জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার কাঁকড়া পিংলু উচ্চ বিদ্যালয়ে ছাত্রীরা অসুস্থ হওয়ার রেশ কাটতে না কাটতেই, এবার জেলার আরও একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একই ধরনের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) নতুন করে মহীপুর মাওলানা ভাসানী উচ্চ বিদ্যালয়ের আরও ৫ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
বিদ্যালয় ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, নতুন করে ভর্তি হওয়া ৫ জনই মহীপুর মাওলানা ভাসানী উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী। ক্লাস চলাকালীন হঠাৎ তাদের শারীরিক অস্বস্তি দেখা দিলে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে তারা হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এর আগে গত মঙ্গলবার ও বুধবার পাঁচবিবি উপজেলার কাঁকড়া পিংলু উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির মোট ৩২ জন ছাত্রী একইভাবে হঠাৎ মাথা ঘোরা, শ্বাসকষ্ট ও বমি বমি ভাব নিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছিল। তাদের মধ্যে ২৫ জন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন। ধারাবাহিক এসব ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
মহীপুর মাওলানা ভাসানী উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী লিমিয়া আক্তার বলে, প্রথমে মাথা ঘুরছিল, পরে বুক ব্যথা, ঘাঁড় ব্যথা শুরু হয়। শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছিল। পরে সবাই মিলে আমাকে হাসপাতালে নিয়ে আসে, অক্সিজেন দেওয়া হয়।
এক ছাত্রীর মা রহিমা খাতুন বলেন, বুকে ব্যথা, শ্বাসকষ্টের সমস্যা। পরে স্কুল থেকে জানানোর পর মেয়েকে নিয়ে হাসপাতালে এসেছি। এটা কেন হলো কিছু বুঝতে পারছি না।
পাঁচবিবি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা: সাজেদুর রহমান ঢাকা পোস্টকে বলেন, গত কয়েকদিন ধরে স্কুলের মেয়েদের একটি সমস্যা দেখা যাচ্ছে। পেট, মাথা ব্যথা, মাথা ঘোরা, শ্বাসকষ্টের সমস্যা হচ্ছে। কাঁকড়া পিংলু উচ্চ বিদ্যালয়ের ২৫ জন ছাত্রী ভর্তি থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন। আজকে মহীপুর মাওলানা ভাসানী উচ্চ বিদ্যালয়ে একই ধরনের সমস্যা হয়েছে। এই বিদ্যালয়ের ৫ জন আজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এনিয়ে মোট ৩০ জন হাসপাতালে চিকিৎসা নিলেন।
তিনি বলেন, এটিকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় দলগত মনস্তাত্ত্বিক বা 'ম্যাস সাইকোজেনিক ইলনেস' সমস্যা বলা হয়। তাদের বিভিন্ন টেস্ট করানো হয়েছে। শারীরিক কোন সমস্যা নেই। এ ঘটনায় একটি মেডিকেল টিম গঠিত হয়েছে। অন্য কোন কারণে এমনটা হচ্ছে? না-কি মনস্তাত্ত্বিক সমস্যা। সেটি মেডিকেল টিম তদন্ত করবে। এ পর্যন্ত ভর্তি হওয়া সকলেই সুস্থ আছেন। বেশির শিক্ষার্থীকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার কাঁকড়া পিংলু উচ্চ বিদ্যালয়ে ছাত্রীরা অসুস্থ হওয়ার রেশ কাটতে না কাটতেই, এবার জেলার আরও একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একই ধরনের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) নতুন করে মহীপুর মাওলানা ভাসানী উচ্চ বিদ্যালয়ের আরও ৫ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
বিদ্যালয় ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, নতুন করে ভর্তি হওয়া ৫ জনই মহীপুর মাওলানা ভাসানী উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী। ক্লাস চলাকালীন হঠাৎ তাদের শারীরিক অস্বস্তি দেখা দিলে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে তারা হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এর আগে গত মঙ্গলবার ও বুধবার পাঁচবিবি উপজেলার কাঁকড়া পিংলু উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির মোট ৩২ জন ছাত্রী একইভাবে হঠাৎ মাথা ঘোরা, শ্বাসকষ্ট ও বমি বমি ভাব নিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছিল। তাদের মধ্যে ২৫ জন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন। ধারাবাহিক এসব ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
মহীপুর মাওলানা ভাসানী উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী লিমিয়া আক্তার বলে, প্রথমে মাথা ঘুরছিল, পরে বুক ব্যথা, ঘাঁড় ব্যথা শুরু হয়। শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছিল। পরে সবাই মিলে আমাকে হাসপাতালে নিয়ে আসে, অক্সিজেন দেওয়া হয়।
এক ছাত্রীর মা রহিমা খাতুন বলেন, বুকে ব্যথা, শ্বাসকষ্টের সমস্যা। পরে স্কুল থেকে জানানোর পর মেয়েকে নিয়ে হাসপাতালে এসেছি। এটা কেন হলো কিছু বুঝতে পারছি না।
পাঁচবিবি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা: সাজেদুর রহমান ঢাকা পোস্টকে বলেন, গত কয়েকদিন ধরে স্কুলের মেয়েদের একটি সমস্যা দেখা যাচ্ছে। পেট, মাথা ব্যথা, মাথা ঘোরা, শ্বাসকষ্টের সমস্যা হচ্ছে। কাঁকড়া পিংলু উচ্চ বিদ্যালয়ের ২৫ জন ছাত্রী ভর্তি থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন। আজকে মহীপুর মাওলানা ভাসানী উচ্চ বিদ্যালয়ে একই ধরনের সমস্যা হয়েছে। এই বিদ্যালয়ের ৫ জন আজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এনিয়ে মোট ৩০ জন হাসপাতালে চিকিৎসা নিলেন।
তিনি বলেন, এটিকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় দলগত মনস্তাত্ত্বিক বা 'ম্যাস সাইকোজেনিক ইলনেস' সমস্যা বলা হয়। তাদের বিভিন্ন টেস্ট করানো হয়েছে। শারীরিক কোন সমস্যা নেই। এ ঘটনায় একটি মেডিকেল টিম গঠিত হয়েছে। অন্য কোন কারণে এমনটা হচ্ছে? না-কি মনস্তাত্ত্বিক সমস্যা। সেটি মেডিকেল টিম তদন্ত করবে। এ পর্যন্ত ভর্তি হওয়া সকলেই সুস্থ আছেন। বেশির শিক্ষার্থীকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন