চোখভরা স্বপ্ন আর সুন্দর ভবিষ্যতের প্রত্যাশা নিয়ে পথচলা শুরু হলেও মর্মান্তিক এক সড়ক দুর্ঘটনায় না ফেরার দেশে চলে গেলেন হাটহাজারী সরকারি কলেজের মেধাবী শিক্ষার্থী মুহাম্মদ মাহিন (২০)। দীর্ঘ দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
নিহত মাহিন উপজেলার নাঙ্গলমোড়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের মুকিম চৌধুরী বাড়ির মাহবুবুল বশরের একমাত্র পুত্র সন্তান। একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে তাঁর পরিবারে এখন চলছে শোকের মাতম।
জানা যায়, গত ২ সেপ্টেম্বর (বুধবার) চারিয়া বোর্ড স্কুল এলাকায় পরীক্ষা দিতে যাওয়ার সময় চার কলেজ শিক্ষার্থীকে বহনকারী একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশার সঙ্গে কারের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মাহিনসহ চার শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হন। মাহিনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। পরিবারের আশা ছিল চিকিৎসায় সুস্থ হয়ে তিনি ফিরে আসবেন, কিন্তু সব আশা ভেঙে দিয়ে সোমবার সকালে মারা যান তিনি। রাত ১১ টায় জানাযার নামাজ শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
মাহিনের এই অকাল মৃত্যুতে তাঁর নিজ গ্রাম নাঙ্গলমোড়াসহ পুরো হাটহাজারীজুড়ে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। একটি নির্মম দুর্ঘটনা থমকে দিল একটি পরিবারের সব স্বপ্ন, স্বজন ও সহপাঠীদের মাঝে কাঁদছে নাঙ্গলমোড়া।

বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চোখভরা স্বপ্ন আর সুন্দর ভবিষ্যতের প্রত্যাশা নিয়ে পথচলা শুরু হলেও মর্মান্তিক এক সড়ক দুর্ঘটনায় না ফেরার দেশে চলে গেলেন হাটহাজারী সরকারি কলেজের মেধাবী শিক্ষার্থী মুহাম্মদ মাহিন (২০)। দীর্ঘ দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
নিহত মাহিন উপজেলার নাঙ্গলমোড়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের মুকিম চৌধুরী বাড়ির মাহবুবুল বশরের একমাত্র পুত্র সন্তান। একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে তাঁর পরিবারে এখন চলছে শোকের মাতম।
জানা যায়, গত ২ সেপ্টেম্বর (বুধবার) চারিয়া বোর্ড স্কুল এলাকায় পরীক্ষা দিতে যাওয়ার সময় চার কলেজ শিক্ষার্থীকে বহনকারী একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশার সঙ্গে কারের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মাহিনসহ চার শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হন। মাহিনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। পরিবারের আশা ছিল চিকিৎসায় সুস্থ হয়ে তিনি ফিরে আসবেন, কিন্তু সব আশা ভেঙে দিয়ে সোমবার সকালে মারা যান তিনি। রাত ১১ টায় জানাযার নামাজ শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
মাহিনের এই অকাল মৃত্যুতে তাঁর নিজ গ্রাম নাঙ্গলমোড়াসহ পুরো হাটহাজারীজুড়ে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। একটি নির্মম দুর্ঘটনা থমকে দিল একটি পরিবারের সব স্বপ্ন, স্বজন ও সহপাঠীদের মাঝে কাঁদছে নাঙ্গলমোড়া।

আপনার মতামত লিখুন