বগুড়ার ধুনটে সংসদ সদস্য গোলাম মোহাম্মদ সিরাজের গাড়িবহরে হামলা, ভাঙচুর, ককটেল বিস্ফোরণ ও অগ্নিসংযোগের মামলায় সাইফুল ইসলাম মঞ্জু (৫৮) নামের এক আওয়ামী লীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) বাদ জুমা উপজেলার পাঁচথুপি এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। সাইফুল ইসলাম মঞ্জু চৌকিবাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। তিনি উপজেলার বিশ্বহরিগাছা গ্রামের মৃত হাসেন আলী সরকারের ছেলে।
পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৫ (শেরপুর-ধুনট) আসনে বিএনপির প্রার্থী ছিলেন গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ। ওই বছরের ১১ ডিসেম্বর নির্বাচনী প্রচারণায় তিনি ধুনট সদরের কলাপট্টি এলাকায় গেলে তাঁর গাড়িবহরে হামলা, ভাঙচুর, ককটেল বিস্ফোরণ ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এতে বিএনপির অন্তত ২০ জন নেতাকর্মী আহত হন।
এ ঘটনায় প্রায় ছয় বছর পর ২০২৪ সালের ৮ অক্টোবর ধুনট উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে ধুনট থানায় মামলা করেন। মামলায় ৪৪ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ২৫০ জনকে আসামি করা হয়।
ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম বলেন, মামলার তদন্তে প্রাপ্ত আসামি হিসেবে সাইফুল ইসলাম মঞ্জুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ নভেম্বর ২০২৬
বগুড়ার ধুনটে সংসদ সদস্য গোলাম মোহাম্মদ সিরাজের গাড়িবহরে হামলা, ভাঙচুর, ককটেল বিস্ফোরণ ও অগ্নিসংযোগের মামলায় সাইফুল ইসলাম মঞ্জু (৫৮) নামের এক আওয়ামী লীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) বাদ জুমা উপজেলার পাঁচথুপি এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। সাইফুল ইসলাম মঞ্জু চৌকিবাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। তিনি উপজেলার বিশ্বহরিগাছা গ্রামের মৃত হাসেন আলী সরকারের ছেলে।
পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৫ (শেরপুর-ধুনট) আসনে বিএনপির প্রার্থী ছিলেন গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ। ওই বছরের ১১ ডিসেম্বর নির্বাচনী প্রচারণায় তিনি ধুনট সদরের কলাপট্টি এলাকায় গেলে তাঁর গাড়িবহরে হামলা, ভাঙচুর, ককটেল বিস্ফোরণ ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এতে বিএনপির অন্তত ২০ জন নেতাকর্মী আহত হন।
এ ঘটনায় প্রায় ছয় বছর পর ২০২৪ সালের ৮ অক্টোবর ধুনট উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে ধুনট থানায় মামলা করেন। মামলায় ৪৪ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ২৫০ জনকে আসামি করা হয়।
ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম বলেন, মামলার তদন্তে প্রাপ্ত আসামি হিসেবে সাইফুল ইসলাম মঞ্জুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন