সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলায় গোয়ালঘরের তালা ও শিকল কেটে চারটি গরু চুরির অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল বুধবার দিবাগত রাত দুইটা থেকে ভোর সাড়ে চারটার মধ্যে উপজেলার ব্রহ্মগাছা ইউনিয়নের চকমোহন বাড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী মো. আব্দুল হান্নান খান (৬০) ওই গ্রামের মৃত খোদা বক্স খানের ছেলে। তাঁর বাড়ির সামনের গোয়ালঘর থেকে গরুগুলো চুরি হয়েছে।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাত দুইটার দিকে আব্দুল হান্নান গোয়ালঘর তালাবদ্ধ করে ঘুমিয়ে পড়েন। ভোরে ফজরের নামাজের সময় আনুমানিক সাড়ে চারটার দিকে গোয়ালঘরে গিয়ে তিনি দেখতে পান, গোয়ালঘরের শিকল কাটা এবং দরজা খোলা। পরে ভেতরে গিয়ে দেখেন, সেখানে থাকা চারটি গরু নেই।
চুরি হওয়া গরুর মধ্যে একটি লাল বাছুরের আনুমানিক মূল্য ৬০ হাজার টাকা, একটি কালো বাছুরের ৬৫ হাজার টাকা, একটি সাদা-কালো বাছুরের ৬০ হাজার টাকা এবং একটি ক্রস বকনা বাছুরের মূল্য ৫৫ হাজার টাকা। ভুক্তভোগীর হিসাবে, চারটি গরুর মোট মূল্য প্রায় ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা।
আব্দুল হান্নান বলেন, ‘রাত দুইটার দিকে গোয়ালঘর তালাবদ্ধ করে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। ভোরে উঠে দেখি গোয়ালঘরের শিকল কাটা। ভেতরে গিয়ে দেখি চারটি গরু নেই।’
তাঁর ধারণা, রাত দুইটা থেকে ভোর সাড়ে চারটার মধ্যে অজ্ঞাতনামা চোরেরা গোয়ালঘরের তালা ও শিকল কেটে গরুগুলো চুরি করে নিয়ে গেছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে রায়গঞ্জ থানার ডিউটি অফিসার বলেন, এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলায় গোয়ালঘরের তালা ও শিকল কেটে চারটি গরু চুরির অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল বুধবার দিবাগত রাত দুইটা থেকে ভোর সাড়ে চারটার মধ্যে উপজেলার ব্রহ্মগাছা ইউনিয়নের চকমোহন বাড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী মো. আব্দুল হান্নান খান (৬০) ওই গ্রামের মৃত খোদা বক্স খানের ছেলে। তাঁর বাড়ির সামনের গোয়ালঘর থেকে গরুগুলো চুরি হয়েছে।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাত দুইটার দিকে আব্দুল হান্নান গোয়ালঘর তালাবদ্ধ করে ঘুমিয়ে পড়েন। ভোরে ফজরের নামাজের সময় আনুমানিক সাড়ে চারটার দিকে গোয়ালঘরে গিয়ে তিনি দেখতে পান, গোয়ালঘরের শিকল কাটা এবং দরজা খোলা। পরে ভেতরে গিয়ে দেখেন, সেখানে থাকা চারটি গরু নেই।
চুরি হওয়া গরুর মধ্যে একটি লাল বাছুরের আনুমানিক মূল্য ৬০ হাজার টাকা, একটি কালো বাছুরের ৬৫ হাজার টাকা, একটি সাদা-কালো বাছুরের ৬০ হাজার টাকা এবং একটি ক্রস বকনা বাছুরের মূল্য ৫৫ হাজার টাকা। ভুক্তভোগীর হিসাবে, চারটি গরুর মোট মূল্য প্রায় ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা।
আব্দুল হান্নান বলেন, ‘রাত দুইটার দিকে গোয়ালঘর তালাবদ্ধ করে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। ভোরে উঠে দেখি গোয়ালঘরের শিকল কাটা। ভেতরে গিয়ে দেখি চারটি গরু নেই।’
তাঁর ধারণা, রাত দুইটা থেকে ভোর সাড়ে চারটার মধ্যে অজ্ঞাতনামা চোরেরা গোয়ালঘরের তালা ও শিকল কেটে গরুগুলো চুরি করে নিয়ে গেছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে রায়গঞ্জ থানার ডিউটি অফিসার বলেন, এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন