ঢাকা    বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬
খোলা বার্তা

ভাবির পরকীয়া প্রেমের বলি হলেন দেবর, গ্রেপ্তার ২



ভাবির পরকীয়া প্রেমের বলি হলেন দেবর, গ্রেপ্তার ২

বগুড়ার শিবগঞ্জে ধানক্ষেত থেকে উদ্ধার হওয়া রাজমিস্ত্রী শাহ আলম (৩৫) হত্যার রহস্য উদঘাটন করা হয়েছে। পরকীয়া সম্পর্কের জেরে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় এক নারীসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৬ মে) সন্ধ্যা ৭টার সময় শিবগঞ্জ থানা কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করেন সহকারী পুলিশ সুপার (শিবগঞ্জ-সোনাতলা) রবিউল ইসলাম।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন উপজেলার বিহার ইউনিয়নের সংসারদিঘী (দোবিলা) গ্রামের শাহিন শেখ (৩২) ও নিহতের ভাবি আরিফা বেগম (৩২)। শনিবার (২৬ মে) ভোর রাতে নিজ নিজ বাড়ি থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আদালতে হাজির করা হলে তারা ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এর আগে গত ১৬ মে সকালে উপজেলার বিহার ইউনিয়নের সংসারদিঘী (দোবিলা) গ্রামে নিহতের বাড়ির পেছনের একটি ধানক্ষেত থেকে শাহ আলমের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত শাহ আলম ওই গ্রামের ইদ্রিস আলীর ছেলে। তিনি পেশায় রাজমিস্ত্রী ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে সহকারী পুলিশ সুপার রবিউল ইসলাম বলেন, গ্রেপ্তারকৃত শাহিন শেখের সঙ্গে আরিফা বেগমের দীর্ঘদিন ধরে পরকীয়া সম্পর্ক ছিল। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় একাধিকবার আলোচনা ও সতর্ক করা হলেও তারা সম্পর্ক চালিয়ে আসছিলেন। ঘটনার রাতে শাহিন গোপনে আরিফার বাড়িতে যান। একপর্যায়ে শাহ আলম বিষয়টি টের পেলে শাহিন বাড়ির পেছনের দরজা দিয়ে দৌড় দেন। এসময় নিহত শাহ আলম একটি হাসুয়া নিয়ে তাকে ধাওয়া করেন। একপর্যায়ে একটি ধানক্ষেতে তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা ও ধস্তাধস্তি হয়।

পরে শাহ আলমের হাতে থাকা ধারালো হাসুয়া কেড়ে নিয়ে শাহিন শেখ তার গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই শাহ আলমের মৃত্যু হয়। পরে মরদেহ বাড়ির পেছনের ধানক্ষেতে ফেলে রাখা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও জানান, “ঘটনার পরপরই পুলিশ তদন্ত শুরু করে। পরে পুলিশের একটি তদন্তকারী কমিটির সদস্যরা হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন এবং জড়িতদের গ্রেপ্তার করেছে। আদালতে তারা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছেন।”

আপনার মতামত লিখুন

খোলা বার্তা

বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬


ভাবির পরকীয়া প্রেমের বলি হলেন দেবর, গ্রেপ্তার ২

প্রকাশের তারিখ : ২৭ মে ২০২৬

featured Image

বগুড়ার শিবগঞ্জে ধানক্ষেত থেকে উদ্ধার হওয়া রাজমিস্ত্রী শাহ আলম (৩৫) হত্যার রহস্য উদঘাটন করা হয়েছে। পরকীয়া সম্পর্কের জেরে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় এক নারীসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৬ মে) সন্ধ্যা ৭টার সময় শিবগঞ্জ থানা কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করেন সহকারী পুলিশ সুপার (শিবগঞ্জ-সোনাতলা) রবিউল ইসলাম।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন উপজেলার বিহার ইউনিয়নের সংসারদিঘী (দোবিলা) গ্রামের শাহিন শেখ (৩২) ও নিহতের ভাবি আরিফা বেগম (৩২)। শনিবার (২৬ মে) ভোর রাতে নিজ নিজ বাড়ি থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আদালতে হাজির করা হলে তারা ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এর আগে গত ১৬ মে সকালে উপজেলার বিহার ইউনিয়নের সংসারদিঘী (দোবিলা) গ্রামে নিহতের বাড়ির পেছনের একটি ধানক্ষেত থেকে শাহ আলমের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত শাহ আলম ওই গ্রামের ইদ্রিস আলীর ছেলে। তিনি পেশায় রাজমিস্ত্রী ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে সহকারী পুলিশ সুপার রবিউল ইসলাম বলেন, গ্রেপ্তারকৃত শাহিন শেখের সঙ্গে আরিফা বেগমের দীর্ঘদিন ধরে পরকীয়া সম্পর্ক ছিল। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় একাধিকবার আলোচনা ও সতর্ক করা হলেও তারা সম্পর্ক চালিয়ে আসছিলেন। ঘটনার রাতে শাহিন গোপনে আরিফার বাড়িতে যান। একপর্যায়ে শাহ আলম বিষয়টি টের পেলে শাহিন বাড়ির পেছনের দরজা দিয়ে দৌড় দেন। এসময় নিহত শাহ আলম একটি হাসুয়া নিয়ে তাকে ধাওয়া করেন। একপর্যায়ে একটি ধানক্ষেতে তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা ও ধস্তাধস্তি হয়।

পরে শাহ আলমের হাতে থাকা ধারালো হাসুয়া কেড়ে নিয়ে শাহিন শেখ তার গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই শাহ আলমের মৃত্যু হয়। পরে মরদেহ বাড়ির পেছনের ধানক্ষেতে ফেলে রাখা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও জানান, “ঘটনার পরপরই পুলিশ তদন্ত শুরু করে। পরে পুলিশের একটি তদন্তকারী কমিটির সদস্যরা হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন এবং জড়িতদের গ্রেপ্তার করেছে। আদালতে তারা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছেন।”


খোলা বার্তা

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. ছাইদুল ইসলাম (আবির)
✆ ০১৭৫০-৭০৭৬৩৬
প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান সম্পাদক : মো. একরামুল হক।
✆ ০১৯২৮-৩১৩১২০
ই মেইল: kholabartaonline@gmail.com
কপিরাইট © ২০২৬ খোলা বার্তা । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত