ঢাকা    বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬
খোলা বার্তা

ঢাকায় যুবককে হত্যা, ডিমলায় মাটিচাপা, মুক্তিপণ আদায়ে এআই ভিডিও তৈরির অভিযোগ, মরদেহ উদ্ধার



ঢাকায় যুবককে হত্যা, ডিমলায় মাটিচাপা, মুক্তিপণ আদায়ে এআই ভিডিও তৈরির অভিযোগ, মরদেহ উদ্ধার
ঢাকায় যুবককে হত্যা, ডিমলায় মাটিচাপা, মুক্তিপণ আদায়ে এআই ভিডিও তৈরির অভিযোগ, মরদেহ উদ্ধার

ঢাকায় রাকিব হোসেন (১৭) নামে এক কিশোরকে হত্যার পর তার মরদেহ নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার বালাপাড়ায় এনে মাটিচাপা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মামুন রহমান (২৩) নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। পরে ঢাকায় ফিরে রাকিবের পরিবারের কাছ থেকে মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

সোমবার (৬ অক্টোবর) দুপুরের পর ঢাকার একটি তদন্তকারী দল ডিমলা উপজেলার বালাপাড়ায় এসে মামুনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী মাটিচাপা দেওয়া স্থান থেকে রাকিবের মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহত রাকিব হোসেন টাঙ্গাইলের গোপালপুর দক্ষিণপাড়া এলাকার খাদেমুল ইসলামের ছেলে।

পুলিশ জানায়, প্রায় এক মাস আগে রাকিব ও মামুনের মধ্যে পরিচয় হয়। পরে কোনো একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এর জেরে রাকিবকে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।

অভিযোগ রয়েছে, হত্যার পর মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে মামুন রাকিবের মরদেহ তার নিজ বাড়ি ডিমলা উপজেলার বালাপাড়ায় নিয়ে আসেন। সেখানে মরদেহ মাটিচাপা দেওয়ার পর তিনি আবার ঢাকায় ফিরে যান। পরে ঢাকায় গিয়ে রাকিব জীবিত আছেন—এমন ধারণা দিয়ে তার পরিবারের কাছে মুক্তিপণ দাবি করা হয়। এ সময় পরিবারের কাছ থেকে কিছু টাকা নেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

এ ঘটনায় রাকিবের পরিবার থানায় অভিযোগ করলে পুলিশ তদন্ত শুরু করে। পরে ঢাকার শুক্রাবাদ এলাকা থেকে মামুনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে মামুনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ডিমলার বালাপাড়ায় মরদেহ মাটিচাপা দেওয়ার বিষয়টি জানতে পারে তদন্তকারী দল।

এরপর ঢাকার একটি তদন্তকারী দল ডিমলায় এসে মামুনের দেখানো স্থান থেকে রাকিবের মরদেহ উদ্ধার করে।

এদিকে, রাকিব জীবিত আছেন—এমন ধারণা দিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভিডিও তৈরি করা হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। ওই ভিডিও ব্যবহার করে রাকিবের পরিবারের কাছ থেকে মুক্তিপণ আদায় করা হয়েছিল কি না, সেটিও তদন্তের আওতায় রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ডিমলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুল আলম বলেন, ‘মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। গ্রেপ্তার মামুনকে ঢাকার তদন্তকারী দলের কাছে হস্তান্তর করা হবে।’ ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

খোলা বার্তা

বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬


ঢাকায় যুবককে হত্যা, ডিমলায় মাটিচাপা, মুক্তিপণ আদায়ে এআই ভিডিও তৈরির অভিযোগ, মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশের তারিখ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

ঢাকায় রাকিব হোসেন (১৭) নামে এক কিশোরকে হত্যার পর তার মরদেহ নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার বালাপাড়ায় এনে মাটিচাপা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মামুন রহমান (২৩) নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। পরে ঢাকায় ফিরে রাকিবের পরিবারের কাছ থেকে মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

সোমবার (৬ অক্টোবর) দুপুরের পর ঢাকার একটি তদন্তকারী দল ডিমলা উপজেলার বালাপাড়ায় এসে মামুনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী মাটিচাপা দেওয়া স্থান থেকে রাকিবের মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহত রাকিব হোসেন টাঙ্গাইলের গোপালপুর দক্ষিণপাড়া এলাকার খাদেমুল ইসলামের ছেলে।

পুলিশ জানায়, প্রায় এক মাস আগে রাকিব ও মামুনের মধ্যে পরিচয় হয়। পরে কোনো একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এর জেরে রাকিবকে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।

অভিযোগ রয়েছে, হত্যার পর মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে মামুন রাকিবের মরদেহ তার নিজ বাড়ি ডিমলা উপজেলার বালাপাড়ায় নিয়ে আসেন। সেখানে মরদেহ মাটিচাপা দেওয়ার পর তিনি আবার ঢাকায় ফিরে যান। পরে ঢাকায় গিয়ে রাকিব জীবিত আছেন—এমন ধারণা দিয়ে তার পরিবারের কাছে মুক্তিপণ দাবি করা হয়। এ সময় পরিবারের কাছ থেকে কিছু টাকা নেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

এ ঘটনায় রাকিবের পরিবার থানায় অভিযোগ করলে পুলিশ তদন্ত শুরু করে। পরে ঢাকার শুক্রাবাদ এলাকা থেকে মামুনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে মামুনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ডিমলার বালাপাড়ায় মরদেহ মাটিচাপা দেওয়ার বিষয়টি জানতে পারে তদন্তকারী দল।

এরপর ঢাকার একটি তদন্তকারী দল ডিমলায় এসে মামুনের দেখানো স্থান থেকে রাকিবের মরদেহ উদ্ধার করে।

এদিকে, রাকিব জীবিত আছেন—এমন ধারণা দিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভিডিও তৈরি করা হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। ওই ভিডিও ব্যবহার করে রাকিবের পরিবারের কাছ থেকে মুক্তিপণ আদায় করা হয়েছিল কি না, সেটিও তদন্তের আওতায় রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ডিমলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুল আলম বলেন, ‘মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। গ্রেপ্তার মামুনকে ঢাকার তদন্তকারী দলের কাছে হস্তান্তর করা হবে।’ ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।


খোলা বার্তা

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. ছাইদুল ইসলাম (আবির)
✆ ০১৭৫০-৭০৭৬৩৬
প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান সম্পাদক : মো. একরামুল হক।
✆ ০১৯২৮-৩১৩১২০
ই মেইল: kholabartaonline@gmail.com
কপিরাইট © ২০২৬ খোলা বার্তা । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত