সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় চোরাই চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বগুড়ার শেরপুর এলাকা থেকে একটি ট্রাক উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় চোরাই মালামাল পরিবহনে ব্যবহৃত একাধিক বস্তা জব্দ করা হয়।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টার দিকে সলঙ্গা থানায় আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান রায়গঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম খান।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১ সেপ্টেম্বর সলঙ্গা থানায় দায়ের করা মামলা নম্বর-১, তারিখ ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, দণ্ডবিধির ৩৭৯/৪১১ ধারায় মো. আরিফুর রহমান সাগর (২১) ও মো. রমজান আলী (২১) নামে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। আরিফুর রহমান সাগর বগুড়ার শেরপুর থানার ঘোড়দৌড় গ্রামের মো. শাহিন আলমের ছেলে এবং রমজান আলী একই থানার শেরুয়া বটতলা গ্রামের মো. বাবর আলীর ছেলে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম খান জানান, গ্রেপ্তার দুজনকে আদালতের অনুমতি নিয়ে এক দিনের পুলিশ হেফাজতে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করে বগুড়ার শেরপুর এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। পরে সেখান থেকে ঢাকা মেট্রো-ট-১১-৪৫৬৬ নম্বরের একটি ট্রাক উদ্ধার করে সলঙ্গা থানায় নিয়ে আসা হয়।
পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, পরবর্তী অভিযানে টাঙ্গাইলের কালিহাতী থানা এলাকা থেকে মো. হায়দার আলী (৬৫) ও মো. সান্ত ইসলাম (২৪) নামে আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। হায়দার আলী কালিহাতী থানার বিয়ারা মারুয়া গ্রামের মৃত জসীমউদ্দীনের ছেলে এবং সান্ত ইসলাম একই থানার চর বাবলা গ্রামের মো. নজরুল ইসলামের ছেলে। তাদের কাছ থেকে চোরাই মালামাল পরিবহনে ব্যবহৃত একাধিক বস্তা জব্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এ ছাড়া সলঙ্গা থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে বগুড়ার ধুনট থানার খোকসা বটতলা গ্রামের মো. রফিকুল ইসলামের ছেলে মো. নয়ন (২০)কে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ ও প্রাথমিক অনুসন্ধানে চোরাই মালামাল পরিবহন এবং চক্রটির সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে রায়গঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম খান অভিযানের বিস্তারিত তুলে ধরেন। এ সময় সলঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আসলাম আলী (পিপিএম-বার) ও পরিদর্শক (তদন্ত) লুৎফুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। একই সঙ্গে চোরাই চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান ও গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।

মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় চোরাই চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বগুড়ার শেরপুর এলাকা থেকে একটি ট্রাক উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় চোরাই মালামাল পরিবহনে ব্যবহৃত একাধিক বস্তা জব্দ করা হয়।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টার দিকে সলঙ্গা থানায় আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান রায়গঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম খান।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১ সেপ্টেম্বর সলঙ্গা থানায় দায়ের করা মামলা নম্বর-১, তারিখ ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, দণ্ডবিধির ৩৭৯/৪১১ ধারায় মো. আরিফুর রহমান সাগর (২১) ও মো. রমজান আলী (২১) নামে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। আরিফুর রহমান সাগর বগুড়ার শেরপুর থানার ঘোড়দৌড় গ্রামের মো. শাহিন আলমের ছেলে এবং রমজান আলী একই থানার শেরুয়া বটতলা গ্রামের মো. বাবর আলীর ছেলে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম খান জানান, গ্রেপ্তার দুজনকে আদালতের অনুমতি নিয়ে এক দিনের পুলিশ হেফাজতে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করে বগুড়ার শেরপুর এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। পরে সেখান থেকে ঢাকা মেট্রো-ট-১১-৪৫৬৬ নম্বরের একটি ট্রাক উদ্ধার করে সলঙ্গা থানায় নিয়ে আসা হয়।
পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, পরবর্তী অভিযানে টাঙ্গাইলের কালিহাতী থানা এলাকা থেকে মো. হায়দার আলী (৬৫) ও মো. সান্ত ইসলাম (২৪) নামে আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। হায়দার আলী কালিহাতী থানার বিয়ারা মারুয়া গ্রামের মৃত জসীমউদ্দীনের ছেলে এবং সান্ত ইসলাম একই থানার চর বাবলা গ্রামের মো. নজরুল ইসলামের ছেলে। তাদের কাছ থেকে চোরাই মালামাল পরিবহনে ব্যবহৃত একাধিক বস্তা জব্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এ ছাড়া সলঙ্গা থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে বগুড়ার ধুনট থানার খোকসা বটতলা গ্রামের মো. রফিকুল ইসলামের ছেলে মো. নয়ন (২০)কে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ ও প্রাথমিক অনুসন্ধানে চোরাই মালামাল পরিবহন এবং চক্রটির সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে রায়গঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম খান অভিযানের বিস্তারিত তুলে ধরেন। এ সময় সলঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আসলাম আলী (পিপিএম-বার) ও পরিদর্শক (তদন্ত) লুৎফুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। একই সঙ্গে চোরাই চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান ও গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন