সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে পাওনা ৭০০ টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে এক যুবক ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা, মারধর, আটকে রাখা ও বসতবাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে রায়গঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী মো. মামুন হাসান (২৩)।
অভিযোগে মামুন হাসান উল্লেখ করেন, তিনি রায়গঞ্জ উপজেলার সোনাখাড়া ইউনিয়নের বন্ধিহার গ্রামের বাসিন্দা। ১ নম্বর অভিযুক্ত মো. মাসুদ রানার বাড়িতে কাজ করে তাঁর ৭০০ টাকা পাওনা ছিল। পাওনা টাকা চাইলে অভিযুক্ত বিভিন্নভাবে সময়ক্ষেপণ করছিলেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১ লা সেপ্টেম্বর দুপুর ১টার দিকে পাওনা টাকা চাইতে অভিযুক্তদের বাড়িতে গেলে তাঁকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয়। একপর্যায়ে মো. মাসুদ রানা বাঁশের লাঠি দিয়ে তাঁকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এতে তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
মামুনের অভিযোগ, তাঁকে মারধর করতে দেখে তাঁর বাবা রফিকুল ইসলাম, ভাই রাশিদুল ও মা সালেহা এগিয়ে এলে তাঁদেরও মারধর করা হয়। এ সময় তাঁর বাবার বাম কানে বাঁশের লাঠির আঘাত লেগে কান ছিঁড়ে রক্তাক্ত জখম হয়। তাঁর ভাই রাশিদুলের মাথার পেছনে লোহার রড দিয়ে আঘাত করা হয়। তাঁর মাকেও এলোপাতাড়ি মারধর করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করা হয়েছে বলে অভিযোগে বলা হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, হামলাকারীরা তাঁদের প্রাণনাশের হুমকি দেন এবং বাড়ি থেকে বের হয়ে চিকিৎসা নিতে বাধা দিয়ে আটকে রাখেন। এ ছাড়া বসতবাড়ি ও রান্নাঘর ভাঙচুর করে প্রায় ৫০ হাজার টাকার ক্ষতি করা হয়েছে বলে দাবি করেন মামুন।
পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করলে রায়গঞ্জ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে। পরে আহতদের রায়গঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হলে তাঁরা সেখানে চিকিৎসা নেন।
এ ঘটনায় মো. মাসুদ রানা, মো. শিহাব হোসেন, মো. আব্দুল সেখ, মোছা. আনজু খাতুন ও মোছা. শিরিনা বেগমের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন মামুন হাসান।
অভিযুক্তদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাঁরা এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দিতে রাজি হননি।
রায়গঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আহসানুজ্জামান বলেন, ‘৯৯৯-এ ফোন পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে পাওনা ৭০০ টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে এক যুবক ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা, মারধর, আটকে রাখা ও বসতবাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে রায়গঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী মো. মামুন হাসান (২৩)।
অভিযোগে মামুন হাসান উল্লেখ করেন, তিনি রায়গঞ্জ উপজেলার সোনাখাড়া ইউনিয়নের বন্ধিহার গ্রামের বাসিন্দা। ১ নম্বর অভিযুক্ত মো. মাসুদ রানার বাড়িতে কাজ করে তাঁর ৭০০ টাকা পাওনা ছিল। পাওনা টাকা চাইলে অভিযুক্ত বিভিন্নভাবে সময়ক্ষেপণ করছিলেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১ লা সেপ্টেম্বর দুপুর ১টার দিকে পাওনা টাকা চাইতে অভিযুক্তদের বাড়িতে গেলে তাঁকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয়। একপর্যায়ে মো. মাসুদ রানা বাঁশের লাঠি দিয়ে তাঁকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এতে তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
মামুনের অভিযোগ, তাঁকে মারধর করতে দেখে তাঁর বাবা রফিকুল ইসলাম, ভাই রাশিদুল ও মা সালেহা এগিয়ে এলে তাঁদেরও মারধর করা হয়। এ সময় তাঁর বাবার বাম কানে বাঁশের লাঠির আঘাত লেগে কান ছিঁড়ে রক্তাক্ত জখম হয়। তাঁর ভাই রাশিদুলের মাথার পেছনে লোহার রড দিয়ে আঘাত করা হয়। তাঁর মাকেও এলোপাতাড়ি মারধর করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করা হয়েছে বলে অভিযোগে বলা হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, হামলাকারীরা তাঁদের প্রাণনাশের হুমকি দেন এবং বাড়ি থেকে বের হয়ে চিকিৎসা নিতে বাধা দিয়ে আটকে রাখেন। এ ছাড়া বসতবাড়ি ও রান্নাঘর ভাঙচুর করে প্রায় ৫০ হাজার টাকার ক্ষতি করা হয়েছে বলে দাবি করেন মামুন।
পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করলে রায়গঞ্জ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে। পরে আহতদের রায়গঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হলে তাঁরা সেখানে চিকিৎসা নেন।
এ ঘটনায় মো. মাসুদ রানা, মো. শিহাব হোসেন, মো. আব্দুল সেখ, মোছা. আনজু খাতুন ও মোছা. শিরিনা বেগমের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন মামুন হাসান।
অভিযুক্তদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাঁরা এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দিতে রাজি হননি।
রায়গঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আহসানুজ্জামান বলেন, ‘৯৯৯-এ ফোন পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

আপনার মতামত লিখুন