সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় একটি খাবার হোটেলে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে বিএনপি ও জামায়াতের দুই নেতাসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পর নিরাপত্তা ও সুষ্ঠু তদন্তের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার।
গত ৬ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে হাটিকুমরুল ইউনিয়নের সিআরবিসি এলাকায় ‘শামিম হোটেল’ নামে দই, মিষ্টি ও খাবারের দোকানে এ ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী আব্দুল হাকিম ফকির বাদী হয়ে ওই রাতেই সলঙ্গা থানায় আটজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৪০ থেকে ৫০ জনকে আসামি করে লিখিত অভিযোগ দেন।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে চড়িয়া কান্দিপাড়া সামাজিক উন্নয়ন ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেন, হাটিকুমরুল ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আশরাফুল ইসলাম হাসু, তাঁর ছোট ভাই জামায়াত নেতা আলী হাসান ও আওয়ামী লীগ নেতা আহমাদ দীর্ঘদিন ধরে তাদের কাছে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে গত ৬ সেপ্টেম্বর রাত ৯টার দিকে হাসু ও আলী হাসান ভাড়াটে লোকজন নিয়ে হোটেলে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও মারধর করেন বলে অভিযোগ তাদের।
ভুক্তভোগীদের আরও অভিযোগ, ঘটনার সময় সলঙ্গা থানায় খবর দেওয়া হলেও পুলিশ যথাসময়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং ব্যবসায়ী পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।
তবে অভিযোগের বিষয়ে আশরাফুল ইসলাম হাসু, আলী হাসান ও আহমাদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় একটি খাবার হোটেলে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে বিএনপি ও জামায়াতের দুই নেতাসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পর নিরাপত্তা ও সুষ্ঠু তদন্তের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার।
গত ৬ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে হাটিকুমরুল ইউনিয়নের সিআরবিসি এলাকায় ‘শামিম হোটেল’ নামে দই, মিষ্টি ও খাবারের দোকানে এ ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী আব্দুল হাকিম ফকির বাদী হয়ে ওই রাতেই সলঙ্গা থানায় আটজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৪০ থেকে ৫০ জনকে আসামি করে লিখিত অভিযোগ দেন।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে চড়িয়া কান্দিপাড়া সামাজিক উন্নয়ন ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেন, হাটিকুমরুল ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আশরাফুল ইসলাম হাসু, তাঁর ছোট ভাই জামায়াত নেতা আলী হাসান ও আওয়ামী লীগ নেতা আহমাদ দীর্ঘদিন ধরে তাদের কাছে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে গত ৬ সেপ্টেম্বর রাত ৯টার দিকে হাসু ও আলী হাসান ভাড়াটে লোকজন নিয়ে হোটেলে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও মারধর করেন বলে অভিযোগ তাদের।
ভুক্তভোগীদের আরও অভিযোগ, ঘটনার সময় সলঙ্গা থানায় খবর দেওয়া হলেও পুলিশ যথাসময়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং ব্যবসায়ী পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।
তবে অভিযোগের বিষয়ে আশরাফুল ইসলাম হাসু, আলী হাসান ও আহমাদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন