাধ্যমে অর্জিত। আয়কর রিটার্নে ভুলক্রমে কিছু জমি উল্লেখ না হওয়ায় জটিলতা তৈরি হয়েছে। বড় ভাই শফিউল আলমের সঙ্গে জমি নিয়ে বিরোধের সুযোগে তার বিরুদ্ধে “ষড়যন্ত্র” করা হয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।

অন্যদিকে বড় ভাই শফিউল আলম এ অভিযোগ নাকচ করে বলেন, জমি নিয়ে দ্বন্দ্ব থাকলেও দুদকে তারা কেউ অভিযোগ করেননি। তদন্তে ছোট ভাইয়ের জ্ঞাত আয়-বহির্ভূত সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে—এ তথ্য পরে জেনেছেন।


খোলা বার্তা

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. একরামুল হক
✆ ০১৯২৮-৩১৩১২০
প্রধান নির্বাহী : সাইদুল ইসলাম আবির।
✆ ০১৭৫০-৭০৭৬৩৬
ই মেইল: kholabartaonline@gmail.com
কপিরাইট © ২০২৬ খোলা বার্তা । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত