ময়মনসিংহের ত্রিশালের ১০ বছরের শিশু মোহাম্মদ মাহাদী হাসান মাত্র ৯০ দিনেই সম্পূর্ণ পবিত্র কোরআন মুখস্থ করে তাক লাগিয়ে দিয়েছে সবাইকে।
ত্রিশাল পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মোহাম্মদ রাজিব আহমেদ ও শাপলা খাতুনের দ্বিতীয় সন্তান মাহাদী বর্তমানে ইল্ মুল কোরআন আদর্শ মাদরাসার হেফজ বিভাগে অধ্যয়নরত।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ছোটবেলা থেকেই মাহাদীর বাবার ইচ্ছে ছিল সন্তানকে কোরআনের হাফেজ হিসেবে গড়ে তোলার। নাজেরানা বিভাগ শেষ করার পর মাহাদী মাত্র তিন মাসেই কোরআনের ৩০ পারা মুখস্থ সম্পন্ন করে সেই স্বপ্ন পূরণ করেছে।
হাফেজ মাহাদী বলেন, “আলহামদুলিল্লাহ, এত অল্প সময়ে হাফেজ হতে পেরে খুব আনন্দ লাগছে। প্রথমে ভেবেছিলাম কঠিন হবে, কিন্তু আল্লাহ সহজ করে দিয়েছেন। ওস্তাদদের সহায়তা আর পরিশ্রমের ফলেই সম্ভব হয়েছে। ভবিষ্যতে বড় আলেম হয়ে ইসলাম ধর্মের সেবা করতে চাই।”
বাবা রাজিব আহমেদ বলেন, “নিজে হাফেজ হতে না পারলেও আমার ছেলেই আমার স্বপ্ন পূরণ করেছে। আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি এবং মাদরাসার শিক্ষক ও পরিচালকদের প্রতি কৃতজ্ঞ।”
ইলমুল কোরআন আদর্শ মাদরাসার পরিচালক হাফেজ আবু সায়েম জানান, “মাহাদী অত্যন্ত মনোযোগী ও পরিশ্রমী ছাত্র। তিন মাসের মধ্যেই কোরআন হিফজ সম্পন্ন করে সে আমাদের গর্বিত করেছে। আমরা আশা করি, সে একদিন আন্তর্জাতিক হিফজ প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে দেশের মুখ উজ্জ্বল করবে।”
মাত্র ১০ বছর বয়সে পবিত্র কোরআনের পূর্ণ হাফেজ হয়ে ওঠা মাহাদী এখন ত্রিশালজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। স্থানীয়রা বলছেন, “এমন শিশু সত্যিই আল্লাহর এক আশীর্বাদ।”

বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ অক্টোবর ২০২৫
ময়মনসিংহের ত্রিশালের ১০ বছরের শিশু মোহাম্মদ মাহাদী হাসান মাত্র ৯০ দিনেই সম্পূর্ণ পবিত্র কোরআন মুখস্থ করে তাক লাগিয়ে দিয়েছে সবাইকে।
ত্রিশাল পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মোহাম্মদ রাজিব আহমেদ ও শাপলা খাতুনের দ্বিতীয় সন্তান মাহাদী বর্তমানে ইল্ মুল কোরআন আদর্শ মাদরাসার হেফজ বিভাগে অধ্যয়নরত।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ছোটবেলা থেকেই মাহাদীর বাবার ইচ্ছে ছিল সন্তানকে কোরআনের হাফেজ হিসেবে গড়ে তোলার। নাজেরানা বিভাগ শেষ করার পর মাহাদী মাত্র তিন মাসেই কোরআনের ৩০ পারা মুখস্থ সম্পন্ন করে সেই স্বপ্ন পূরণ করেছে।
হাফেজ মাহাদী বলেন, “আলহামদুলিল্লাহ, এত অল্প সময়ে হাফেজ হতে পেরে খুব আনন্দ লাগছে। প্রথমে ভেবেছিলাম কঠিন হবে, কিন্তু আল্লাহ সহজ করে দিয়েছেন। ওস্তাদদের সহায়তা আর পরিশ্রমের ফলেই সম্ভব হয়েছে। ভবিষ্যতে বড় আলেম হয়ে ইসলাম ধর্মের সেবা করতে চাই।”
বাবা রাজিব আহমেদ বলেন, “নিজে হাফেজ হতে না পারলেও আমার ছেলেই আমার স্বপ্ন পূরণ করেছে। আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি এবং মাদরাসার শিক্ষক ও পরিচালকদের প্রতি কৃতজ্ঞ।”
ইলমুল কোরআন আদর্শ মাদরাসার পরিচালক হাফেজ আবু সায়েম জানান, “মাহাদী অত্যন্ত মনোযোগী ও পরিশ্রমী ছাত্র। তিন মাসের মধ্যেই কোরআন হিফজ সম্পন্ন করে সে আমাদের গর্বিত করেছে। আমরা আশা করি, সে একদিন আন্তর্জাতিক হিফজ প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে দেশের মুখ উজ্জ্বল করবে।”
মাত্র ১০ বছর বয়সে পবিত্র কোরআনের পূর্ণ হাফেজ হয়ে ওঠা মাহাদী এখন ত্রিশালজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। স্থানীয়রা বলছেন, “এমন শিশু সত্যিই আল্লাহর এক আশীর্বাদ।”

আপনার মতামত লিখুন